১২:১০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

দেড় বছরেও শেষ হয়নি ডিপিডিসির সাবেক প্রধান প্রকৌশলী বেলায়েতের অবৈধ সম্পদ অনুসন্ধান

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ১০:১১:৫৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৫১৩

ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি (ডিপিডিসি) লিমিটেডের সাবেক প্রধান প্রকৌশলী বেলায়েত হোসেন ও তাঁর পরিবারের কথিত অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগের অনুসন্ধান শুরু করেছিল দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। তবে অনুসন্ধান শুরুর প্রায় দেড় বছরের বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও এখনো প্রতিবেদন জমা হয়নি। দীর্ঘসূত্রতা নিয়ে সংশ্লিষ্ট মহলে প্রশ্ন উঠেছে।

দুদকের প্রাথমিক অনুসন্ধানে বেলায়েত হোসেনের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার, অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে বিপুল সম্পদ অর্জনের অভিযোগের সত্যতা পাওয়ার কথা উল্লেখ করে বিস্তারিত অনুসন্ধানের উদ্যোগ নেওয়া হয়। অভিযোগটি অনুসন্ধান করে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য দুদকের সহকারী পরিচালক হাফিজুর রহমানকে অনুসন্ধান কর্মকর্তা নিয়োগ করা হয়।

অনুসন্ধান কর্মকর্তা দায়িত্ব পাওয়ার পর অভিযোগের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহে ব্যাংক, বীমা, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর), সিটি করপোরেশন, ভূমি অফিস, রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক)সহ ৭০টির বেশি সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চিঠি পাঠান।

২০২৪ সালের ১ ডিসেম্বর পাঠানো ওই চিঠিতে বেলায়েত হোসেন ও তাঁর স্ত্রী শামসুন নাহারের নামে থাকা সম্পদ, আয় ও আর্থিক লেনদেনের তথ্য চাওয়া হয়। একই সঙ্গে তাঁদের তিন সন্তান—নাভিল হোসেন তামীম, ফারিহা হোসেন মুমু ও তাজফিকুর হোসেন তানজিফের নামে কোনো সম্পদ রয়েছে কি না, সে তথ্যও দিতে বলা হয়।

চিঠিতে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে ১০ ডিসেম্বর ২০২৪-এর মধ্যে প্রয়োজনীয় রেকর্ডপত্র দুদকে পাঠাতে অনুরোধ করা হয়েছিল। তবে অভিযোগের তথ্য অনুযায়ী, নির্ধারিত সময়ের পর দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও অনুসন্ধান কর্মকর্তা এখনো কমিশনে চূড়ান্ত অনুসন্ধান প্রতিবেদন জমা দেননি।

অভিযোগে বলা হয়েছে, বেলায়েত হোসেনের গ্রামের বাড়ি পিরোজপুরের ভান্ডারিয়া উপজেলার লক্ষ্মীপুর গ্রামে। বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডে চাকরিজীবন শুরু করে পরবর্তীতে ডিপিডিসির প্রধান প্রকৌশলী হিসেবে অবসর নেন তিনি।

চাকরিজীবনে ক্ষমতার অপব্যবহার ও বিভিন্ন অনিয়মের মাধ্যমে তিনি বিপুল সম্পদের মালিক হয়েছেন। তাঁর আয়কর নথিতে প্রদর্শিত সম্পদের সঙ্গে কথিত প্রকৃত সম্পদের বড় ধরনের পার্থক্য রয়েছে বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।

বেলায়েত হোসেনের নামে ধানমন্ডির একটি ভবনে ১ হাজার ৮০০ বর্গফুটের দুটি ফ্ল্যাট থাকার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। আয়কর রিটার্নে ফ্ল্যাট দুটির মূল্য প্রায় ৯৪ লাখ টাকা দেখানো হলেও অভিযোগে দাবি করা হয়েছে, বাজারমূল্য কয়েক কোটি টাকা হতে পারে।

