১০:১৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আবারও চালু ভোটার এলাকা স্থানান্তর, সরাসরি ও অনলাইনে আবেদনের সুযোগ

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৯:৪১:৫৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৫০৯

স্থানীয় সরকার নির্বাচন পিছিয়ে যাওয়ায় আবাসস্থল পরিবর্তনের কারণে ভোটার এলাকা স্থানান্তরের কার্যক্রম পুনরায় চালু করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ফলে আগের নিয়ম অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট নির্বাচন কার্যালয়ে আবেদন করে ভোটাররা তাঁদের ভোটার এলাকা স্থানান্তরের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে পারবেন।

একই সঙ্গে অনলাইনে ভোটার এলাকা স্থানান্তরের সেবা পুনরায় চালুর উদ্যোগ নিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

গত ২৩ সেপ্টেম্বর ইসির সিনিয়র সহকারী সচিব মো. নাসির উদ্দিন চৌধুরী স্বাক্ষরিত এ-সংক্রান্ত একটি চিঠি দেশের সব উপজেলা ও থানা নির্বাচন কর্মকর্তার কাছে পাঠানো হয়েছে।

ইসি সূত্রে জানা গেছে, আগামী নভেম্বরে স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের পরিকল্পনার অংশ হিসেবে গত ১০ সেপ্টেম্বর থেকে ভোটার এলাকা স্থানান্তরের কার্যক্রম বন্ধ রাখা হয়েছিল। নির্বাচন সামনে রেখে ভোটার তালিকা ও সংশ্লিষ্ট তথ্য ব্যবস্থাপনার স্বার্থে ওই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

তবে পরবর্তীতে স্থানীয় সরকার নির্বাচন পিছিয়ে যাওয়ায় ভোটার এলাকা স্থানান্তরের কার্যক্রম পুনরায় চালুর সিদ্ধান্ত নেয় কমিশন।

ইসির চিঠিতে বলা হয়েছে, আবাসস্থল পরিবর্তনের কারণে ভোটার স্থানান্তরসংক্রান্ত আবেদনগুলো ১০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে নিষ্পত্তির জন্য গত ২ সেপ্টেম্বর মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। পরবর্তীতে স্থানীয় সরকার নির্বাচন পিছিয়ে যাওয়ায় মাঠপর্যায়ে ভোটার স্থানান্তরের কার্যক্রম পুনরায় চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এখন আগের নিয়ম অনুযায়ী ভোটার এলাকা স্থানান্তরের আবেদন গ্রহণ, যাচাই-বাছাই, ইস্যু ও নিষ্পত্তির কার্যক্রম সম্পন্ন করতে হবে।

ভোটার এলাকা পরিবর্তন করতে ইচ্ছুক ব্যক্তিরা সংশ্লিষ্ট উপজেলা বা থানা নির্বাচন অফিস এবং রেজিস্ট্রেশন অফিসারের কার্যালয়ে সরাসরি আবেদন করতে পারবেন।

এ জন্য আগের নিয়ম অনুযায়ী ভোটার এলাকা স্থানান্তরের নির্ধারিত ফরমে আবেদন জমা দিতে হবে। আবেদন পাওয়ার পর সংশ্লিষ্ট নির্বাচন কার্যালয় আবেদনকারীর তথ্য যাচাই-বাছাই করবে।

যাচাই-বাছাই শেষে নিয়ম অনুযায়ী আবেদনটি নিষ্পত্তি করা হবে এবং প্রয়োজনীয় ভোটার তথ্য হালনাগাদ বা সংশোধন করা হবে।

সরাসরি আবেদনের পাশাপাশি অনলাইনে ভোটার এলাকা স্থানান্তরের সেবা পুনরায় চালুর উদ্যোগ নিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

ইসির চিঠিতে জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগের সিস্টেম ম্যানেজারকে (কারিগরি) ভোটার স্থানান্তরের অনলাইন লিংক সচল বা চালু করাসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।

