০৪:৫৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬

ফিফা সভাপতি ও রেফারির বিরুদ্ধে মামলা করতে থানায় হাজির এক তরুণ।

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৩:৫৭:৪১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬
  • ৫১০

 

বিশ্বকাপ ফুটবল ম্যাচে পক্ষপাতমূলক সিদ্ধান্তের অভিযোগ তুলে আন্তর্জাতিক ফুটবল ফেডারেশনের (ফিফা) সভাপতি, ম্যাচ রেফারিসহ ২৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা করতে নোয়াখালীর সুধারাম মডেল থানায় হয়ে হাজিরছেন এক তরুণ। একই সঙ্গে তিনি ৫ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দাবি করেছেন।

অভিযোগকারী মো. রাকিব (২২) নোয়াখালী সদর উপজেলার মান্দারতলী গ্রামের বাসিন্দা। বুধবার (৮ জুলাই) রাতে তিনি সুধারাম মডেল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ জমা দেন। তবে আন্তর্জাতিক বিষয় হওয়ায় এ ঘটনায় স্থানীয় থানার কোনো আইনগত এখতিয়ার নেই জানিয়ে অভিযোগটি মামলা হিসেবে গ্রহণ করেনি পুলিশ।

লিখিত অভিযোগে রাকিব দাবি করেন, মঙ্গলবার রাতে স্থানীয় করমুল্যা বাজারে বড় পর্দায় তিনি আর্জেন্টিনা ও মিশরের মধ্যকার বিশ্বকাপ ফুটবল ম্যাচ দেখছিলেন। ম্যাচ চলাকালে রেফারি ইচ্ছাকৃতভাবে পক্ষপাতমূলক সিদ্ধান্ত নিয়ে একটি নির্দিষ্ট দলকে সুবিধা দিয়েছেন, যার ফলে তার সমর্থিত দল মিশর পরাজিত হয়েছে।

এ ঘটনায় তিনি ফিফার সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো, ম্যাচের রেফারি ফ্রাঁসোয়া লেতেক্সিয়েরসহ ১৫ থেকে ২০ জনকে অভিযুক্ত করেন। তার অভিযোগ, এই সিদ্ধান্তের কারণে তিনি এবং মিশরের অসংখ্য সমর্থক মানসিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। তাই অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক আইনে ব্যবস্থা গ্রহণ এবং ফিফার কাছ থেকে ৫ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দাবি করেন।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) সকালে গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলে রাকিব বলেন, “আর্জেন্টিনা ও মিশরের ম্যাচটি দেখার পর থেকে আমি ও আমার বন্ধুরা মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছি। এই অন্যায়ের বিচার হওয়া উচিত। পুলিশ অভিযোগটি মামলা হিসেবে নেয়নি। তাই একই অভিযোগ নিয়ে আদালতে যাব। প্রয়োজনে মানববন্ধনসহ বিভিন্ন সামাজিক কর্মসূচিও পালন করব।”

এ বিষয়ে সুধারাম মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ কামরুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, “এক তরুণ থানায় এমন একটি লিখিত অভিযোগ নিয়ে এসেছিলেন। তবে আন্তর্জাতিক ফুটবল ম্যাচ বা ফিফার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার মতো কোনো আইনগত এখতিয়ার স্থানীয় থানার নেই। বিষয়টি তাকে বুঝিয়ে বলা হয়েছে। প্রয়োজনে আন্তর্জাতিক আদালতের মতো উপযুক্ত ফোরামে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।”

উল্লেখ্য, আন্তর্জাতিক ক্রীড়া সংস্থার সিদ্ধান্ত বা বিদেশে অনুষ্ঠিত কোনো ম্যাচের পরিচালনা নিয়ে স্থানীয় থানায় ফৌজদারি মামলা গ্রহণের আইনগত সুযোগ নেই। তাই পুলিশ অভিযোগটি মামলা হিসেবে গ্রহণ করেনি।

