বরিশাল বিভাগের প্রাথমিক শিক্ষা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক নিলুফার ইয়াসমিনের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার, আর্থিক অনিয়ম, সরকারি সম্পদের ব্যক্তিগত ব্যবহার, বদলি বাণিজ্য, ঘুষ গ্রহণ এবং প্রশাসনিক বিধি লঙ্ঘনের একাধিক অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগকারীদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে এসব অভিযোগ থাকলেও কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বক্তব্য প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি।
অভিযোগ অনুযায়ী, বিভিন্ন সময় শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা লিখিতভাবে অনিয়মের অভিযোগ দিলেও তা দৃশ্যমানভাবে নিষ্পত্তি হয়নি। এতে বিভাগীয় কার্যালয়ে ভীতি ও অনিশ্চয়তার পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে বলে অভিযোগকারীরা দাবি করেন।
এছাড়া অভিযোগ রয়েছে, ২০২৪ সালে তার বদলির আদেশ জারি হলেও সেটি শেষ পর্যন্ত কার্যকর হয়নি। পরবর্তীতে বদলির আদেশ বাতিল হওয়ায় বিষয়টি নিয়ে নতুন করে প্রশ্নের সৃষ্টি হয়।
অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, তিনি দীর্ঘ সময় ধরে সরকারি গেস্ট হাউজে পরিবারসহ অবস্থান করছেন এবং সরকারি সম্পদ ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহার করছেন। পাশাপাশি অফিস সময় যথাযথভাবে অনুসরণ না করা, সরকারি গাড়ি ব্যক্তিগত প্রয়োজনে ব্যবহার এবং অধীনস্থ কর্মচারীদের ব্যক্তিগত কাজে নিয়োজিত রাখার অভিযোগও রয়েছে।
আর্থিক অনিয়মের অভিযোগে বলা হয়েছে, বিভিন্ন প্রশিক্ষণ, অফিস রক্ষণাবেক্ষণ, প্রশাসনিক ব্যয় ও অন্যান্য বরাদ্দের অর্থে অনিয়ম এবং ভুয়া বিল-ভাউচারের মাধ্যমে অর্থ আত্মসাতের ঘটনা ঘটেছে। এছাড়া বিভিন্ন সরকারি কর্মসূচির বরাদ্দের অর্থ যথাযথভাবে ব্যয় না করে আত্মসাতের অভিযোগও আনা হয়েছে।
অভিযোগকারীরা আরও দাবি করেন, ঘুষ ছাড়া গুরুত্বপূর্ণ ফাইলের কার্যক্রম এগোয় না এবং বদলি ও প্রশাসনিক বিভিন্ন কাজে আর্থিক লেনদেনের অভিযোগ রয়েছে।
এদিকে, এসব অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের একাংশ।




















