১১:৪৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৭ অগাস্ট ২০২৬

জাপানের দিকে ধেয়ে আসছে টাইফুন ‘ডলফিন’, সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে আড়াই লাখের বেশি মানুষ

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ১১:৪৭:১১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৭ অগাস্ট ২০২৬
  • ৫০৬

জাপানের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের দিকে ধেয়ে আসছে ক্যাটাগরি-১ শক্তির টাইফুন ‘ডলফিন’। ধীরগতির এ ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে তীব্র বাতাস, ভারি বর্ষণ এবং উত্তাল সাগরের সৃষ্টি হয়েছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় আড়াই লাখেরও বেশি মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে দেশটির প্রশাসন।

বৈরী আবহাওয়ার কারণে অন্তত ৫০০টি ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। একই সঙ্গে অটোমোবাইল নির্মাতা প্রতিষ্ঠান টয়োটা তাদের ৯টি কারখানায় সাময়িকভাবে উৎপাদন কার্যক্রম স্থগিত করেছে।

জাপান আবহাওয়া সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, টাইফুনটির কেন্দ্রের কাছে বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় ১৪৪ কিলোমিটার এবং দমকা হাওয়ার গতিবেগ সর্বোচ্চ ১৯৮ কিলোমিটার পর্যন্ত পৌঁছাচ্ছে।

প্রবালসমৃদ্ধ ওকিনাওয়া ও কাগোশিমা অঞ্চলের দিকে অগ্রসর হওয়া টাইফুনটির কারণে ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসের আশঙ্কা করা হচ্ছে। পাশাপাশি অতিভারি বৃষ্টির একটি নির্দিষ্ট ব্যান্ড সৃষ্টি হওয়ায় ক্ষয়ক্ষতির ঝুঁকি আরও বেড়েছে।

স্থানীয় কর্তৃপক্ষ সতর্ক করে জানিয়েছে, প্রবল বাতাসে জেনারেটর, কাঁচা-পাকা ঘরবাড়ি এবং অন্যান্য অবকাঠামোর ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হতে পারে। তাই ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার বাসিন্দাদের দ্রুত নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

টাইফুনের প্রভাব ইতোমধ্যে জাপানের দক্ষিণাঞ্চলের প্রধান দ্বীপ কিউশুতেও পড়তে শুরু করেছে। বিশেষ করে কুমামোতো অঞ্চলে গত সপ্তাহে ৭ দশমিক ১ মাত্রার ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত প্রায় সাত হাজার মানুষ এখনও আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান করছেন।

এর মধ্যে ঝড়ের পাশাপাশি ওই অঞ্চলে সর্বোচ্চ ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রার পূর্বাভাস থাকায় দুর্গতদের জন্য হিটস্ট্রোকের ঝুঁকিও বেড়েছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলজুড়ে জরুরি সেবা সংস্থাগুলোকে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রাখা হয়েছে।

সর্বাধিক পঠিত

জাপানের দিকে ধেয়ে আসছে টাইফুন ‘ডলফিন’, সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে আড়াই লাখের বেশি মানুষ

জাপানের দিকে ধেয়ে আসছে টাইফুন ‘ডলফিন’, সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে আড়াই লাখের বেশি মানুষ

আপডেট: ১১:৪৭:১১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৭ অগাস্ট ২০২৬

জাপানের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের দিকে ধেয়ে আসছে ক্যাটাগরি-১ শক্তির টাইফুন ‘ডলফিন’। ধীরগতির এ ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে তীব্র বাতাস, ভারি বর্ষণ এবং উত্তাল সাগরের সৃষ্টি হয়েছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় আড়াই লাখেরও বেশি মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে দেশটির প্রশাসন।

বৈরী আবহাওয়ার কারণে অন্তত ৫০০টি ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। একই সঙ্গে অটোমোবাইল নির্মাতা প্রতিষ্ঠান টয়োটা তাদের ৯টি কারখানায় সাময়িকভাবে উৎপাদন কার্যক্রম স্থগিত করেছে।

জাপান আবহাওয়া সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, টাইফুনটির কেন্দ্রের কাছে বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় ১৪৪ কিলোমিটার এবং দমকা হাওয়ার গতিবেগ সর্বোচ্চ ১৯৮ কিলোমিটার পর্যন্ত পৌঁছাচ্ছে।

প্রবালসমৃদ্ধ ওকিনাওয়া ও কাগোশিমা অঞ্চলের দিকে অগ্রসর হওয়া টাইফুনটির কারণে ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসের আশঙ্কা করা হচ্ছে। পাশাপাশি অতিভারি বৃষ্টির একটি নির্দিষ্ট ব্যান্ড সৃষ্টি হওয়ায় ক্ষয়ক্ষতির ঝুঁকি আরও বেড়েছে।

স্থানীয় কর্তৃপক্ষ সতর্ক করে জানিয়েছে, প্রবল বাতাসে জেনারেটর, কাঁচা-পাকা ঘরবাড়ি এবং অন্যান্য অবকাঠামোর ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হতে পারে। তাই ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার বাসিন্দাদের দ্রুত নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

টাইফুনের প্রভাব ইতোমধ্যে জাপানের দক্ষিণাঞ্চলের প্রধান দ্বীপ কিউশুতেও পড়তে শুরু করেছে। বিশেষ করে কুমামোতো অঞ্চলে গত সপ্তাহে ৭ দশমিক ১ মাত্রার ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত প্রায় সাত হাজার মানুষ এখনও আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান করছেন।

এর মধ্যে ঝড়ের পাশাপাশি ওই অঞ্চলে সর্বোচ্চ ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রার পূর্বাভাস থাকায় দুর্গতদের জন্য হিটস্ট্রোকের ঝুঁকিও বেড়েছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলজুড়ে জরুরি সেবা সংস্থাগুলোকে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রাখা হয়েছে।