০৪:৫৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬

কেশবপুরে ক্লিনিকে চিকিৎসকের অনলাইন পরামর্শে শিশুর মৃত্যু,

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৬:৫৭:৩৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬
  • ৫১৫

যশোরের কেশবপুর শহরের ‘কেশবপুর শিশু ও জেনারেল হাসপাতাল’ নামক একটি ক্লিনিকে চিকিৎসা নিতে গিয়ে আরিয়ান (৮ মাস) নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। বুধবার দুপুরে ক্লিনিকে দায়িত্বরত নার্সের সহায়তায় রাশিয়ায় অবস্থানরত এক চিকিৎসকের অনলাইন পরামর্শে চিকিৎসা নেওয়ার সময় শিশুটির মৃত্যু হয় বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
এ ঘটনার পরপরই হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের মারমুখী আচরণের প্রতিবাদে ক্ষুব্ধ স্বজন ও স্থানীয়রা ক্লিনিকে ভাঙচুর চালান। খবর পেয়ে কেশবপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

শিশু আরিয়ানের নানি নাজমা বেগম জানান, বুধবার দুপুরে শিশুটি অসুস্থ হয়ে পড়লে তারা তাকে ক্লিনিকে নিয়ে আসেন। তখন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ শিশুটিকে রাশিয়ার প্রবাসী চিকিৎসক কামরুল ইসলামের কাছে নিয়ে যাওয়ার কথা গোপন রেখে নার্স মারিয়া ইয়াসমিনের মাধ্যমে অনলাইন পরামর্শে চিকিৎসা শুরু করে। চিকিৎসার এক পর্যায়ে শিশুটির মৃত্যু হয়।
নাজমা বেগমের অভিযোগ, “ক্লিনিকে যে ডাক্তার নেই, তা আমাদের জানানো হয়নি। যদি বলা হতো, তবে আমরা দ্রুত অন্য কোথাও নিয়ে যেতাম। কর্তৃপক্ষের অবহেলা ও প্রতারণাতেই শিশুটির মৃত্যু হয়েছে।”

ঘটনার পর রোগীর স্বজনরা ক্ষিপ্ত হলে হাসপাতালের রিসিপশন শাখার কর্মীরা তাদের সঙ্গে মারমুখী আচরণ করেন। এতে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়রা ক্লিনিকে ভাঙচুর চালান। ঘটনাস্থলে কেশবপুর থানা পুলিশের এসআই মকলেছুর রহমানের নেতৃত্বে একটি দল পৌঁছে পরিস্থিতি শান্ত করেন।
এসআই মকলেছুর রহমান জানান, শিশুটির মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে। তবে এ ঘটনার পর থেকে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাউকে পাওয়া যায়নি। এ বিষয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
উল্লেখ্য, শিশু আরিয়ান তার নানা-নানির কাছে থাকতো এবং তার মা-বাবা ঢাকায় কর্মরত।

সর্বাধিক পঠিত

যশোরে দুই বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ

কেশবপুরে ক্লিনিকে চিকিৎসকের অনলাইন পরামর্শে শিশুর মৃত্যু,

আপডেট: ০৬:৫৭:৩৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬

যশোরের কেশবপুর শহরের ‘কেশবপুর শিশু ও জেনারেল হাসপাতাল’ নামক একটি ক্লিনিকে চিকিৎসা নিতে গিয়ে আরিয়ান (৮ মাস) নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। বুধবার দুপুরে ক্লিনিকে দায়িত্বরত নার্সের সহায়তায় রাশিয়ায় অবস্থানরত এক চিকিৎসকের অনলাইন পরামর্শে চিকিৎসা নেওয়ার সময় শিশুটির মৃত্যু হয় বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
এ ঘটনার পরপরই হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের মারমুখী আচরণের প্রতিবাদে ক্ষুব্ধ স্বজন ও স্থানীয়রা ক্লিনিকে ভাঙচুর চালান। খবর পেয়ে কেশবপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

শিশু আরিয়ানের নানি নাজমা বেগম জানান, বুধবার দুপুরে শিশুটি অসুস্থ হয়ে পড়লে তারা তাকে ক্লিনিকে নিয়ে আসেন। তখন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ শিশুটিকে রাশিয়ার প্রবাসী চিকিৎসক কামরুল ইসলামের কাছে নিয়ে যাওয়ার কথা গোপন রেখে নার্স মারিয়া ইয়াসমিনের মাধ্যমে অনলাইন পরামর্শে চিকিৎসা শুরু করে। চিকিৎসার এক পর্যায়ে শিশুটির মৃত্যু হয়।
নাজমা বেগমের অভিযোগ, “ক্লিনিকে যে ডাক্তার নেই, তা আমাদের জানানো হয়নি। যদি বলা হতো, তবে আমরা দ্রুত অন্য কোথাও নিয়ে যেতাম। কর্তৃপক্ষের অবহেলা ও প্রতারণাতেই শিশুটির মৃত্যু হয়েছে।”

ঘটনার পর রোগীর স্বজনরা ক্ষিপ্ত হলে হাসপাতালের রিসিপশন শাখার কর্মীরা তাদের সঙ্গে মারমুখী আচরণ করেন। এতে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়রা ক্লিনিকে ভাঙচুর চালান। ঘটনাস্থলে কেশবপুর থানা পুলিশের এসআই মকলেছুর রহমানের নেতৃত্বে একটি দল পৌঁছে পরিস্থিতি শান্ত করেন।
এসআই মকলেছুর রহমান জানান, শিশুটির মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে। তবে এ ঘটনার পর থেকে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাউকে পাওয়া যায়নি। এ বিষয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
উল্লেখ্য, শিশু আরিয়ান তার নানা-নানির কাছে থাকতো এবং তার মা-বাবা ঢাকায় কর্মরত।