০৫:৫৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬

কিশোরগঞ্জে থানা হাজতে আসামির ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৪:৩২:৪৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬
  • ৫১০

কিশোরগঞ্জের নিকলী থানা হাজত থেকে রুবেল মিয়া (২২) নামে এক আসামির ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) সকাল ১০টার দিকে নিকলী থানার হাজতখানা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহত রুবেল মিয়া উপজেলার কারাপাশা ইউনিয়নের শহরমূল এলাকার রাজা হাওলাদারের একমাত্র ছেলে।

পুলিশ জানায়, রুবেলের বিরুদ্ধে তার বাবার দায়ের করা একটি মাদক মামলায় আদালতের গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ছিল। বৃহস্পতিবার সকাল ৯টার দিকে তাকে গ্রেপ্তার করে নিকলী থানায় আনা হয় এবং হাজতখানায় রাখা হয়।

নিকলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুবুর রহমান জানান, একপর্যায়ে রুবেল নিজের পরনের শার্ট খুলে হাজতখানার গ্রিলের সঙ্গে বেঁধে আত্মহত্যা করেন বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। পরে আদালতে নেওয়ার জন্য পুলিশ হাজতখানায় গেলে তাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পায়। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে উদ্ধার করা হলেও তিনি মারা যান।

নিহতের বাবা রাজা হাওলাদার বলেন, “রুবেল আমার একমাত্র ছেলে। সে খুব আদরের ছিল। কিন্তু অল্প বয়সেই মাদকাসক্ত হয়ে পড়ে। তাকে সুস্থ করতে আমি নিজেই তার বিরুদ্ধে মামলা করি। সে তিন মাস কারাভোগ করলেও মাদক ছাড়তে পারেনি। পরে আবারও মাদকে জড়িয়ে পড়ে এবং পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে খারাপ আচরণ করত। আজও আমি নিজেই পুলিশকে খবর দিই। পুলিশ তাকে থানায় নিয়ে যাওয়ার পর আমি খাবার ও কাপড় দিয়ে বাড়ি ফিরছিলাম। পথেই খবর পাই, সে আত্মহত্যা করেছে।”

ওসি মাহবুবুর রহমান বলেন, “রুবেল দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত ছিলেন। তার বিরুদ্ধে আদালতের গ্রেপ্তারি পরোয়ানা কার্যকর করে থানায় আনা হয়েছিল। হাজতখানায় তিনি আত্মহত্যা করেছেন বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং আইনানুগ প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।”

পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাটি তদন্ত করা হচ্ছে। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে

সর্বাধিক পঠিত

শার্শায় ১০০ গ্রাম গাঁজাসহ মাদক কারবারি ফয়সাল আটক

কিশোরগঞ্জে থানা হাজতে আসামির ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

আপডেট: ০৪:৩২:৪৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬

কিশোরগঞ্জের নিকলী থানা হাজত থেকে রুবেল মিয়া (২২) নামে এক আসামির ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) সকাল ১০টার দিকে নিকলী থানার হাজতখানা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহত রুবেল মিয়া উপজেলার কারাপাশা ইউনিয়নের শহরমূল এলাকার রাজা হাওলাদারের একমাত্র ছেলে।

পুলিশ জানায়, রুবেলের বিরুদ্ধে তার বাবার দায়ের করা একটি মাদক মামলায় আদালতের গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ছিল। বৃহস্পতিবার সকাল ৯টার দিকে তাকে গ্রেপ্তার করে নিকলী থানায় আনা হয় এবং হাজতখানায় রাখা হয়।

নিকলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুবুর রহমান জানান, একপর্যায়ে রুবেল নিজের পরনের শার্ট খুলে হাজতখানার গ্রিলের সঙ্গে বেঁধে আত্মহত্যা করেন বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। পরে আদালতে নেওয়ার জন্য পুলিশ হাজতখানায় গেলে তাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পায়। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে উদ্ধার করা হলেও তিনি মারা যান।

নিহতের বাবা রাজা হাওলাদার বলেন, “রুবেল আমার একমাত্র ছেলে। সে খুব আদরের ছিল। কিন্তু অল্প বয়সেই মাদকাসক্ত হয়ে পড়ে। তাকে সুস্থ করতে আমি নিজেই তার বিরুদ্ধে মামলা করি। সে তিন মাস কারাভোগ করলেও মাদক ছাড়তে পারেনি। পরে আবারও মাদকে জড়িয়ে পড়ে এবং পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে খারাপ আচরণ করত। আজও আমি নিজেই পুলিশকে খবর দিই। পুলিশ তাকে থানায় নিয়ে যাওয়ার পর আমি খাবার ও কাপড় দিয়ে বাড়ি ফিরছিলাম। পথেই খবর পাই, সে আত্মহত্যা করেছে।”

ওসি মাহবুবুর রহমান বলেন, “রুবেল দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত ছিলেন। তার বিরুদ্ধে আদালতের গ্রেপ্তারি পরোয়ানা কার্যকর করে থানায় আনা হয়েছিল। হাজতখানায় তিনি আত্মহত্যা করেছেন বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং আইনানুগ প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।”

পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাটি তদন্ত করা হচ্ছে। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে