যশোরের সদর উপজেলার আরপুর ইউনিয়নের খোলাডাঙ্গা গাজীপাড়ায় জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে একই পরিবারের চারজনকে মারধর ও কুপিয়ে জখম করার ঘটনায় প্রধান আসামি ইমাম গাজীকে আটক করেছে পুলিশ। রোববার দুপুরে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করেন কোতোয়ালি মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) দীনেশ। তবে মামলার অপর দুই আসামি শহিদুল ইসলাম ও রেখা খাতুন এখনো পলাতক রয়েছেন।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, খোলাডাঙ্গা গাজীপাড়া গ্রামের রুবি খাতুনের পরিবারের সঙ্গে অভিযুক্তদের দীর্ঘদিন ধরে জমি নিয়ে বিরোধ চলছিল। এর জের ধরে গত ৮ অক্টোবর দুপুরে ইমাম গাজী, শহিদুল ইসলাম, রেখা খাতুনসহ অজ্ঞাতপরিচয় আরও চার থেকে পাঁচজন রুবি খাতুনের ছেলে মানিক গাজীর ওপর হামলা চালান। এ সময় তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করা হয়।
মানিককে রক্ষা করতে পরিবারের অন্য সদস্যরা এগিয়ে এলে হামলাকারীরা রুবি খাতুন, তার ছেলে শাকিল গাজী ও মেয়ে রুনা খাতুনকেও মারধর করেন। এতে একই পরিবারের চারজন আহত হন।
পরে পরিবারের সদস্যরা আহতদের উদ্ধার করে যশোর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন। ঘটনার দিন রাতেই রুবি খাতুন বাদী হয়ে কোতোয়ালি মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
ভুক্তভোগী রুবি খাতুন বলেন, হামলার ঘটনায় প্রধান আসামিকে পুলিশ আটক করলেও অন্য আসামিরা এখনো পলাতক রয়েছেন। তাদের দ্রুত আটক করা না হলে যেকোনো সময় তারা আবারও পরিবারের সদস্যদের ওপর হামলা চালাতে পারেন বলে আশঙ্কা করছেন তিনি।
পলাতক আসামিদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী পরিবার।





















