প্রায় এক দশক আগে রাষ্ট্রায়ত্ত রূপালী ব্যাংকে ৮০১ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগের অনুসন্ধান শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। অভিযোগের প্রাথমিক অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে ব্যাংকটির পাঁচ কর্মকর্তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে সংস্থাটি। জিজ্ঞাসাবাদে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
দুদক সূত্রে জানা গেছে, কমিশনের প্রধান কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ আজগর হোসেনের নেতৃত্বে একটি অনুসন্ধান টিম অভিযোগটির তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করছে।
জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হওয়া কর্মকর্তারা হলেন রূপালী ব্যাংকের প্রিন্সিপাল অফিসার তাপসী রায়, তানভীর আহম্মেদ চৌধুরী, মনির হোসেন, অমৃত কুমার বারুরী এবং মো. আখেরুল ওয়ালি।
দুদকের অনুসন্ধানে ৮০১ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীর নিয়োগ প্রক্রিয়ার পাশাপাশি পদোন্নতিতেও অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট নথিপত্র পর্যালোচনা, দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের বক্তব্য গ্রহণ এবং প্রয়োজনীয় তথ্য-প্রমাণ সংগ্রহের কাজ চলছে।
এ বিষয়ে দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. আকতারুল ইসলাম বলেন, রূপালী ব্যাংকের ৮০১ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীর নিয়োগ ও পদোন্নতিতে অনিয়ম এবং দুর্নীতির অভিযোগ অনুসন্ধান করা হচ্ছে। অনুসন্ধান কার্যক্রম শেষ হলে তদন্ত টিম কমিশনের কাছে প্রতিবেদন দাখিল করবে।
তিনি আরও জানান, কমিশন প্রতিবেদনটি পর্যালোচনা ও পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে প্রচলিত আইন অনুযায়ী পরবর্তী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে।
দুদক কর্মকর্তাদের ভাষ্য, অনুসন্ধানে প্রাপ্ত তথ্য ও নথিপত্রের ভিত্তিতে প্রয়োজন হলে আরও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, সাবেক কর্মকর্তা এবং অন্যান্য ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করা হতে পারে। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা মিললে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।




