অনলাইন সেবা চালু হলে ভোটাররা ঘরে বসেই অনলাইনের মাধ্যমে ভোটার এলাকা স্থানান্তরের আবেদন ও সংশ্লিষ্ট প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার সুযোগ পাবেন।

ভোটার এলাকা স্থানান্তরের আবেদন সরাসরি কিংবা অনলাইনে জমা দেওয়ার পর সংশ্লিষ্ট মাঠপর্যায়ের নির্বাচন কার্যালয় আবেদনকারীর তথ্য যাচাই-বাছাই করবে।

যাচাই-বাছাইয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য ও আবেদনের যথার্থতা নিশ্চিত হওয়ার পর নিয়ম অনুযায়ী আবেদন নিষ্পত্তি করা হবে। এরপর ভোটার-সংক্রান্ত তথ্য প্রয়োজন অনুযায়ী হালনাগাদ বা ইস্যু করা হবে।

অর্থাৎ আবেদন গ্রহণ থেকে শুরু করে যাচাই-বাছাই ও নিষ্পত্তির পুরো প্রক্রিয়া সংশ্লিষ্ট নির্বাচন কার্যালয়ের মাধ্যমে সম্পন্ন হবে।

ভোটার এলাকা স্থানান্তরের কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য সংশ্লিষ্ট আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা এবং সিনিয়র জেলা ও জেলা নির্বাচন কর্মকর্তাদের কার্যক্রম তদারকির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

নির্বাচন কমিশনের এই সিদ্ধান্তের ফলে আবাসস্থল পরিবর্তনের কারণে যেসব ভোটার তাঁদের ভোটার এলাকা পরিবর্তন করতে চান, তাঁরা পুনরায় নির্ধারিত নিয়মে আবেদন করার সুযোগ পাচ্ছেন।

সর্বাধিক পঠিত

দেড় বছরেও শেষ হয়নি ডিপিডিসির সাবেক প্রধান প্রকৌশলী বেলায়েতের অবৈধ সম্পদ অনুসন্ধান

আবারও চালু ভোটার এলাকা স্থানান্তর, সরাসরি ও অনলাইনে আবেদনের সুযোগ

আপডেট: ০৯:৪১:৫৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

স্থানীয় সরকার নির্বাচন পিছিয়ে যাওয়ায় আবাসস্থল পরিবর্তনের কারণে ভোটার এলাকা স্থানান্তরের কার্যক্রম পুনরায় চালু করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ফলে আগের নিয়ম অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট নির্বাচন কার্যালয়ে আবেদন করে ভোটাররা তাঁদের ভোটার এলাকা স্থানান্তরের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে পারবেন।

একই সঙ্গে অনলাইনে ভোটার এলাকা স্থানান্তরের সেবা পুনরায় চালুর উদ্যোগ নিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

গত ২৩ সেপ্টেম্বর ইসির সিনিয়র সহকারী সচিব মো. নাসির উদ্দিন চৌধুরী স্বাক্ষরিত এ-সংক্রান্ত একটি চিঠি দেশের সব উপজেলা ও থানা নির্বাচন কর্মকর্তার কাছে পাঠানো হয়েছে।

ইসি সূত্রে জানা গেছে, আগামী নভেম্বরে স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের পরিকল্পনার অংশ হিসেবে গত ১০ সেপ্টেম্বর থেকে ভোটার এলাকা স্থানান্তরের কার্যক্রম বন্ধ রাখা হয়েছিল। নির্বাচন সামনে রেখে ভোটার তালিকা ও সংশ্লিষ্ট তথ্য ব্যবস্থাপনার স্বার্থে ওই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

তবে পরবর্তীতে স্থানীয় সরকার নির্বাচন পিছিয়ে যাওয়ায় ভোটার এলাকা স্থানান্তরের কার্যক্রম পুনরায় চালুর সিদ্ধান্ত নেয় কমিশন।

ইসির চিঠিতে বলা হয়েছে, আবাসস্থল পরিবর্তনের কারণে ভোটার স্থানান্তরসংক্রান্ত আবেদনগুলো ১০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে নিষ্পত্তির জন্য গত ২ সেপ্টেম্বর মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। পরবর্তীতে স্থানীয় সরকার নির্বাচন পিছিয়ে যাওয়ায় মাঠপর্যায়ে ভোটার স্থানান্তরের কার্যক্রম পুনরায় চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এখন আগের নিয়ম অনুযায়ী ভোটার এলাকা স্থানান্তরের আবেদন গ্রহণ, যাচাই-বাছাই, ইস্যু ও নিষ্পত্তির কার্যক্রম সম্পন্ন করতে হবে।

ভোটার এলাকা পরিবর্তন করতে ইচ্ছুক ব্যক্তিরা সংশ্লিষ্ট উপজেলা বা থানা নির্বাচন অফিস এবং রেজিস্ট্রেশন অফিসারের কার্যালয়ে সরাসরি আবেদন করতে পারবেন।

এ জন্য আগের নিয়ম অনুযায়ী ভোটার এলাকা স্থানান্তরের নির্ধারিত ফরমে আবেদন জমা দিতে হবে। আবেদন পাওয়ার পর সংশ্লিষ্ট নির্বাচন কার্যালয় আবেদনকারীর তথ্য যাচাই-বাছাই করবে।

যাচাই-বাছাই শেষে নিয়ম অনুযায়ী আবেদনটি নিষ্পত্তি করা হবে এবং প্রয়োজনীয় ভোটার তথ্য হালনাগাদ বা সংশোধন করা হবে।

সরাসরি আবেদনের পাশাপাশি অনলাইনে ভোটার এলাকা স্থানান্তরের সেবা পুনরায় চালুর উদ্যোগ নিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

ইসির চিঠিতে জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগের সিস্টেম ম্যানেজারকে (কারিগরি) ভোটার স্থানান্তরের অনলাইন লিংক সচল বা চালু করাসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।

অনলাইন সেবা চালু হলে ভোটাররা ঘরে বসেই অনলাইনের মাধ্যমে ভোটার এলাকা স্থানান্তরের আবেদন ও সংশ্লিষ্ট প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার সুযোগ পাবেন।

ভোটার এলাকা স্থানান্তরের আবেদন সরাসরি কিংবা অনলাইনে জমা দেওয়ার পর সংশ্লিষ্ট মাঠপর্যায়ের নির্বাচন কার্যালয় আবেদনকারীর তথ্য যাচাই-বাছাই করবে।

যাচাই-বাছাইয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য ও আবেদনের যথার্থতা নিশ্চিত হওয়ার পর নিয়ম অনুযায়ী আবেদন নিষ্পত্তি করা হবে। এরপর ভোটার-সংক্রান্ত তথ্য প্রয়োজন অনুযায়ী হালনাগাদ বা ইস্যু করা হবে।

অর্থাৎ আবেদন গ্রহণ থেকে শুরু করে যাচাই-বাছাই ও নিষ্পত্তির পুরো প্রক্রিয়া সংশ্লিষ্ট নির্বাচন কার্যালয়ের মাধ্যমে সম্পন্ন হবে।

ভোটার এলাকা স্থানান্তরের কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য সংশ্লিষ্ট আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা এবং সিনিয়র জেলা ও জেলা নির্বাচন কর্মকর্তাদের কার্যক্রম তদারকির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

নির্বাচন কমিশনের এই সিদ্ধান্তের ফলে আবাসস্থল পরিবর্তনের কারণে যেসব ভোটার তাঁদের ভোটার এলাকা পরিবর্তন করতে চান, তাঁরা পুনরায় নির্ধারিত নিয়মে আবেদন করার সুযোগ পাচ্ছেন।