চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি) আসনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী বিএনপির প্রার্থী সারোয়ার আলমগীরের প্রার্থিতা বৈধ ঘোষণা করেছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে তাকে সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ গ্রহণে কোনো আইনগত বাধা নেই বলেও রায় দিয়েছেন আদালত।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) হাইকোর্টের বিচারপতি ফাহমিদা কাদের ও বিচারপতি মো. আসিফ হাসানের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।
আদালতে সারোয়ার আলমগীরের পক্ষে শুনানিতে অংশ নেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী আহসানুল করিম ও ব্যারিস্টার এ. এম. মাহবুব উদ্দিন খোকন। তাদের সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী মো. আনোয়ার হোসেন। অপরদিকে জামায়াতের প্রার্থী মুহাম্মদ নুরুল আমিনের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মুহাম্মদ শিশির মনির এবং আইনজীবী আজিম উদ্দিন পাটোয়ারী।
আদালত সূত্রে জানা যায়, গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি) আসনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন সারোয়ার আলমগীর। তবে তার প্রার্থিতা নিয়ে চলমান আইনি জটিলতার কারণে নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশ আপিল বিভাগের নির্দেশে স্থগিত রাখা হয়েছিল।
নির্বাচনের আগে প্রার্থিতা ফিরে পেতে হাইকোর্টে রিট আবেদন করেন সারোয়ার আলমগীর। প্রাথমিক শুনানি শেষে গত ২৭ জানুয়ারি হাইকোর্ট তাকে নির্বাচনে অংশগ্রহণের অনুমতি দিয়ে ‘ধানের শীষ’ প্রতীক বরাদ্দের নির্দেশ দেন।
পরে ওই আদেশের বিরুদ্ধে একই আসনের জামায়াতের প্রার্থী মুহাম্মদ নুরুল আমিন ঋণখেলাপির অভিযোগ তুলে লিভ টু আপিল করেন। আপিল বিভাগ ৩ ফেব্রুয়ারি আবেদনটি গ্রহণ করে নির্দেশ দেন, সারোয়ার আলমগীর নির্বাচনে বিজয়ী হলেও আপিলের চূড়ান্ত নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত তার নির্বাচনি ফলাফল প্রকাশ স্থগিত থাকবে।
পরবর্তীতে ৩১ মার্চ নিয়মিত আপিল দায়ের করেন জামায়াত প্রার্থী। ওই আপিলের শুনানি শেষে গত ১৬ জুন আপিল বিভাগ হাইকোর্টকে দ্রুত, সম্ভব হলে দুই সপ্তাহের মধ্যে রুল নিষ্পত্তির নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পূর্বের স্থগিতাদেশ বহাল রাখেন।




















