০৪:০৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

দক্ষিণ আফ্রিকায় ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সামনে প্রবাসী বাংলাদেশিকে গুলি করে হত্যা

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ১০:২৯:২১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬
  • ৬০০

দক্ষিণ আফ্রিকার জোহানেসবার্গ-এর পার্শ্ববর্তী বারা এলাকায় নিজ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সামনে মাথায় পিস্তল ঠেকিয়ে প্রবাসী বাংলাদেশি আবু নাছের শামীম (৫০)-কে গুলি করে হত্যা করেছে সন্ত্রাসীরা। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) বিকেল ৫টার দিকে (স্থানীয় সময়) এ ঘটনা ঘটে।
নিহত শামীম নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার চরকাঁকড়া ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের বাদামতলী এলাকার বাসিন্দা এবং মৃত আবদুর রশিদ মিয়ার ছেলে। তিনি চার সন্তানের জনক ছিলেন।
নিহতের বড় ছেলে আবু রাফসান পিয়াস জানান, তার বাবা ২০০৭ সালে প্রথম দক্ষিণ আফ্রিকায় যান। চার বছর আগে দেশে এসে পুনরায় সেখানে ফিরে গিয়ে ব্যবসা শুরু করেন। বর্তমানে তার ৪-৫টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ছিল।

তিনি অভিযোগ করেন, কিছুদিন আগে একটি বড় দোকান বিক্রি নিয়ে নোয়াখালীর এক ব্যবসায়িক অংশীদারের সঙ্গে তার বাবার বিরোধ সৃষ্টি হয়। সম্প্রতিসেই বিরোধ আরও তীব্র হয়। নিরাপত্তার জন্য তিনি দোকানে বুলেটপ্রুফ গ্লাস স্থাপন এবং ব্যক্তিগত নিরাপত্তাকর্মীও নিয়োগ করেছিলেন।

ঘটনার দিন বিকেলে দোকানের সামনে নিরাপত্তাকর্মীর সঙ্গে কথা বলার সময় আগে থেকে ওঁৎ পেতে থাকা সন্ত্রাসীরা তার মাথায় পিস্তল ঠেকিয়ে পরপর ৬-৭ রাউন্ড গুলি করে। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
এ ঘটনায় নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্ত এবং দ্রুত মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনার দাবি জানানো হয়েছে। স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ঘটনাটি তদন্ত করছে বলে জানা গেছে।

সর্বাধিক পঠিত

বড় আঁচড়ায় পঞ্চম দিনের গণসংযোগে ইমদাদুল হক ইমদাদ

দক্ষিণ আফ্রিকায় ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সামনে প্রবাসী বাংলাদেশিকে গুলি করে হত্যা

আপডেট: ১০:২৯:২১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬

দক্ষিণ আফ্রিকার জোহানেসবার্গ-এর পার্শ্ববর্তী বারা এলাকায় নিজ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সামনে মাথায় পিস্তল ঠেকিয়ে প্রবাসী বাংলাদেশি আবু নাছের শামীম (৫০)-কে গুলি করে হত্যা করেছে সন্ত্রাসীরা। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) বিকেল ৫টার দিকে (স্থানীয় সময়) এ ঘটনা ঘটে।
নিহত শামীম নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার চরকাঁকড়া ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের বাদামতলী এলাকার বাসিন্দা এবং মৃত আবদুর রশিদ মিয়ার ছেলে। তিনি চার সন্তানের জনক ছিলেন।
নিহতের বড় ছেলে আবু রাফসান পিয়াস জানান, তার বাবা ২০০৭ সালে প্রথম দক্ষিণ আফ্রিকায় যান। চার বছর আগে দেশে এসে পুনরায় সেখানে ফিরে গিয়ে ব্যবসা শুরু করেন। বর্তমানে তার ৪-৫টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ছিল।

তিনি অভিযোগ করেন, কিছুদিন আগে একটি বড় দোকান বিক্রি নিয়ে নোয়াখালীর এক ব্যবসায়িক অংশীদারের সঙ্গে তার বাবার বিরোধ সৃষ্টি হয়। সম্প্রতিসেই বিরোধ আরও তীব্র হয়। নিরাপত্তার জন্য তিনি দোকানে বুলেটপ্রুফ গ্লাস স্থাপন এবং ব্যক্তিগত নিরাপত্তাকর্মীও নিয়োগ করেছিলেন।

ঘটনার দিন বিকেলে দোকানের সামনে নিরাপত্তাকর্মীর সঙ্গে কথা বলার সময় আগে থেকে ওঁৎ পেতে থাকা সন্ত্রাসীরা তার মাথায় পিস্তল ঠেকিয়ে পরপর ৬-৭ রাউন্ড গুলি করে। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
এ ঘটনায় নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্ত এবং দ্রুত মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনার দাবি জানানো হয়েছে। স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ঘটনাটি তদন্ত করছে বলে জানা গেছে।