রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে রাতভর পাল্টাপাল্টি হামলায় অন্তত দুজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ১৫ জন। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বরাতে এ তথ্য জানা গেছে।
রুশ-নিয়ন্ত্রিত ইউক্রেনের জাপোরিঝিয়া অঞ্চলে ইউক্রেনের ড্রোন হামলায় সিমফেরোপল থেকে মস্কোগামী একটি যাত্রীবাহী বাস ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এতে একজন নিহত হন। বাসটিতে ৩১ জন যাত্রী ছিলেন বলে জানিয়েছেন অঞ্চলটির রাশিয়া-নিযুক্ত গভর্নর ইয়েভগেনি বালিতস্কি।
রুশ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ম্যাক্সে দেওয়া এক বার্তায় বালিতস্কি জানান, প্রিমোর্স্ক শহরের কাছে বাসটিতে ড্রোন হামলা চালানো হয়। আহতদের হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া যেসব যাত্রীর হাসপাতালে ভর্তির প্রয়োজন হয়নি, তাঁদের খাবার ও থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছে।
অন্যদিকে, ইউক্রেনের স্টেট ইমার্জেন্সি সার্ভিস জানিয়েছে, রাজধানী কিয়েভে রাশিয়ার হামলায় একজন নিহত এবং ১৫ জন আহত হয়েছেন।
রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দাবি, রাতভর ইউক্রেনের সামরিক শিল্পপ্রতিষ্ঠান, কিয়েভের পরিবহন অবকাঠামো, খারকিভ অঞ্চলের একটি লজিস্টিকস সেন্টার এবং ইউক্রেনীয় বাহিনীর ব্যবহৃত নৌযান লক্ষ্য করে বড় ধরনের হামলা চালানো হয়েছে। এসব হামলায় স্থলভিত্তিক অস্ত্র ও ড্রোন ব্যবহার করা হয় বলে জানিয়েছে মন্ত্রণালয়।
রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের ধারাবাহিকতায় দুই পক্ষের হামলায় সামরিক ও কৌশলগত স্থাপনাগুলো ক্রমেই গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্যবস্তু হয়ে উঠছে। ইউক্রেনের বিভিন্ন অঞ্চলে অস্ত্র উৎপাদন, ড্রোন সংযোজন এবং সামরিক সরঞ্জাম সংরক্ষণের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট স্থাপনাগুলো লক্ষ্য করে রাশিয়ার হামলার খবর পাওয়া যাচ্ছে।
তবে সামরিক স্থাপনার পাশাপাশি বেসামরিক অবকাঠামো ও আবাসিক এলাকাও হামলার ঝুঁকিতে রয়েছে। এতে সাধারণ মানুষের জীবন ও নিরাপত্তা হুমকির মুখে পড়ছে। পাল্টাপাল্টি আক্রমণ অব্যাহত থাকায় উভয় দেশের বেসামরিক নাগরিকদের হতাহতের আশঙ্কাও বাড়ছে।




















