০৬:১৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬

গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ে তথ্য পাচার ও অর্থ আদায়ের অভিযোগ গাজি মোকছেদের বিরুদ্ধে

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৫:১১:৩১ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬
  • ৫০৩

গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিবের দপ্তরের ব্যক্তিগত কর্মকর্তা (পিও) গাজী মোকছেদের বিরুদ্ধে দাপ্তরিক তথ্য অর্থের বিনিময়ে পাচার, দায়িত্বের অপব্যবহার, ফাইল নিয়ে তদবির এবং একটি সংঘবদ্ধ চক্রের মাধ্যমে অর্থ আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। এসব অভিযোগকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশ সচিবালয়ে আলোচনা চলছে বলে জানা গেছে।

অভিযোগকারীদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে সচিবদের ব্যক্তিগত কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করার সুবাদে গাজী মোকছেদ মন্ত্রণালয়ের গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন তথ্য ও নথির বিষয়ে অবগত হন। অভিযোগ রয়েছে, অর্থের বিনিময়ে তিনি এসব তথ্য সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ব্যক্তির কাছে পৌঁছে দেন। এতে মন্ত্রণালয়ের দাপ্তরিক গোপনীয়তা ও ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে বলে অভিযোগকারীরা মনে করছেন।

গাজী মোকছেদের সম্পদ ও সরকারি আবাসন সুবিধা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন অভিযোগকারীরা। তাঁদের দাবি, পূর্ববর্তী সরকারের সময়ে সচিবদের ব্যক্তিগত কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তিনি জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের ঢাকার লালমাটিয়া এলাকার একটি ফ্ল্যাট এবং রাজউকের ঝিলমিল প্রকল্পে একটি প্লট বরাদ্দ পেয়েছেন।

অভিযোগ অনুযায়ী, লালমাটিয়ার ৫৪ ফ্ল্যাট প্রকল্পের স্বপ্নপুরী আবাসনে বি-৯ নম্বর ফ্ল্যাট এবং ঝিলমিল প্রকল্পের সেক্টর-৪, রোড-১৪, প্লট নম্বর-১০ তাঁর নামে বরাদ্দ রয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে। একই ব্যক্তি সরকারি আবাসন প্রকল্পের ফ্ল্যাট ও প্লট—দুই ধরনের সুবিধা পাওয়ার ক্ষেত্রে বিধিনিষেধ ছিল কি না এবং বরাদ্দ প্রক্রিয়ায় কোনো অনিয়ম হয়েছে কি না, তা তদন্তের দাবি জানিয়েছেন অভিযোগকারীরা।

এ ছাড়া রাজধানীর মিরপুরের রূপনগর ও ইস্কাটন এলাকাতেও তাঁর ফ্ল্যাট রয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এসব সম্পদের উৎস, ক্রয় বা বরাদ্দের প্রক্রিয়া এবং আয়-ব্যয়ের সঙ্গে সম্পদের সামঞ্জস্য রয়েছে কি না—তা খতিয়ে দেখার দাবি উঠেছে।

অভিযোগকারীদের আরও দাবি, গাজী মোকছেদ দীর্ঘ সময় ধরে বিভিন্ন সচিবের ব্যক্তিগত কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ফলে সাবেক কর্মকর্তাদের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগের সুযোগ রয়েছে এবং সেই সুযোগ ব্যবহার করে মন্ত্রণালয়ের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বাইরে সরবরাহ করা হচ্ছে—এমন অভিযোগও রয়েছে। তবে এ অভিযোগের স্বাধীন সত্যতা নিশ্চিত করা যায়নি।

এদিকে তাঁর পদোন্নতি নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। অভিযোগকারীদের দাবি, কম্পিউটার পরিচালনায় দক্ষতা না থাকা সত্ত্বেও প্রভাব খাটিয়ে তিনি ব্যক্তিগত কর্মকর্তা পদে পদোন্নতি পেয়েছেন। তাঁর নিয়োগ ও পদোন্নতির নথি যাচাই করে প্রকৃত ঘটনা বের করার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।

সচিবের দপ্তরে বিভিন্ন অভিযোগ, ফাইল ও দাপ্তরিক চিঠি আসার পর সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে যোগাযোগ করে অর্থ দাবি করার অভিযোগও উঠেছে গাজী মোকছেদের বিরুদ্ধে। অভিযোগকারীদের ভাষ্য, কোনো কর্মকর্তা বা কর্মচারীর বিরুদ্ধে অভিযোগ জমা পড়লে তাঁকে ফোন করে বিষয়টি জানানো হয় এবং অভিযোগ ‘সমাধান’ করে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে অর্থ দাবি করা হয়। অর্থের বিনিময়ে অভিযোগ নিষ্পত্তি বা গায়েব করে দেওয়ারও অভিযোগ রয়েছে।

