১২:১৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পুলিশ পরিচয়ে কালীগঞ্জে দুর্ধর্ষ ডাকাতি, গ্রামবাসীর হাতে আটক ৩

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ১০:২৩:৪৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৮ অক্টোবর ২০২৫
  • ৫৮৪

ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ শহরের বেজপাড়া গ্রামে পুলিশ পরিচয়ে একটি দুর্ধর্ষ ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। সোমবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে ৮ থেকে ১০ জনের একটি ডাকাতদল নিজেদের পুলিশ পরিচয় দিয়ে অবৈধ মালামাল ও মাদকদ্রব্যের অভিযানের কথা বলে একটি বাড়িতে প্রবেশ করে।
আব্দুর রশিদের বাড়িতে হানা দিয়ে ডাকাতরা অস্ত্রের মুখে বাড়ির সকলকে জিম্মি করে। এসময় তারা আব্দুর রশিদের স্ত্রী রিজিয়া বেগমকে জিম্মি করে ঘরের আলমারি ভেঙে প্রায় ৫ লক্ষাধিক টাকার স্বর্ণালঙ্কার (চেইন, কানের দুল, নেকলেস ও আংটি) ও নগদ ২০ হাজার টাকা লুট করে নিয়ে যায়।
গ্রামবাসীর হাতে আটক ৩ ডাকাত:
ডাকাতি শেষে পালানোর সময় বাড়ির লোকজনের চিৎকারে আশেপাশের গ্রামবাসীরা এগিয়ে এসে ডাকাতদলকে ধাওয়া করে। এ সময় গ্রামবাসীরা ৩ জন ডাকাতকে আটক করে এবং তাদের মারধর করে।
আটককৃত ডাকাত সদস্যরা হলো:
১. শাহাবুর মন্ডল (হরিনাকুন্ডু উপজেলার আবুল হোসেনের ছেলে)।
২. রানা হোসেন (হরিনাকুন্ডু উপজেলার বৈঠাপাড়া গ্রামের মহিউদ্দিন সর্দারের ছেলে, যিনি সম্প্রতি মালয়েশিয়া থেকে ফিরেছেন)।
৩. তুষার আহাম্মেদ সাকিব (ঝিনাইদহ সদর উপজেলার চান্দুয়ালী গ্রামের ওবায়দুল মন্ডলের ছেলে, যিনি এবার এসএসসিতে ফেল করেছেন)।
লুটেরাদের স্বীকারোক্তি:
আটককৃত ডাকাতরা জানায়, ঝিনাইদহ সদর উপজেলার চান্দুয়ালী গ্রামের মতিয়ার রহমানের ছেলে রোকনের নেতৃত্বে তারা ডাকাতিতে অংশ নেয়। তাদের দলে আরও ছিল সদর উপজেলার চান্দুয়ালী গ্রামের তৌহিদ হোসেন, মহামায়া গ্রামের কুরবান আলী ও তরিকুল ইসলামসহ প্রায় ৮ থেকে ১০ জন।
পুলিশ ও প্রশাসনের পদক্ষেপ:
কালীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ শফিকুল ইসলাম জানিয়েছেন, ডাকাতির খবর পেয়ে সহকারি পুলিশ সুপারসহ পুলিশ ও সোনাবাহিনীর সদস্যদের একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। পরে গ্রামবাসীর হাতে আটক ৩ ডাকাতকে থানায় নিয়ে আসা হয়।
এ ধরনের ডাকাতির ঘটনায় এলাকায় কি আতঙ্ক তৈরি হয়েছে বলে মনে করেন?

সর্বাধিক পঠিত

শার্শায় ৪০ ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক

পুলিশ পরিচয়ে কালীগঞ্জে দুর্ধর্ষ ডাকাতি, গ্রামবাসীর হাতে আটক ৩

আপডেট: ১০:২৩:৪৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৮ অক্টোবর ২০২৫

ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ শহরের বেজপাড়া গ্রামে পুলিশ পরিচয়ে একটি দুর্ধর্ষ ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। সোমবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে ৮ থেকে ১০ জনের একটি ডাকাতদল নিজেদের পুলিশ পরিচয় দিয়ে অবৈধ মালামাল ও মাদকদ্রব্যের অভিযানের কথা বলে একটি বাড়িতে প্রবেশ করে।
আব্দুর রশিদের বাড়িতে হানা দিয়ে ডাকাতরা অস্ত্রের মুখে বাড়ির সকলকে জিম্মি করে। এসময় তারা আব্দুর রশিদের স্ত্রী রিজিয়া বেগমকে জিম্মি করে ঘরের আলমারি ভেঙে প্রায় ৫ লক্ষাধিক টাকার স্বর্ণালঙ্কার (চেইন, কানের দুল, নেকলেস ও আংটি) ও নগদ ২০ হাজার টাকা লুট করে নিয়ে যায়।
গ্রামবাসীর হাতে আটক ৩ ডাকাত:
ডাকাতি শেষে পালানোর সময় বাড়ির লোকজনের চিৎকারে আশেপাশের গ্রামবাসীরা এগিয়ে এসে ডাকাতদলকে ধাওয়া করে। এ সময় গ্রামবাসীরা ৩ জন ডাকাতকে আটক করে এবং তাদের মারধর করে।
আটককৃত ডাকাত সদস্যরা হলো:
১. শাহাবুর মন্ডল (হরিনাকুন্ডু উপজেলার আবুল হোসেনের ছেলে)।
২. রানা হোসেন (হরিনাকুন্ডু উপজেলার বৈঠাপাড়া গ্রামের মহিউদ্দিন সর্দারের ছেলে, যিনি সম্প্রতি মালয়েশিয়া থেকে ফিরেছেন)।
৩. তুষার আহাম্মেদ সাকিব (ঝিনাইদহ সদর উপজেলার চান্দুয়ালী গ্রামের ওবায়দুল মন্ডলের ছেলে, যিনি এবার এসএসসিতে ফেল করেছেন)।
লুটেরাদের স্বীকারোক্তি:
আটককৃত ডাকাতরা জানায়, ঝিনাইদহ সদর উপজেলার চান্দুয়ালী গ্রামের মতিয়ার রহমানের ছেলে রোকনের নেতৃত্বে তারা ডাকাতিতে অংশ নেয়। তাদের দলে আরও ছিল সদর উপজেলার চান্দুয়ালী গ্রামের তৌহিদ হোসেন, মহামায়া গ্রামের কুরবান আলী ও তরিকুল ইসলামসহ প্রায় ৮ থেকে ১০ জন।
পুলিশ ও প্রশাসনের পদক্ষেপ:
কালীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ শফিকুল ইসলাম জানিয়েছেন, ডাকাতির খবর পেয়ে সহকারি পুলিশ সুপারসহ পুলিশ ও সোনাবাহিনীর সদস্যদের একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। পরে গ্রামবাসীর হাতে আটক ৩ ডাকাতকে থানায় নিয়ে আসা হয়।
এ ধরনের ডাকাতির ঘটনায় এলাকায় কি আতঙ্ক তৈরি হয়েছে বলে মনে করেন?