০৫:১৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬

কুলাউড়া সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে নিহত বাংলাদেশি তরুণের মরদেহ হস্তান্তর

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ১০:৫১:০৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬
  • ৫১০

লভীবাজারের কুলাউড়া সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) এর গুলিতে নিহত বাংলাদেশি তরুণ মো. তারা মিয়ার (১৯) মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

সোমবার (১০ আগস্ট) সন্ধ্যায় উপজেলার চাতলাপুর শুল্ক স্টেশন ও ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট এলাকায় বিজিবি ও বিএসএফের পতাকা বৈঠকের পর ভারতীয় পুলিশ কুলাউড়া থানা পুলিশের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করে। পরে আইনি প্রক্রিয়া শেষে নিহতের পরিবারের কাছে মরদেহ তুলে দেওয়া হয়। তারা মিয়ার বড়ভাই রাজু মিয়া মরদেহ গ্রহণ করেন।

নিহত তারা মিয়া কুলাউড়া উপজেলার কর্মধা ইউনিয়নের মুরইছড়া বস্তির বাসিন্দা আব্দুল মালেকের ছেলে।

কুলাউড়া থানা পুলিশ ও বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, মরদেহ হস্তান্তরের জন্য সোমবার বিকেলে চাতলাপুর শুল্ক স্টেশন ও ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট এলাকায় দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর মধ্যে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

কুলাউড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ জহিরুল ইসলাম মুন্না বলেন, “দুই দেশের মধ্যে আইনি প্রক্রিয়া শেষে চাতলাপুর স্থলবন্দর সীমান্ত দিয়ে ভারতীয় পুলিশ কুলাউড়া থানা পুলিশের কাছে তারা মিয়ার মরদেহ হস্তান্তর করেছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে পরিবারের কাছে নিহতের মরদেহ হস্তান্তর করা হয়েছে।”

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এর আগে ৮ আগস্ট দিবাগত রাতে তারা মিয়াসহ ৪-৫ জন বাংলাদেশি যুবক অবৈধভাবে ভারতের অভ্যন্তরে প্রবেশ করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এ সময় বিএসএফের টহল দল তাদের গতিরোধের চেষ্টা করলে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।

একপর্যায়ে বিএসএফ সদস্যরা গুলি চালালে তারা মিয়া ঘটনাস্থলেই নিহত হন বলে জানা গেছে। এ সময় তার সঙ্গে থাকা অন্যরা সেখান থেকে পালিয়ে বাংলাদেশে ফিরে আত্মগোপনে চলে যান।

মরদেহ হস্তান্তরের পর তারা মিয়ার পরিবার ও স্থানীয়দের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। ঘটনার প্রকৃত পরিস্থিতি ও বিএসএফের গুলির কারণ জানতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

সর্বাধিক পঠিত

১২ আগস্ট আকাশে বিরল পূর্ণ সূর্যগ্রহণ, ২৬ বছর পর ইউরোপের মূল ভূখণ্ডে দেখা যাবে মহাজাগতিক দৃশ্য

কুলাউড়া সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে নিহত বাংলাদেশি তরুণের মরদেহ হস্তান্তর

আপডেট: ১০:৫১:০৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬

লভীবাজারের কুলাউড়া সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) এর গুলিতে নিহত বাংলাদেশি তরুণ মো. তারা মিয়ার (১৯) মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

সোমবার (১০ আগস্ট) সন্ধ্যায় উপজেলার চাতলাপুর শুল্ক স্টেশন ও ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট এলাকায় বিজিবি ও বিএসএফের পতাকা বৈঠকের পর ভারতীয় পুলিশ কুলাউড়া থানা পুলিশের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করে। পরে আইনি প্রক্রিয়া শেষে নিহতের পরিবারের কাছে মরদেহ তুলে দেওয়া হয়। তারা মিয়ার বড়ভাই রাজু মিয়া মরদেহ গ্রহণ করেন।

নিহত তারা মিয়া কুলাউড়া উপজেলার কর্মধা ইউনিয়নের মুরইছড়া বস্তির বাসিন্দা আব্দুল মালেকের ছেলে।

কুলাউড়া থানা পুলিশ ও বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, মরদেহ হস্তান্তরের জন্য সোমবার বিকেলে চাতলাপুর শুল্ক স্টেশন ও ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট এলাকায় দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর মধ্যে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

কুলাউড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ জহিরুল ইসলাম মুন্না বলেন, “দুই দেশের মধ্যে আইনি প্রক্রিয়া শেষে চাতলাপুর স্থলবন্দর সীমান্ত দিয়ে ভারতীয় পুলিশ কুলাউড়া থানা পুলিশের কাছে তারা মিয়ার মরদেহ হস্তান্তর করেছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে পরিবারের কাছে নিহতের মরদেহ হস্তান্তর করা হয়েছে।”

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এর আগে ৮ আগস্ট দিবাগত রাতে তারা মিয়াসহ ৪-৫ জন বাংলাদেশি যুবক অবৈধভাবে ভারতের অভ্যন্তরে প্রবেশ করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এ সময় বিএসএফের টহল দল তাদের গতিরোধের চেষ্টা করলে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।

একপর্যায়ে বিএসএফ সদস্যরা গুলি চালালে তারা মিয়া ঘটনাস্থলেই নিহত হন বলে জানা গেছে। এ সময় তার সঙ্গে থাকা অন্যরা সেখান থেকে পালিয়ে বাংলাদেশে ফিরে আত্মগোপনে চলে যান।

মরদেহ হস্তান্তরের পর তারা মিয়ার পরিবার ও স্থানীয়দের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। ঘটনার প্রকৃত পরিস্থিতি ও বিএসএফের গুলির কারণ জানতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।