যশোরের বাহাদুরপুর এলাকায় হিন্দু সম্প্রদায়ের দুই নারীকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করার ঘটনায় কোতোয়ালি থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। এ ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত শামীম হোসেনকে আটক করেছে পুলিশ।
আটক শামীম হোসেন লেবুতলা এলাকার আগ্রাইল গ্রামের বাহা উদ্দিনের ছেলে। তিনি বাহাদুরপুর গ্রামের বুলবুলের বাগানবাড়ির কেয়ারটেকার হিসেবে কর্মরত ছিলেন এবং সেখানেই বসবাস করতেন।
মামলাটি দায়ের করেছেন বাহাদুরপুর কর্মকরপাড়ার বাসিন্দা সুকুমার মজুমদার। মামলায় উল্লেখ করা হয়, শামীম হোসেন দীর্ঘদিন ধরে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত এবং বিশেষ করে হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজনকে বিভিন্ন সময় হুমকি-ধমকি দিয়ে আসছিলেন। এমনকি তাদের দেশছাড়া করার জন্য খুন-জখমের ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে।অভিযোগ অনুযায়ী, রোববার বেলা তিনটার দিকে শামীম দা ও লাঠি নিয়ে বাদীর বাড়িতে গিয়ে তার স্ত্রী কামনা রানীর ওপর হামলা চালায়। এ সময় তার মাথায় পরপর তিনটি কোপ দেওয়া হয়। তাকে রক্ষা করতে এগিয়ে এলে প্রতিবেশী বেবী মজুমদার নামের আরেক নারীও হামলার শিকার হন। তাকেও এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর জখম করা হয়।
চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন ছুটে এলে অভিযুক্ত শামীম ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় দুই নারীকে যশোর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
পুলিশ জানায়, রাত তিনটার দিকে শহরের উপশহর বস্তি এলাকা থেকে শামীমকে আটক করা হয়।
কোতোয়ালি থানার এসআই অনুপ কুমার মণ্ডল জানান, আটকের পর সোমবার তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে এবং আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।
এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। স্থানীয়দের দাবি, দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার পাশাপাশি সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা জোরদার করা জরুরি।




















