১০:৪১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬

অভয়নগরের শফিকুল হত্যা রহস্য উদঘাটন: এক বছর পর মূল পরিকল্পনাকারী গ্রেফতার,

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৯:০১:৩২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬
  • ৫১৪

যশোরের অভয়নগর উপজেলার আলোচিত শফিকুল ইসলাম হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। দীর্ঘ প্রায় এক বছর তদন্ত শেষে হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনাকারী দ্বীন ইসলাম শেখকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতারের পর তিনি আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।
পিবিআই সূত্রে জানা গেছে, ২০২৫ সালের ২৬ আগস্ট খুলনার লবণচরা থানার পুটিমারি এলাকায় কাজীবাছা নদী থেকে একটি বস্তাবন্দি অজ্ঞাত মরদেহ উদ্ধার করে নৌ পুলিশ। মরদেহটি পচে বিকৃত হয়ে যাওয়ায় শুরুতে পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। পরবর্তীতে ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া যায়, সেটি যশোরের অভয়নগর উপজেলার পোতপাড়া গ্রামের মৃত আঃ মান্নানের ছেলে মো. শফিকুল ইসলাম (৫৪)-এর মরদেহ।
তদন্তে উঠে আসে, আর্থিক লেনদেন সংক্রান্ত বিরোধের জেরে পরিকল্পিতভাবে শফিকুল ইসলামকে হত্যা করা হয়। হত্যার পর প্রমাণ গোপনের উদ্দেশ্যে তার মরদেহ বস্তাবন্দি করে নদীতে ফেলে দেওয়া হয়।
ঘটনার রহস্য উদঘাটনে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তা নেয় পিবিআই। এর ভিত্তিতে গত ২১ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে বরিশাল মহানগরের এয়ারপোর্ট থানা এলাকা থেকে দ্বীন ইসলাম শেখকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত দ্বীন ইসলাম যশোরের অভয়নগর উপজেলার ভূগিলহাট গ্রামের আব্দুর রহিম শেখের ছেলে।

পরে তাকে খুলনার আদালতে হাজির করা হলে তিনি হত্যাকাণ্ডের বিস্তারিত বর্ণনা দিয়ে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।

খুলনা পিবিআইয়ের তদন্ত কর্মকর্তা এসআই রেজওয়ান জানান, এই হত্যাকাণ্ডে আরও কয়েকজন জড়িত রয়েছে। তাদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে এবং শিগগিরই পুরো চক্রকে আইনের আওতায় আনা হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

সর্বাধিক পঠিত

ভারতের বেঙ্গালুরুতে প্রেমিককে বেঁধে আগুনে পুড়িয়ে হত্যা,

অভয়নগরের শফিকুল হত্যা রহস্য উদঘাটন: এক বছর পর মূল পরিকল্পনাকারী গ্রেফতার,

আপডেট: ০৯:০১:৩২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬

যশোরের অভয়নগর উপজেলার আলোচিত শফিকুল ইসলাম হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। দীর্ঘ প্রায় এক বছর তদন্ত শেষে হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনাকারী দ্বীন ইসলাম শেখকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতারের পর তিনি আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।
পিবিআই সূত্রে জানা গেছে, ২০২৫ সালের ২৬ আগস্ট খুলনার লবণচরা থানার পুটিমারি এলাকায় কাজীবাছা নদী থেকে একটি বস্তাবন্দি অজ্ঞাত মরদেহ উদ্ধার করে নৌ পুলিশ। মরদেহটি পচে বিকৃত হয়ে যাওয়ায় শুরুতে পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। পরবর্তীতে ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া যায়, সেটি যশোরের অভয়নগর উপজেলার পোতপাড়া গ্রামের মৃত আঃ মান্নানের ছেলে মো. শফিকুল ইসলাম (৫৪)-এর মরদেহ।
তদন্তে উঠে আসে, আর্থিক লেনদেন সংক্রান্ত বিরোধের জেরে পরিকল্পিতভাবে শফিকুল ইসলামকে হত্যা করা হয়। হত্যার পর প্রমাণ গোপনের উদ্দেশ্যে তার মরদেহ বস্তাবন্দি করে নদীতে ফেলে দেওয়া হয়।
ঘটনার রহস্য উদঘাটনে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তা নেয় পিবিআই। এর ভিত্তিতে গত ২১ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে বরিশাল মহানগরের এয়ারপোর্ট থানা এলাকা থেকে দ্বীন ইসলাম শেখকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত দ্বীন ইসলাম যশোরের অভয়নগর উপজেলার ভূগিলহাট গ্রামের আব্দুর রহিম শেখের ছেলে।

পরে তাকে খুলনার আদালতে হাজির করা হলে তিনি হত্যাকাণ্ডের বিস্তারিত বর্ণনা দিয়ে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।

খুলনা পিবিআইয়ের তদন্ত কর্মকর্তা এসআই রেজওয়ান জানান, এই হত্যাকাণ্ডে আরও কয়েকজন জড়িত রয়েছে। তাদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে এবং শিগগিরই পুরো চক্রকে আইনের আওতায় আনা হবে বলে আশা করা হচ্ছে।