১২:০২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬

টাঙ্গাইল পৌরসভার প্রশাসকের বিরুদ্ধে সরকারি অর্থ আত্মসাৎ, ঘুষ ও বদলি বাণিজ্যের অভিযোগ

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ১০:৫৭:১৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২ অগাস্ট ২০২৬
  • ৫১৪

টাঙ্গাইল পৌরসভার প্রশাসক ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) সঞ্জয় কুমার মহন্তের বিরুদ্ধে সরকারি অর্থ আত্মসাৎ, ঘুষ গ্রহণ, অনিয়ম এবং বদলি বাণিজ্যের মতো গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। বিভিন্ন খাতে সরকারি বরাদ্দের অর্থ অপব্যবহার, উন্নয়ন প্রকল্পে অনিয়ম এবং প্রশাসনিক ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগে স্থানীয় মহলে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

অভিযোগ অনুযায়ী, শহীদ মারুফ স্টেডিয়ামে আয়োজিত ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ অনুষ্ঠানের জন্য বরাদ্দকৃত প্রায় ৪৭ লাখ টাকা উত্তোলনের পর প্রকৃত ব্যয় করা হয় মাত্র ২০ থেকে ২৫ লাখ টাকা। বাকি অর্থ ভুয়া বিল-ভাউচারের মাধ্যমে আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে অভিযোগকারীদের দাবি।

এছাড়া, ভিআইপি আগমন উপলক্ষে পৌরসভার সাজসজ্জা ও সংস্কারের নামে মাত্র ১২ থেকে ১৩ লাখ টাকা ব্যয় হলেও পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার সহযোগিতায় প্রায় ৪২ লাখ টাকা উত্তোলন করা হয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে।

আরও অভিযোগ রয়েছে, নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর উন্নয়ন কাজের বিল পরিশোধে বিধিনিষেধ থাকা সত্ত্বেও ব্যাকডেটে স্বাক্ষর করে কমিশনের বিনিময়ে বিভিন্ন ঠিকাদারের বকেয়া বিল অনুমোদন করা হয়েছে।

ভবন নির্মাণের প্ল্যান অনুমোদনের ক্ষেত্রেও একটি কথিত সিন্ডিকেটের মাধ্যমে ফ্লোরভিত্তিক অর্থ আদায়ের অভিযোগ করা হয়েছে। অভিযোগকারীদের দাবি, প্ল্যান অনুমোদনের নামে নিয়মবহির্ভূতভাবে অর্থ আদায় করা হচ্ছে।

এছাড়া পোস্টাল ব্যালটের বরাদ্দের অর্থ আত্মসাৎ, ঈদের ভিজিএফ চাল বিতরণে অনিয়ম এবং জেলা প্রশাসনের কিছু কর্মকর্তার সঙ্গে যোগসাজশে ইউনিয়ন পরিষদ সচিব, তহসিলদার ও সার্ভেয়ার বদলির ক্ষেত্রে অবৈধ অর্থ লেনদেনের অভিযোগও সামনে এসেছে।

এসব অভিযোগের ফলে স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগকারীরা বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

তবে এই অভিযোগগুলোর বিষয়ে টাঙ্গাইল পৌরসভার প্রশাসক সঞ্জয় কুমার মহন্ত বা সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তাদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা গুরুত্বের সঙ্গে প্রকাশ করা হবে।

সর্বাধিক পঠিত

চৌগাছা বাজারে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা-ভাঙচুরের অভিযোগ, ১০ লাখ টাকা ছিনতাইয়ের দাবি

টাঙ্গাইল পৌরসভার প্রশাসকের বিরুদ্ধে সরকারি অর্থ আত্মসাৎ, ঘুষ ও বদলি বাণিজ্যের অভিযোগ

আপডেট: ১০:৫৭:১৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২ অগাস্ট ২০২৬

টাঙ্গাইল পৌরসভার প্রশাসক ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) সঞ্জয় কুমার মহন্তের বিরুদ্ধে সরকারি অর্থ আত্মসাৎ, ঘুষ গ্রহণ, অনিয়ম এবং বদলি বাণিজ্যের মতো গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। বিভিন্ন খাতে সরকারি বরাদ্দের অর্থ অপব্যবহার, উন্নয়ন প্রকল্পে অনিয়ম এবং প্রশাসনিক ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগে স্থানীয় মহলে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

অভিযোগ অনুযায়ী, শহীদ মারুফ স্টেডিয়ামে আয়োজিত ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ অনুষ্ঠানের জন্য বরাদ্দকৃত প্রায় ৪৭ লাখ টাকা উত্তোলনের পর প্রকৃত ব্যয় করা হয় মাত্র ২০ থেকে ২৫ লাখ টাকা। বাকি অর্থ ভুয়া বিল-ভাউচারের মাধ্যমে আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে অভিযোগকারীদের দাবি।

এছাড়া, ভিআইপি আগমন উপলক্ষে পৌরসভার সাজসজ্জা ও সংস্কারের নামে মাত্র ১২ থেকে ১৩ লাখ টাকা ব্যয় হলেও পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার সহযোগিতায় প্রায় ৪২ লাখ টাকা উত্তোলন করা হয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে।

আরও অভিযোগ রয়েছে, নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর উন্নয়ন কাজের বিল পরিশোধে বিধিনিষেধ থাকা সত্ত্বেও ব্যাকডেটে স্বাক্ষর করে কমিশনের বিনিময়ে বিভিন্ন ঠিকাদারের বকেয়া বিল অনুমোদন করা হয়েছে।

ভবন নির্মাণের প্ল্যান অনুমোদনের ক্ষেত্রেও একটি কথিত সিন্ডিকেটের মাধ্যমে ফ্লোরভিত্তিক অর্থ আদায়ের অভিযোগ করা হয়েছে। অভিযোগকারীদের দাবি, প্ল্যান অনুমোদনের নামে নিয়মবহির্ভূতভাবে অর্থ আদায় করা হচ্ছে।

এছাড়া পোস্টাল ব্যালটের বরাদ্দের অর্থ আত্মসাৎ, ঈদের ভিজিএফ চাল বিতরণে অনিয়ম এবং জেলা প্রশাসনের কিছু কর্মকর্তার সঙ্গে যোগসাজশে ইউনিয়ন পরিষদ সচিব, তহসিলদার ও সার্ভেয়ার বদলির ক্ষেত্রে অবৈধ অর্থ লেনদেনের অভিযোগও সামনে এসেছে।

এসব অভিযোগের ফলে স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগকারীরা বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

তবে এই অভিযোগগুলোর বিষয়ে টাঙ্গাইল পৌরসভার প্রশাসক সঞ্জয় কুমার মহন্ত বা সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তাদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা গুরুত্বের সঙ্গে প্রকাশ করা হবে।