একইভাবে, কোনো ফাইলের বিষয়ে তদবির করতে কেউ সচিবের দপ্তরে এলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে বিভিন্নভাবে প্রভাবিত করে অর্থ আদায়ের চেষ্টা করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে। কোনো গুরুত্বপূর্ণ দাপ্তরিক চিঠি আসার পর চিঠির ধরন বুঝে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগ এবং অর্থ দাবির অভিযোগও রয়েছে।

অভিযোগকারীদের দাবি, এসব কার্যক্রম এককভাবে নয়, বরং সচিবের দপ্তরের একটি সংঘবদ্ধ চক্রের মাধ্যমে পরিচালিত হয়। দাপ্তরিক সময় শেষে এসব কর্মকাণ্ড থেকে আদায়কৃত অর্থ সংশ্লিষ্টদের মধ্যে ভাগ-বাটোয়ারা করা হয় বলেও অভিযোগ করা হয়েছে। তবে এসব অভিযোগের পক্ষে কোনো নথি বা প্রত্যক্ষ প্রমাণ প্রকাশ্যে পাওয়া যায়নি।

অভিযোগগুলোর বিষয়ে বক্তব্য জানতে গাজী মোকছেদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি নানা কারণে বিষয়টি এড়িয়ে যান বলে অভিযোগকারীরা জানিয়েছেন।

এদিকে সচিবালয়ে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা তৈরি হয়েছে বলে জানা গেছে। ভুক্তভোগী ও অভিযোগকারীরা গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও সচিবের কাছে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

তাঁদের দাবি, মন্ত্রণালয়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের সচিবের দপ্তরে দীর্ঘদিন একই ব্যক্তিদের কর্মরত থাকা, দাপ্তরিক তথ্যের গোপনীয়তা, ফাইল ব্যবস্থাপনা এবং অর্থ লেনদেনের অভিযোগগুলো গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা প্রয়োজন।

অভিযোগকারীরা প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট কর্মচারীদের সম্পদের হিসাব, সরকারি প্লট-ফ্ল্যাট বরাদ্দের নথি, ব্যাংক লেনদেন, নিয়োগ ও পদোন্নতির কাগজপত্র এবং দাপ্তরিক যোগাযোগের রেকর্ড পরীক্ষা করার দাবি জানিয়েছেন।

তাঁদের মতে, নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে অভিযোগগুলোর সত্যতা যাচাই করা গেলে প্রকৃত ঘটনা স্পষ্ট হবে এবং মন্ত্রণালয়ের দাপ্তরিক স্বচ্ছতা ও গোপনীয়তা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

সর্বাধিক পঠিত

১৭ মাসেও তদন্ত হয়নি: রংপুরে ভূমি অধিগ্রহণে ‘সিন্ডিকেটের’ বিরুদ্ধে কোটি টাকা ঘুষের অভিযোগ

গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ে তথ্য পাচার ও অর্থ আদায়ের অভিযোগ গাজি মোকছেদের বিরুদ্ধে

আপডেট: ০৫:১১:৩১ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬

গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিবের দপ্তরের ব্যক্তিগত কর্মকর্তা (পিও) গাজী মোকছেদের বিরুদ্ধে দাপ্তরিক তথ্য অর্থের বিনিময়ে পাচার, দায়িত্বের অপব্যবহার, ফাইল নিয়ে তদবির এবং একটি সংঘবদ্ধ চক্রের মাধ্যমে অর্থ আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। এসব অভিযোগকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশ সচিবালয়ে আলোচনা চলছে বলে জানা গেছে।

অভিযোগকারীদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে সচিবদের ব্যক্তিগত কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করার সুবাদে গাজী মোকছেদ মন্ত্রণালয়ের গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন তথ্য ও নথির বিষয়ে অবগত হন। অভিযোগ রয়েছে, অর্থের বিনিময়ে তিনি এসব তথ্য সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ব্যক্তির কাছে পৌঁছে দেন। এতে মন্ত্রণালয়ের দাপ্তরিক গোপনীয়তা ও ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে বলে অভিযোগকারীরা মনে করছেন।

গাজী মোকছেদের সম্পদ ও সরকারি আবাসন সুবিধা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন অভিযোগকারীরা। তাঁদের দাবি, পূর্ববর্তী সরকারের সময়ে সচিবদের ব্যক্তিগত কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তিনি জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের ঢাকার লালমাটিয়া এলাকার একটি ফ্ল্যাট এবং রাজউকের ঝিলমিল প্রকল্পে একটি প্লট বরাদ্দ পেয়েছেন।

অভিযোগ অনুযায়ী, লালমাটিয়ার ৫৪ ফ্ল্যাট প্রকল্পের স্বপ্নপুরী আবাসনে বি-৯ নম্বর ফ্ল্যাট এবং ঝিলমিল প্রকল্পের সেক্টর-৪, রোড-১৪, প্লট নম্বর-১০ তাঁর নামে বরাদ্দ রয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে। একই ব্যক্তি সরকারি আবাসন প্রকল্পের ফ্ল্যাট ও প্লট—দুই ধরনের সুবিধা পাওয়ার ক্ষেত্রে বিধিনিষেধ ছিল কি না এবং বরাদ্দ প্রক্রিয়ায় কোনো অনিয়ম হয়েছে কি না, তা তদন্তের দাবি জানিয়েছেন অভিযোগকারীরা।

এ ছাড়া রাজধানীর মিরপুরের রূপনগর ও ইস্কাটন এলাকাতেও তাঁর ফ্ল্যাট রয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এসব সম্পদের উৎস, ক্রয় বা বরাদ্দের প্রক্রিয়া এবং আয়-ব্যয়ের সঙ্গে সম্পদের সামঞ্জস্য রয়েছে কি না—তা খতিয়ে দেখার দাবি উঠেছে।

অভিযোগকারীদের আরও দাবি, গাজী মোকছেদ দীর্ঘ সময় ধরে বিভিন্ন সচিবের ব্যক্তিগত কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ফলে সাবেক কর্মকর্তাদের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগের সুযোগ রয়েছে এবং সেই সুযোগ ব্যবহার করে মন্ত্রণালয়ের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বাইরে সরবরাহ করা হচ্ছে—এমন অভিযোগও রয়েছে। তবে এ অভিযোগের স্বাধীন সত্যতা নিশ্চিত করা যায়নি।

এদিকে তাঁর পদোন্নতি নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। অভিযোগকারীদের দাবি, কম্পিউটার পরিচালনায় দক্ষতা না থাকা সত্ত্বেও প্রভাব খাটিয়ে তিনি ব্যক্তিগত কর্মকর্তা পদে পদোন্নতি পেয়েছেন। তাঁর নিয়োগ ও পদোন্নতির নথি যাচাই করে প্রকৃত ঘটনা বের করার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।

সচিবের দপ্তরে বিভিন্ন অভিযোগ, ফাইল ও দাপ্তরিক চিঠি আসার পর সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে যোগাযোগ করে অর্থ দাবি করার অভিযোগও উঠেছে গাজী মোকছেদের বিরুদ্ধে। অভিযোগকারীদের ভাষ্য, কোনো কর্মকর্তা বা কর্মচারীর বিরুদ্ধে অভিযোগ জমা পড়লে তাঁকে ফোন করে বিষয়টি জানানো হয় এবং অভিযোগ ‘সমাধান’ করে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে অর্থ দাবি করা হয়। অর্থের বিনিময়ে অভিযোগ নিষ্পত্তি বা গায়েব করে দেওয়ারও অভিযোগ রয়েছে।

একইভাবে, কোনো ফাইলের বিষয়ে তদবির করতে কেউ সচিবের দপ্তরে এলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে বিভিন্নভাবে প্রভাবিত করে অর্থ আদায়ের চেষ্টা করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে। কোনো গুরুত্বপূর্ণ দাপ্তরিক চিঠি আসার পর চিঠির ধরন বুঝে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগ এবং অর্থ দাবির অভিযোগও রয়েছে।

অভিযোগকারীদের দাবি, এসব কার্যক্রম এককভাবে নয়, বরং সচিবের দপ্তরের একটি সংঘবদ্ধ চক্রের মাধ্যমে পরিচালিত হয়। দাপ্তরিক সময় শেষে এসব কর্মকাণ্ড থেকে আদায়কৃত অর্থ সংশ্লিষ্টদের মধ্যে ভাগ-বাটোয়ারা করা হয় বলেও অভিযোগ করা হয়েছে। তবে এসব অভিযোগের পক্ষে কোনো নথি বা প্রত্যক্ষ প্রমাণ প্রকাশ্যে পাওয়া যায়নি।

অভিযোগগুলোর বিষয়ে বক্তব্য জানতে গাজী মোকছেদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি নানা কারণে বিষয়টি এড়িয়ে যান বলে অভিযোগকারীরা জানিয়েছেন।

এদিকে সচিবালয়ে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা তৈরি হয়েছে বলে জানা গেছে। ভুক্তভোগী ও অভিযোগকারীরা গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও সচিবের কাছে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

তাঁদের দাবি, মন্ত্রণালয়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের সচিবের দপ্তরে দীর্ঘদিন একই ব্যক্তিদের কর্মরত থাকা, দাপ্তরিক তথ্যের গোপনীয়তা, ফাইল ব্যবস্থাপনা এবং অর্থ লেনদেনের অভিযোগগুলো গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা প্রয়োজন।

অভিযোগকারীরা প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট কর্মচারীদের সম্পদের হিসাব, সরকারি প্লট-ফ্ল্যাট বরাদ্দের নথি, ব্যাংক লেনদেন, নিয়োগ ও পদোন্নতির কাগজপত্র এবং দাপ্তরিক যোগাযোগের রেকর্ড পরীক্ষা করার দাবি জানিয়েছেন।

তাঁদের মতে, নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে অভিযোগগুলোর সত্যতা যাচাই করা গেলে প্রকৃত ঘটনা স্পষ্ট হবে এবং মন্ত্রণালয়ের দাপ্তরিক স্বচ্ছতা ও গোপনীয়তা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।