এ ছাড়া খিলগাঁওয়ের উলন মৌজায় জমি, আফতাবনগরে একাধিক প্লট এবং ঢাকার ডেমরা, আশুলিয়া, কেরানীগঞ্জ ও গাজীপুরে নিকটাত্মীয়দের নামে জমি থাকার অভিযোগও রয়েছে।

অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, তাঁর ব্যাংক হিসাবে উল্লেখযোগ্য অর্থ, সঞ্চয়পত্র এবং একটি ব্যক্তিগত গাড়ি রয়েছে। সব মিলিয়ে বিপুল সম্পদের মালিক হলেও আয়কর রিটার্নে তুলনামূলকভাবে কম সম্পদ প্রদর্শনের অভিযোগ আনা হয়েছে।

বেলায়েত হোসেনের স্ত্রী শামসুন নাহারকে গৃহিণী হিসেবে উল্লেখ করা হলেও তাঁর নামে একাধিক জমি, এফডিআর ও সঞ্চয়পত্র থাকার অভিযোগ রয়েছে।

অভিযোগে রামপুরার হাজীপাড়া ও হাজী লেন এলাকায় জমি, বিভিন্ন ব্যাংকে এফডিআর ও সঞ্চয়পত্র এবং বিপুল পরিমাণ স্বর্ণালঙ্কারের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। পরিবারের ব্যবহারের জন্য একাধিক গাড়ি থাকার কথাও অভিযোগে বলা হয়েছে।

একটি গাড়ি শামসুন নাহারের নামে কেনার পর পরবর্তীতে অন্য এক আত্মীয়ের নামে নিবন্ধনের মাধ্যমে ব্যবহার করা হয়েছে বলেও অভিযোগে দাবি করা হয়েছে।

অভিযোগকারীদের দাবি, বেলায়েত হোসেন ও তাঁর স্ত্রী তাঁদের প্রকৃত সম্পদের তথ্য আয়কর রিটার্নে পুরোপুরি প্রদর্শন করেননি। বেলায়েত হোসেনের রিটার্নে প্রায় ১ কোটি ৯১ লাখ টাকার সম্পদ দেখানো হলেও তাঁর প্রকৃত সম্পদ এর চেয়ে অনেক বেশি বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

অন্যদিকে শামসুন নাহারের নামে আয়কর নথিতে প্রায় ৫৯ লাখ টাকার সম্পদ দেখানো হলেও তাঁর নামে কয়েক কোটি টাকার সম্পদ থাকার অভিযোগ রয়েছে।
বেলায়েত হোসেন ও তাঁর পরিবারের বিরুদ্ধে অর্থ পাচারের অভিযোগও রয়েছে। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা এখনো আদালত বা দুদকের চূড়ান্ত তদন্তে প্রতিষ্ঠিত হয়নি। অনুসন্ধান শেষ হলে নথিপত্র, ব্যাংক হিসাব, আয়কর রিটার্ন, জমি ও অন্যান্য সম্পদের তথ্য যাচাই করে অভিযোগগুলোর বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা।

দুদকের অনুসন্ধানের শুরুতেই ৭০টির বেশি দপ্তরে তথ্য চাওয়া হলেও দীর্ঘ সময়েও প্রতিবেদন না আসায় অনুসন্ধানের অগ্রগতি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। বিশেষ করে সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালন করা একজন সাবেক প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে বিপুল অবৈধ সম্পদের অভিযোগের অনুসন্ধান কেন এত দীর্ঘ সময় ধরে চলছে, তা নিয়ে সংশ্লিষ্টদের মধ্যে আলোচনা রয়েছে।

তবে অনুসন্ধান শেষ না হওয়া পর্যন্ত অভিযোগে উল্লিখিত সম্পদ বা আর্থিক লেনদেনকে অবৈধ হিসেবে চূড়ান্তভাবে বিবেচনা করা যায় না। দুদকের অনুসন্ধান ও পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়ায় অভিযোগগুলোর সত্যতা যাচাই হওয়ার বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ।

