যশোরের ঝিকরগাছায় ভ্যানচালক ইখলাসকে হত্যার পর লাশ গুমের ঘটনায় করা ক্লুলেস মামলার রহস্য উদঘাটনের দাবি করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ছিনতাই হওয়া ভ্যানটিও উদ্ধার করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) এক প্রেস ব্রিফিংয়ে যশোর জেলা পুলিশ এসব তথ্য জানায়।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন— গংগানন্দপুরের মো. মেহেদী হাসান (২৯) বিষহরির আশরাফুল আলম (২১)
পুলিশ জানায়, তদন্তের ধারাবাহিকতায় কোতোয়ালি ও ঝিকরগাছা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৯ সেপ্টেম্বর ভ্যান নিয়ে বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর নিখোঁজ হন ভ্যানচালক ইখলাস।
পরে ২২ সেপ্টেম্বর গংগানন্দপুর এলাকার কপোতাক্ষ নদ থেকে তাঁর লাশ উদ্ধার করা হয়। পুলিশ জানায়, লাশের সঙ্গে চারটি ইট বাঁধা ছিল।
এ ঘটনায় মামলা হওয়ার পর হত্যার রহস্য উদঘাটনে তদন্ত শুরু করে পুলিশ।
পুলিশের দাবি, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার দুই আসামি ইখলাসকে হত্যার কথা স্বীকার করেছেন। তাঁদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ভ্যান ছিনতাইয়ের উদ্দেশ্যে ইখলাসকে কোমল পানীয়ের সঙ্গে চেতনানাশক ওষুধ খাওয়ানো হয়।
পরে গলায় ফাঁস দিয়ে এবং পানিতে ডুবিয়ে তাঁকে হত্যা করা হয় বলে পুলিশ জানিয়েছে।
হত্যার পর ইখলাসের লাশ নদীতে ফেলে দেওয়া হয় এবং তাঁর ভ্যানটি নিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা বলে তদন্তে উঠে এসেছে।
গ্রেপ্তার আসামিদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ইখলাসের ছিনতাই হওয়া ভ্যানটি উদ্ধার করেছে পুলিশ।
তবে হত্যাকাণ্ডে আরও কেউ জড়িত ছিল কি না, সে বিষয়ে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
পুলিশের দাবি অনুযায়ী, গ্রেপ্তার দুজনের জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই হত্যাকাণ্ডের প্রাথমিক চিত্র পাওয়া গেছে। আদালতে প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত তাঁদের বিরুদ্ধে করা অভিযোগকে অভিযোগ হিসেবেই বিবেচনা করতে হবে।




















