যশোরে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে দায়ের করা পৃথক মামলায় চারজনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (তৃতীয় আদালত) সঞ্জয় পাল পৃথক মামলায় এ রায় ঘোষণা করেন।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার দুপুর আড়াইটার দিকে ডিবি পুলিশের এসআই শেখ হাদিউজ্জামান যশোর রেলস্টেশনের একটি খাবারের হোটেলের সামনে অভিযান চালান। এ সময় রাজা ওরফে আল আমিন রাজা (২৪) নামে এক যুবককে আটক করা হয়।
পুলিশের দাবি, আটকের পর রাজা পরিহিত লুঙ্গির গিঁট থেকে এক পুরিয়া গাঁজা উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় দায়ের করা মামলায় অভিযোগ গঠন শেষে আদালত তাঁকে তিন মাসের সশ্রম কারাদণ্ড ও ২ হাজার টাকা জরিমানা করেন। জরিমানা অনাদায়ে তাঁকে আরও ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।
দণ্ডপ্রাপ্ত রাজা শংকরপুর রেল কলোনির আব্দুস সালাম গাজীর ছেলে।
অপর একটি মামলায় বৃহস্পতিবার দুপুর দেড়টার দিকে চাঁচড়া আয়েশা ফাউন্ডেশনের সামনে থেকে অপূর্ব হাসান সকাল (২০) নামে এক যুবককে আটক করা হয়।
আদালত সূত্র জানায়, তাঁর কাছ থেকে দুই পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় দায়ের করা মামলায় আদালত অপূর্ব হাসান সকালকে দোষী সাব্যস্ত করে তিন মাসের সশ্রম কারাদণ্ড ও ২ হাজার টাকা জরিমানা করেন। জরিমানা অনাদায়ে তাঁকে আরও ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।
এদিকে কোতোয়ালি থানার এসআই মেহেদী হাসান মারুফ বুধবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে শংকরপুর বটতলা মোড়ে অভিযান চালিয়ে রফিকুল ইসলাম (২০) ও মারুফ শেখ (২২) নামে দুজনকে আটক করেন।
পুলিশের দাবি, তাঁদের কাছ থেকে এক পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।
দণ্ডপ্রাপ্ত রফিকুল ইসলাম চাঁচড়া গুচ্ছ গ্রামের আফসার শেখের ছেলে এবং মারুফ শেখ একই এলাকার হালিম শেখের ছেলে।
এ মামলায় আদালত রফিকুল ইসলাম ও মারুফ শেখকে পৃথকভাবে তিন মাসের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ৩ হাজার টাকা করে জরিমানা করেন। জরিমানা অনাদায়ে প্রত্যেককে আরও এক মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।
পৃথক এসব মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের ভিত্তিতে শুনানি শেষে আদালত রায় ঘোষণা করেন।




