সর্বাধিক পঠিত

কিশোরগঞ্জে থানা হাজতে আসামির ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

ফিফা সভাপতি ও রেফারির বিরুদ্ধে মামলা করতে থানায় হাজির এক তরুণ।

আপডেট: ০৩:৫৭:৪১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬

 

বিশ্বকাপ ফুটবল ম্যাচে পক্ষপাতমূলক সিদ্ধান্তের অভিযোগ তুলে আন্তর্জাতিক ফুটবল ফেডারেশনের (ফিফা) সভাপতি, ম্যাচ রেফারিসহ ২৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা করতে নোয়াখালীর সুধারাম মডেল থানায় হয়ে হাজিরছেন এক তরুণ। একই সঙ্গে তিনি ৫ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দাবি করেছেন।

অভিযোগকারী মো. রাকিব (২২) নোয়াখালী সদর উপজেলার মান্দারতলী গ্রামের বাসিন্দা। বুধবার (৮ জুলাই) রাতে তিনি সুধারাম মডেল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ জমা দেন। তবে আন্তর্জাতিক বিষয় হওয়ায় এ ঘটনায় স্থানীয় থানার কোনো আইনগত এখতিয়ার নেই জানিয়ে অভিযোগটি মামলা হিসেবে গ্রহণ করেনি পুলিশ।

লিখিত অভিযোগে রাকিব দাবি করেন, মঙ্গলবার রাতে স্থানীয় করমুল্যা বাজারে বড় পর্দায় তিনি আর্জেন্টিনা ও মিশরের মধ্যকার বিশ্বকাপ ফুটবল ম্যাচ দেখছিলেন। ম্যাচ চলাকালে রেফারি ইচ্ছাকৃতভাবে পক্ষপাতমূলক সিদ্ধান্ত নিয়ে একটি নির্দিষ্ট দলকে সুবিধা দিয়েছেন, যার ফলে তার সমর্থিত দল মিশর পরাজিত হয়েছে।

এ ঘটনায় তিনি ফিফার সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো, ম্যাচের রেফারি ফ্রাঁসোয়া লেতেক্সিয়েরসহ ১৫ থেকে ২০ জনকে অভিযুক্ত করেন। তার অভিযোগ, এই সিদ্ধান্তের কারণে তিনি এবং মিশরের অসংখ্য সমর্থক মানসিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। তাই অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক আইনে ব্যবস্থা গ্রহণ এবং ফিফার কাছ থেকে ৫ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দাবি করেন।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) সকালে গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলে রাকিব বলেন, “আর্জেন্টিনা ও মিশরের ম্যাচটি দেখার পর থেকে আমি ও আমার বন্ধুরা মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছি। এই অন্যায়ের বিচার হওয়া উচিত। পুলিশ অভিযোগটি মামলা হিসেবে নেয়নি। তাই একই অভিযোগ নিয়ে আদালতে যাব। প্রয়োজনে মানববন্ধনসহ বিভিন্ন সামাজিক কর্মসূচিও পালন করব।”

এ বিষয়ে সুধারাম মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ কামরুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, “এক তরুণ থানায় এমন একটি লিখিত অভিযোগ নিয়ে এসেছিলেন। তবে আন্তর্জাতিক ফুটবল ম্যাচ বা ফিফার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার মতো কোনো আইনগত এখতিয়ার স্থানীয় থানার নেই। বিষয়টি তাকে বুঝিয়ে বলা হয়েছে। প্রয়োজনে আন্তর্জাতিক আদালতের মতো উপযুক্ত ফোরামে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।”

উল্লেখ্য, আন্তর্জাতিক ক্রীড়া সংস্থার সিদ্ধান্ত বা বিদেশে অনুষ্ঠিত কোনো ম্যাচের পরিচালনা নিয়ে স্থানীয় থানায় ফৌজদারি মামলা গ্রহণের আইনগত সুযোগ নেই। তাই পুলিশ অভিযোগটি মামলা হিসেবে গ্রহণ করেনি।