কক্সবাজারের টেকনাফে র্যাবের অভিযানে অপহরণের শিকার তিনজনকে উদ্ধার করা হয়েছে। এ সময় অপহরণ চক্রের এক সদস্যকে আটক করা হয়েছে।
বুধবার (৫ আগস্ট) বিকেলে র্যাব-১৫-এর সহকারী পরিচালক আ ম ফারুক স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিরা হলেন— মো. আয়াছ (১৮), মো. ইয়াছিন (২৮) ও জোবাইর (২৫)। তারা সবাই উখিয়ার পালংখালী ইউনিয়নের বালুখালী ১৭ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের (ব্লক-বি-৮১) বাসিন্দা।
র্যাব জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এবং উখিয়া থানায় দায়ের করা সাধারণ ডায়েরির (জিডি) সূত্র ধরে সিপিসি-১, টেকনাফের একটি আভিযানিক দল অপহৃতদের উদ্ধারে গোয়েন্দা তৎপরতা শুরু করে। এরই ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) রাতে টেকনাফের মুচনী ক্যাম্প সংলগ্ন শালবাগান পাহাড়ের দুর্গম এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে অপহৃত তিনজনকে নিরাপদে উদ্ধার করা হয়।
উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিরা জানান, গত ৩০ জুলাই টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের মুচনী ক্যাম্পে আত্মীয়ের বাড়ি থেকে ফেরার পথে তারা অপহরণের শিকার হন। অপহরণকারীরা তাদের দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় আটকে রেখে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালায় এবং পরিবারের কাছে ৬ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। মুক্তিপণ পরিশোধ না করায় তাদের ওপর নির্যাতনের মাত্রা আরও বাড়ানো হয় এবং প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়।
তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে র্যাব মুচনী ক্যাম্পের ব্লক-ডি এলাকার বটগাছতলা এলাকায় অভিযান চালিয়ে অপহরণ চক্রের সদস্য হাফেজ আহম্মেদ (৫৩) নামে এক রোহিঙ্গাকে আটক করে। তিনি মুচনী রেজিস্টার্ড ক্যাম্প-০১-এর ব্লক-ডি এলাকার মৃত রশিদ আহম্মদের ছেলে।
র্যাব জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক ব্যক্তি অপহরণ চক্রের কার্যক্রম সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন। চক্রের অন্যান্য সদস্যদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
এ ঘটনায় উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের অভিযোগের ভিত্তিতে উখিয়া থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। আটক ব্যক্তিকে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের সঙ্গে উখিয়া থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।




















