০৭:১৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬

কেশবপুরে প্রভাষকের বিরুদ্ধে ‘স্ত্রীর মর্যাদা’ দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৪:৪৮:১৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬
  • ৫১৪

যশোরের কেশবপুরে আবু শারাফ সাদেক কারিগরি ও বাণিজ্য মহাবিদ্যালয়ের গণিত বিভাগের প্রভাষক মোঃ রফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে স্ত্রীর মর্যাদা পাওয়ার দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন মাহমুদা সুলতানা রেশমা (৩২) নামে এক নারী।

শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) সকালে কেশবপুর প্রেসক্লাব হলরুমে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন রেশমা। তিনি অভিযোগ করেন, তালাকপ্রাপ্ত এবং ১০ বছর বয়সী এক পুত্রসন্তানের মা হওয়া সত্ত্বেও রফিকুল ইসলাম তার সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন। পরে নিজের স্ত্রী অসুস্থ থাকার কথা উল্লেখ করে তাকে বিয়ের প্রস্তাব দেন।
রেশমার দাবি, গত ২৭ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে পারিবারিকভাবে রেজিস্ট্রি কাবিনের মাধ্যমে তাদের বিয়ে হয়। বিয়ের পর কিছুদিন সংসার করার পরই রফিকুল ইসলাম তার ওপর মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন শুরু করেন।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, এক পর্যায়ে তার ব্যবহৃত প্রায় ৩ ভরি ওজনের স্বর্ণালঙ্কার—চেইন, বালা ও আংটি—জোরপূর্বক নিয়ে তাকে এক কাপড়ে বাড়ি থেকে বের করে দেওয়া হয়। বর্তমানে রফিকুল ইসলাম তাকে তালাক দেওয়ার হুমকি দিচ্ছেন এবং খোরপোষ দিতে অস্বীকৃতি জানাচ্ছেন বলেও দাবি করেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে রেশমা বলেন, “আমি এখন মানবেতর জীবনযাপন করছি। আমার স্বামীর অধিকার ফিরে পেতে প্রশাসন ও সাংবাদিকদের সহযোগিতা চাই।”
অন্যদিকে, অভিযোগ অস্বীকার করে প্রভাষক মোঃ রফিকুল ইসলাম বলেন, “আমি তাকে বিয়ে করেছিলাম ঠিকই, কিন্তু পরবর্তীতে বনিবনা না হওয়ায় যথাযথ প্রক্রিয়ায় ডিভোর্স দিয়েছি। আমার বিরুদ্ধে আনা স্বর্ণালঙ্কার ছিনিয়ে নেওয়া বা অন্যান্য অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।”
এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগী নারী।

সর্বাধিক পঠিত

শার্শায় তারেক রহমানের আগমন ঘিরে স্বেচ্ছাসেবক দলের প্রস্তুতি সভা ও আনন্দ মিছিল

কেশবপুরে প্রভাষকের বিরুদ্ধে ‘স্ত্রীর মর্যাদা’ দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

আপডেট: ০৪:৪৮:১৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬

যশোরের কেশবপুরে আবু শারাফ সাদেক কারিগরি ও বাণিজ্য মহাবিদ্যালয়ের গণিত বিভাগের প্রভাষক মোঃ রফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে স্ত্রীর মর্যাদা পাওয়ার দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন মাহমুদা সুলতানা রেশমা (৩২) নামে এক নারী।

শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) সকালে কেশবপুর প্রেসক্লাব হলরুমে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন রেশমা। তিনি অভিযোগ করেন, তালাকপ্রাপ্ত এবং ১০ বছর বয়সী এক পুত্রসন্তানের মা হওয়া সত্ত্বেও রফিকুল ইসলাম তার সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন। পরে নিজের স্ত্রী অসুস্থ থাকার কথা উল্লেখ করে তাকে বিয়ের প্রস্তাব দেন।
রেশমার দাবি, গত ২৭ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে পারিবারিকভাবে রেজিস্ট্রি কাবিনের মাধ্যমে তাদের বিয়ে হয়। বিয়ের পর কিছুদিন সংসার করার পরই রফিকুল ইসলাম তার ওপর মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন শুরু করেন।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, এক পর্যায়ে তার ব্যবহৃত প্রায় ৩ ভরি ওজনের স্বর্ণালঙ্কার—চেইন, বালা ও আংটি—জোরপূর্বক নিয়ে তাকে এক কাপড়ে বাড়ি থেকে বের করে দেওয়া হয়। বর্তমানে রফিকুল ইসলাম তাকে তালাক দেওয়ার হুমকি দিচ্ছেন এবং খোরপোষ দিতে অস্বীকৃতি জানাচ্ছেন বলেও দাবি করেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে রেশমা বলেন, “আমি এখন মানবেতর জীবনযাপন করছি। আমার স্বামীর অধিকার ফিরে পেতে প্রশাসন ও সাংবাদিকদের সহযোগিতা চাই।”
অন্যদিকে, অভিযোগ অস্বীকার করে প্রভাষক মোঃ রফিকুল ইসলাম বলেন, “আমি তাকে বিয়ে করেছিলাম ঠিকই, কিন্তু পরবর্তীতে বনিবনা না হওয়ায় যথাযথ প্রক্রিয়ায় ডিভোর্স দিয়েছি। আমার বিরুদ্ধে আনা স্বর্ণালঙ্কার ছিনিয়ে নেওয়া বা অন্যান্য অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।”
এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগী নারী।