০৭:৩৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬

শার্শায় ফেনসিডিল মামলায় পলাতক ওয়াহেদ আলীর ৫ বছরের কারাদণ্ড

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৭:৩৫:৩৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬
  • ৫০১

যশোরের শার্শায় ২৫০ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধারের ঘটনায় দায়ের করা চোরাচালান মামলায় ওয়াহেদ আলী শেখ নামে এক ব্যক্তিকে পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাঁকে দুই হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানা অনাদায়ে আরও এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে তাঁকে।

মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) যশোরের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক শাহিনুর রহমান এ রায় ঘোষণা করেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত ওয়াহেদ আলী শেখ শার্শা উপজেলার কৃষ্ণপুর গ্রামের মৃত মফিজ উদ্দিন শেখের ছেলে। জামিনে মুক্তি পাওয়ার পর থেকে তিনি পলাতক রয়েছেন বলে জানা গেছে।

মামলার অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ২০১৬ সালের ২৭ জুলাই গোপন সংবাদের ভিত্তিতে যশোর র‌্যাব-৬-এর একটি দল শার্শা উপজেলার কৃষ্ণপুর গ্রামের খালপাড় সড়কে অভিযান চালায়। এ সময় সন্দেহজনক গতিবিধির কারণে ওয়াহেদ আলী শেখকে আটক করা হয়। পরে তাঁর সঙ্গে থাকা একটি বস্তা তল্লাশি করে ২৫০ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার করেন র‌্যাব সদস্যরা।

এ ঘটনায় র‌্যাবের ডিএডি কাওসার আজম বাদী হয়ে ওয়াহেদ আলী শেখের বিরুদ্ধে চোরাচালান দমন আইনে শার্শা থানায় মামলা করেন।

মামলাটি তদন্ত শেষে তদন্তকারী কর্মকর্তা উপপরিদর্শক (এসআই) মুরাদ হোসেন একই বছরের ৩১ আগস্ট ওয়াহেদ আলী শেখকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন।

দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে সাক্ষ্য-প্রমাণ পর্যালোচনা করে আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত তাঁকে পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও দুই হাজার টাকা জরিমানার আদেশ দেন। জরিমানা অনাদায়ে তাঁকে আরও এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।

সর্বাধিক পঠিত

শার্শায় ফেনসিডিল মামলায় পলাতক ওয়াহেদ আলীর ৫ বছরের কারাদণ্ড

শার্শায় ফেনসিডিল মামলায় পলাতক ওয়াহেদ আলীর ৫ বছরের কারাদণ্ড

আপডেট: ০৭:৩৫:৩৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬

যশোরের শার্শায় ২৫০ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধারের ঘটনায় দায়ের করা চোরাচালান মামলায় ওয়াহেদ আলী শেখ নামে এক ব্যক্তিকে পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাঁকে দুই হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানা অনাদায়ে আরও এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে তাঁকে।

মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) যশোরের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক শাহিনুর রহমান এ রায় ঘোষণা করেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত ওয়াহেদ আলী শেখ শার্শা উপজেলার কৃষ্ণপুর গ্রামের মৃত মফিজ উদ্দিন শেখের ছেলে। জামিনে মুক্তি পাওয়ার পর থেকে তিনি পলাতক রয়েছেন বলে জানা গেছে।

মামলার অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ২০১৬ সালের ২৭ জুলাই গোপন সংবাদের ভিত্তিতে যশোর র‌্যাব-৬-এর একটি দল শার্শা উপজেলার কৃষ্ণপুর গ্রামের খালপাড় সড়কে অভিযান চালায়। এ সময় সন্দেহজনক গতিবিধির কারণে ওয়াহেদ আলী শেখকে আটক করা হয়। পরে তাঁর সঙ্গে থাকা একটি বস্তা তল্লাশি করে ২৫০ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার করেন র‌্যাব সদস্যরা।

এ ঘটনায় র‌্যাবের ডিএডি কাওসার আজম বাদী হয়ে ওয়াহেদ আলী শেখের বিরুদ্ধে চোরাচালান দমন আইনে শার্শা থানায় মামলা করেন।

মামলাটি তদন্ত শেষে তদন্তকারী কর্মকর্তা উপপরিদর্শক (এসআই) মুরাদ হোসেন একই বছরের ৩১ আগস্ট ওয়াহেদ আলী শেখকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন।

দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে সাক্ষ্য-প্রমাণ পর্যালোচনা করে আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত তাঁকে পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও দুই হাজার টাকা জরিমানার আদেশ দেন। জরিমানা অনাদায়ে তাঁকে আরও এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।