জাতীয় কিডনি ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের সহযোগী অধ্যাপক ডা. মো. মোরশেদ আলমের বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজে বদলির আদেশ বাতিল করে রাজধানীর জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে পদায়নের ঘটনায় চিকিৎসক মহলের একটি অংশে আলোচনা ও বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে।
জানা গেছে, গত ২২ জুন স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে তাকে বগুড়ায় বদলি করা হয়। পরে ৩০ জুলাই ওই বদলির আদেশ বাতিল করে নতুন কর্মস্থল হিসেবে জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল নির্ধারণ করা হয়।
কিছু চিকিৎসক ও সংশ্লিষ্ট সূত্রের অভিযোগ, এই বদলি বাতিলের পেছনে অনিয়ম ও প্রভাব খাটানোর ঘটনা থাকতে পারে। তাদের দাবি, বিষয়টি নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে প্রকৃত তথ্য উদঘাটন করা প্রয়োজন। তবে এসব অভিযোগের পক্ষে কোনো সরকারি তদন্ত প্রতিবেদন বা আদালতের রায় প্রকাশিত হয়নি।
ডা. মোরশেদ আলমের বিরুদ্ধে অতীতে রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা এবং কর্মস্থলে বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগও বিভিন্ন মহলে আলোচিত হয়েছে। অভিযোগকারীদের দাবি, জাতীয় কিডনি ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে দায়িত্ব পালনকালে বায়োকেমিস্ট্রি বিভাগে সংস্কার কার্যক্রম ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কোনো চূড়ান্ত তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ হয়নি এবং ডা. মোরশেদ আলমের পক্ষ থেকেও এ বিষয়ে প্রকাশ্যে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
স্বাস্থ্য খাতের কয়েকজন চিকিৎসক মনে করেন, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বদলি ও পদায়নের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা জরুরি। তারা বলেন, যদি কোনো অনিয়মের অভিযোগ থাকে, তাহলে তা নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।
এ বিষয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বা জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। ডা. মো. মোরশেদ আলমের বক্তব্যও পাওয়া সম্ভব হয়নি। তার বক্তব্য পাওয়া গেলে তা গুরুত্বের সঙ্গে প্রকাশ করা হবে।



















