০৫:১২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬

যশোরের শার্শা নাভারন খাদ্য গুদামে দুদকের অভিযান: ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে তলব

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৮:২৬:৫৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৫
  • ৫৯৯

যশোরের শার্শা উপজেলার নাভারন সরকারি খাদ্য গুদামে নিম্নমানের চাল সংরক্ষণ এবং ধান ক্রয়ের হিসাবে গরমিল পাওয়ায় দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) অভিযান চালিয়েছে। এ ঘটনায় খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জামসেদ ইকবালুর রহমানকে তাঁর সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র নিয়ে যশোর দুদক কার্যালয়ে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৪/১০/২০২৫) দুপুরে দুদক যশোর সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক আল-আমীন-এর নেতৃত্বে এই ঝটিকা অভিযান পরিচালিত হয়।
জানা গেছে, ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. জামসেদ ইকবালুর রহমানের বিরুদ্ধে শার্শা উপজেলার ১৭টি রাইস মিল থেকে ক্রয় করা ১২ হাজার ৬ শত ১৬ মেট্রিক টন চালের প্রতি কেজিতে ৬০ পয়সা করে কমিশন নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। এছাড়াও, তিনি ১ হাজার ৫৬ মেট্রিক টন ধান ক্রয়ের ক্ষেত্রেও কমিশন নিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এমন গুরুতর অভিযোগের ভিত্তিতে দুদক সদস্যরা এই অভিযান পরিচালনা করেন।
অভিযান শেষে দুদক যশোরের সহকারী পরিচালক আল-আমীন সাংবাদিকদের জানান, গুদামের ৪, ৫ এবং ৬ নম্বর গোডাউনে নিম্নমানের চাল পাওয়া গেছে। একইসঙ্গে, ধান ক্রয়ের কোনো সঠিক হিসাব দেখাতে পারেননি ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা। এই কারণে তাঁকে কাগজপত্রসহ দুদক কার্যালয়ে হাজির হতে বলা হয়েছে।
স্থানীয়দের অনেকে অভিযোগ করেছেন, খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. জামসেদ ইকবালুর রহমান ও উপ-খাদ্য পরিদর্শক ফারজানার নেতৃত্বে একটি সিন্ডিকেট দীর্ঘদিন ধরে খাদ্য গুদামে বিভিন্ন ধরনের অনিয়ম করে চলেছে।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. জামসেদ ইকবালুর রহমান বলেন, তিনি তাঁর প্রয়োজনীয় সব কাগজপত্র নিয়ে আগামীকাল দুদক অফিসে হাজির হবেন।

সর্বাধিক পঠিত

যশোরে ফেনসিডিল মামলায় দুইজনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড

যশোরের শার্শা নাভারন খাদ্য গুদামে দুদকের অভিযান: ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে তলব

আপডেট: ০৮:২৬:৫৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৫

যশোরের শার্শা উপজেলার নাভারন সরকারি খাদ্য গুদামে নিম্নমানের চাল সংরক্ষণ এবং ধান ক্রয়ের হিসাবে গরমিল পাওয়ায় দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) অভিযান চালিয়েছে। এ ঘটনায় খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জামসেদ ইকবালুর রহমানকে তাঁর সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র নিয়ে যশোর দুদক কার্যালয়ে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৪/১০/২০২৫) দুপুরে দুদক যশোর সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক আল-আমীন-এর নেতৃত্বে এই ঝটিকা অভিযান পরিচালিত হয়।
জানা গেছে, ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. জামসেদ ইকবালুর রহমানের বিরুদ্ধে শার্শা উপজেলার ১৭টি রাইস মিল থেকে ক্রয় করা ১২ হাজার ৬ শত ১৬ মেট্রিক টন চালের প্রতি কেজিতে ৬০ পয়সা করে কমিশন নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। এছাড়াও, তিনি ১ হাজার ৫৬ মেট্রিক টন ধান ক্রয়ের ক্ষেত্রেও কমিশন নিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এমন গুরুতর অভিযোগের ভিত্তিতে দুদক সদস্যরা এই অভিযান পরিচালনা করেন।
অভিযান শেষে দুদক যশোরের সহকারী পরিচালক আল-আমীন সাংবাদিকদের জানান, গুদামের ৪, ৫ এবং ৬ নম্বর গোডাউনে নিম্নমানের চাল পাওয়া গেছে। একইসঙ্গে, ধান ক্রয়ের কোনো সঠিক হিসাব দেখাতে পারেননি ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা। এই কারণে তাঁকে কাগজপত্রসহ দুদক কার্যালয়ে হাজির হতে বলা হয়েছে।
স্থানীয়দের অনেকে অভিযোগ করেছেন, খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. জামসেদ ইকবালুর রহমান ও উপ-খাদ্য পরিদর্শক ফারজানার নেতৃত্বে একটি সিন্ডিকেট দীর্ঘদিন ধরে খাদ্য গুদামে বিভিন্ন ধরনের অনিয়ম করে চলেছে।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. জামসেদ ইকবালুর রহমান বলেন, তিনি তাঁর প্রয়োজনীয় সব কাগজপত্র নিয়ে আগামীকাল দুদক অফিসে হাজির হবেন।