০৬:২৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬

চৌগাছায় চোর আটক: চেয়ারম্যানের ক্যাডার বাহিনি কর্তৃক ছিনতাইয়ের অভিযোগ

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৬:২৪:৩০ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ অক্টোবর ২০২৫
  • ৫৮২

যশোরের চৌগাছা উপজেলার নারায়ণপুর ইউনিয়নের ইলিশমারী গ্রামে চুরির ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। গত ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৫, মঙ্গলবার দুপুরে স্থানীয়রা এক চোরকে হাতেনাতে আটক করলেও পরবর্তীতে বিএনপি-সমর্থিত চেয়ারম্যান মাসুদুল হাসানের ক্যাডার বাহিনি তাকে ছিনিয়ে নিয়ে গেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ওইদিন ইলিশমারী গ্রামের নাইনুরের বাড়িতে দেবিপুর গ্রামের দুলাল (পিতা: হজরত) চুরি করতে যায়। বাড়ির লোকজন চুরির বিষয়টি টের পেয়ে চিৎকার দিলে আশপাশের লোকজন দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে এসে দুলালকে ধরে ফেলে।
এলাকাবাসীর দাবি, চোরকে পুলিশে সোপর্দ করার প্রস্তুতি চলছিলো। কিন্তু এর কিছুক্ষণ পরেই ইউনিয়ন পরিষদের বিএনপি-সমর্থিত চেয়ারম্যান মাসুদুল হাসানের ক্যাডার বাহিনি ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়। অভিযোগ উঠেছে, তারা বলপ্রয়োগ করে এলাকাবাসীর কাছ থেকে চোর দুলালকে ছিনিয়ে নেয় এবং পুলিশে না দিয়ে নিজেদের হেফাজতে নিয়ে চলে যায়।
এই ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ বিরাজ করছে। তারা বলছেন, একজন আটক চোরকে জনসম্মুখে থেকে ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনা আইনের শাসনের পরিপন্থী এবং এলাকায় নিরাপত্তাহীনতা বাড়িয়ে তুলবে। এ বিষয়ে চেয়ারম্যান বা তাঁর প্রতিনিধিদের কোনো বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।

সর্বাধিক পঠিত

১ আগস্টের যুব সমাবেশ সফল করতে শার্শায় প্রস্তুতি সভা, ‘ফ্যাসিবাদের আর পুনরুত্থান হতে দেওয়া হবে না’

চৌগাছায় চোর আটক: চেয়ারম্যানের ক্যাডার বাহিনি কর্তৃক ছিনতাইয়ের অভিযোগ

আপডেট: ০৬:২৪:৩০ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ অক্টোবর ২০২৫

যশোরের চৌগাছা উপজেলার নারায়ণপুর ইউনিয়নের ইলিশমারী গ্রামে চুরির ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। গত ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৫, মঙ্গলবার দুপুরে স্থানীয়রা এক চোরকে হাতেনাতে আটক করলেও পরবর্তীতে বিএনপি-সমর্থিত চেয়ারম্যান মাসুদুল হাসানের ক্যাডার বাহিনি তাকে ছিনিয়ে নিয়ে গেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ওইদিন ইলিশমারী গ্রামের নাইনুরের বাড়িতে দেবিপুর গ্রামের দুলাল (পিতা: হজরত) চুরি করতে যায়। বাড়ির লোকজন চুরির বিষয়টি টের পেয়ে চিৎকার দিলে আশপাশের লোকজন দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে এসে দুলালকে ধরে ফেলে।
এলাকাবাসীর দাবি, চোরকে পুলিশে সোপর্দ করার প্রস্তুতি চলছিলো। কিন্তু এর কিছুক্ষণ পরেই ইউনিয়ন পরিষদের বিএনপি-সমর্থিত চেয়ারম্যান মাসুদুল হাসানের ক্যাডার বাহিনি ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়। অভিযোগ উঠেছে, তারা বলপ্রয়োগ করে এলাকাবাসীর কাছ থেকে চোর দুলালকে ছিনিয়ে নেয় এবং পুলিশে না দিয়ে নিজেদের হেফাজতে নিয়ে চলে যায়।
এই ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ বিরাজ করছে। তারা বলছেন, একজন আটক চোরকে জনসম্মুখে থেকে ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনা আইনের শাসনের পরিপন্থী এবং এলাকায় নিরাপত্তাহীনতা বাড়িয়ে তুলবে। এ বিষয়ে চেয়ারম্যান বা তাঁর প্রতিনিধিদের কোনো বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।