সর্বাধিক পঠিত

বিএডিসির প্রকল্প পরিচালক নুরুল ইসলামের বিরুদ্ধে অনিয়ম-দুর্নীতি ও দায়িত্ব হস্তান্তরে গড়িমসির অভিযোগ

দেড় বছরেও শেষ হয়নি ডিপিডিসির সাবেক প্রধান প্রকৌশলী বেলায়েতের অবৈধ সম্পদ অনুসন্ধান

আপডেট: ১০:১১:৫৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি (ডিপিডিসি) লিমিটেডের সাবেক প্রধান প্রকৌশলী বেলায়েত হোসেন ও তাঁর পরিবারের কথিত অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগের অনুসন্ধান শুরু করেছিল দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। তবে অনুসন্ধান শুরুর প্রায় দেড় বছরের বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও এখনো প্রতিবেদন জমা হয়নি। দীর্ঘসূত্রতা নিয়ে সংশ্লিষ্ট মহলে প্রশ্ন উঠেছে।

দুদকের প্রাথমিক অনুসন্ধানে বেলায়েত হোসেনের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার, অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে বিপুল সম্পদ অর্জনের অভিযোগের সত্যতা পাওয়ার কথা উল্লেখ করে বিস্তারিত অনুসন্ধানের উদ্যোগ নেওয়া হয়। অভিযোগটি অনুসন্ধান করে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য দুদকের সহকারী পরিচালক হাফিজুর রহমানকে অনুসন্ধান কর্মকর্তা নিয়োগ করা হয়।

অনুসন্ধান কর্মকর্তা দায়িত্ব পাওয়ার পর অভিযোগের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহে ব্যাংক, বীমা, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর), সিটি করপোরেশন, ভূমি অফিস, রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক)সহ ৭০টির বেশি সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চিঠি পাঠান।

২০২৪ সালের ১ ডিসেম্বর পাঠানো ওই চিঠিতে বেলায়েত হোসেন ও তাঁর স্ত্রী শামসুন নাহারের নামে থাকা সম্পদ, আয় ও আর্থিক লেনদেনের তথ্য চাওয়া হয়। একই সঙ্গে তাঁদের তিন সন্তান—নাভিল হোসেন তামীম, ফারিহা হোসেন মুমু ও তাজফিকুর হোসেন তানজিফের নামে কোনো সম্পদ রয়েছে কি না, সে তথ্যও দিতে বলা হয়।

চিঠিতে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে ১০ ডিসেম্বর ২০২৪-এর মধ্যে প্রয়োজনীয় রেকর্ডপত্র দুদকে পাঠাতে অনুরোধ করা হয়েছিল। তবে অভিযোগের তথ্য অনুযায়ী, নির্ধারিত সময়ের পর দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও অনুসন্ধান কর্মকর্তা এখনো কমিশনে চূড়ান্ত অনুসন্ধান প্রতিবেদন জমা দেননি।

অভিযোগে বলা হয়েছে, বেলায়েত হোসেনের গ্রামের বাড়ি পিরোজপুরের ভান্ডারিয়া উপজেলার লক্ষ্মীপুর গ্রামে। বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডে চাকরিজীবন শুরু করে পরবর্তীতে ডিপিডিসির প্রধান প্রকৌশলী হিসেবে অবসর নেন তিনি।

চাকরিজীবনে ক্ষমতার অপব্যবহার ও বিভিন্ন অনিয়মের মাধ্যমে তিনি বিপুল সম্পদের মালিক হয়েছেন। তাঁর আয়কর নথিতে প্রদর্শিত সম্পদের সঙ্গে কথিত প্রকৃত সম্পদের বড় ধরনের পার্থক্য রয়েছে বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।

বেলায়েত হোসেনের নামে ধানমন্ডির একটি ভবনে ১ হাজার ৮০০ বর্গফুটের দুটি ফ্ল্যাট থাকার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। আয়কর রিটার্নে ফ্ল্যাট দুটির মূল্য প্রায় ৯৪ লাখ টাকা দেখানো হলেও অভিযোগে দাবি করা হয়েছে, বাজারমূল্য কয়েক কোটি টাকা হতে পারে।

এ ছাড়া খিলগাঁওয়ের উলন মৌজায় জমি, আফতাবনগরে একাধিক প্লট এবং ঢাকার ডেমরা, আশুলিয়া, কেরানীগঞ্জ ও গাজীপুরে নিকটাত্মীয়দের নামে জমি থাকার অভিযোগও রয়েছে।

অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, তাঁর ব্যাংক হিসাবে উল্লেখযোগ্য অর্থ, সঞ্চয়পত্র এবং একটি ব্যক্তিগত গাড়ি রয়েছে। সব মিলিয়ে বিপুল সম্পদের মালিক হলেও আয়কর রিটার্নে তুলনামূলকভাবে কম সম্পদ প্রদর্শনের অভিযোগ আনা হয়েছে।

বেলায়েত হোসেনের স্ত্রী শামসুন নাহারকে গৃহিণী হিসেবে উল্লেখ করা হলেও তাঁর নামে একাধিক জমি, এফডিআর ও সঞ্চয়পত্র থাকার অভিযোগ রয়েছে।

অভিযোগে রামপুরার হাজীপাড়া ও হাজী লেন এলাকায় জমি, বিভিন্ন ব্যাংকে এফডিআর ও সঞ্চয়পত্র এবং বিপুল পরিমাণ স্বর্ণালঙ্কারের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। পরিবারের ব্যবহারের জন্য একাধিক গাড়ি থাকার কথাও অভিযোগে বলা হয়েছে।

একটি গাড়ি শামসুন নাহারের নামে কেনার পর পরবর্তীতে অন্য এক আত্মীয়ের নামে নিবন্ধনের মাধ্যমে ব্যবহার করা হয়েছে বলেও অভিযোগে দাবি করা হয়েছে।

অভিযোগকারীদের দাবি, বেলায়েত হোসেন ও তাঁর স্ত্রী তাঁদের প্রকৃত সম্পদের তথ্য আয়কর রিটার্নে পুরোপুরি প্রদর্শন করেননি। বেলায়েত হোসেনের রিটার্নে প্রায় ১ কোটি ৯১ লাখ টাকার সম্পদ দেখানো হলেও তাঁর প্রকৃত সম্পদ এর চেয়ে অনেক বেশি বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

অন্যদিকে শামসুন নাহারের নামে আয়কর নথিতে প্রায় ৫৯ লাখ টাকার সম্পদ দেখানো হলেও তাঁর নামে কয়েক কোটি টাকার সম্পদ থাকার অভিযোগ রয়েছে।
বেলায়েত হোসেন ও তাঁর পরিবারের বিরুদ্ধে অর্থ পাচারের অভিযোগও রয়েছে। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা এখনো আদালত বা দুদকের চূড়ান্ত তদন্তে প্রতিষ্ঠিত হয়নি। অনুসন্ধান শেষ হলে নথিপত্র, ব্যাংক হিসাব, আয়কর রিটার্ন, জমি ও অন্যান্য সম্পদের তথ্য যাচাই করে অভিযোগগুলোর বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা।

দুদকের অনুসন্ধানের শুরুতেই ৭০টির বেশি দপ্তরে তথ্য চাওয়া হলেও দীর্ঘ সময়েও প্রতিবেদন না আসায় অনুসন্ধানের অগ্রগতি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। বিশেষ করে সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালন করা একজন সাবেক প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে বিপুল অবৈধ সম্পদের অভিযোগের অনুসন্ধান কেন এত দীর্ঘ সময় ধরে চলছে, তা নিয়ে সংশ্লিষ্টদের মধ্যে আলোচনা রয়েছে।

তবে অনুসন্ধান শেষ না হওয়া পর্যন্ত অভিযোগে উল্লিখিত সম্পদ বা আর্থিক লেনদেনকে অবৈধ হিসেবে চূড়ান্তভাবে বিবেচনা করা যায় না। দুদকের অনুসন্ধান ও পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়ায় অভিযোগগুলোর সত্যতা যাচাই হওয়ার বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ।