০৮:৩৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬

বিএডিসির সার গুদাম প্রকল্পে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ, তদন্তের দাবি

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৭:৫৪:৫০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬
  • ৫১০

বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশনের (বিএডিসি) ‘বিদ্যমান সার গুদামসমূহের রক্ষণাবেক্ষণ, পুনর্বাসন এবং নতুন গুদাম নির্মাণের মাধ্যমে সার ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম জোরদারকরণ (২য় পর্যায়)’ প্রকল্পে অনিয়ম, দুর্নীতি ও নিম্নমানের কাজের অভিযোগ উঠেছে। প্রকল্প পরিচালক (পিডি) মো. মুজিবুর রহমান খানের বিরুদ্ধে ঠিকাদার নিয়োগে অনিয়ম, কমিশন গ্রহণ এবং প্রকল্প বাস্তবায়নে ব্যর্থতার অভিযোগ করেছেন একাধিক সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও ঠিকাদার।

অভিযোগে বলা হয়েছে, ২০১৯ সালের জুলাইয়ে শুরু হওয়া এবং ২০২৬ সালের জুনে শেষ হওয়ার কথা থাকা প্রায় ৩৫০ কোটি ৮৮ লাখ টাকা ব্যয়ের প্রকল্পটি নির্ধারিত সময়ে শতভাগ বাস্তবায়ন হয়নি। এর ফলে প্রকল্পের উদ্দেশ্য অনুযায়ী সার সংরক্ষণ ও সরবরাহ ব্যবস্থার উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত হয়েছে বলে অভিযোগকারীদের দাবি।

সূত্রগুলোর দাবি, প্রকল্পের আওতায় বিভিন্ন নির্মাণ ও সংস্কারকাজে দরপত্র প্রক্রিয়ায় অনিয়ম, নির্দিষ্ট ঠিকাদারদের সুবিধা প্রদান এবং কমিশন নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া কয়েকটি জেলার গুদাম নির্মাণ ও সংস্কারকাজে নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগও করা হয়েছে।

অভিযোগ অনুযায়ী, রংপুর, দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁও, সিরাজগঞ্জ, চুয়াডাঙ্গা, নেত্রকোনা, ময়মনসিংহ, মানিকগঞ্জসহ বিভিন্ন জেলায় বাস্তবায়িত বা চলমান প্রকল্পগুলোর কাজ সরেজমিনে তদন্ত করলে অনিয়মের চিত্র বেরিয়ে আসবে বলে দাবি করেছেন সংশ্লিষ্টরা।

প্রকল্পটির উদ্দেশ্য ছিল সার সংরক্ষণ সক্ষমতা বৃদ্ধি, কৃষকদের সময়মতো সার সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং সার ব্যবস্থাপনা বিভাগের অবকাঠামোগত সক্ষমতা উন্নয়ন। তবে অভিযোগকারীদের ভাষ্য, এসব লক্ষ্য পুরোপুরি অর্জিত হয়নি।

এ বিষয়ে প্রকল্প পরিচালক মো. মুজিবুর রহমান খান বা বিএডিসির ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তাদের বক্তব্য জানতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

অভিযোগগুলোর বিষয়ে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

 

সর্বাধিক পঠিত

অসুস্থ সাবিরা নাজমুল এমপিকে দেখতে বাসভবনে শার্শা-বেনাপোল বিএনপির নেতারা

বিএডিসির সার গুদাম প্রকল্পে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ, তদন্তের দাবি

আপডেট: ০৭:৫৪:৫০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬

বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশনের (বিএডিসি) ‘বিদ্যমান সার গুদামসমূহের রক্ষণাবেক্ষণ, পুনর্বাসন এবং নতুন গুদাম নির্মাণের মাধ্যমে সার ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম জোরদারকরণ (২য় পর্যায়)’ প্রকল্পে অনিয়ম, দুর্নীতি ও নিম্নমানের কাজের অভিযোগ উঠেছে। প্রকল্প পরিচালক (পিডি) মো. মুজিবুর রহমান খানের বিরুদ্ধে ঠিকাদার নিয়োগে অনিয়ম, কমিশন গ্রহণ এবং প্রকল্প বাস্তবায়নে ব্যর্থতার অভিযোগ করেছেন একাধিক সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও ঠিকাদার।

অভিযোগে বলা হয়েছে, ২০১৯ সালের জুলাইয়ে শুরু হওয়া এবং ২০২৬ সালের জুনে শেষ হওয়ার কথা থাকা প্রায় ৩৫০ কোটি ৮৮ লাখ টাকা ব্যয়ের প্রকল্পটি নির্ধারিত সময়ে শতভাগ বাস্তবায়ন হয়নি। এর ফলে প্রকল্পের উদ্দেশ্য অনুযায়ী সার সংরক্ষণ ও সরবরাহ ব্যবস্থার উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত হয়েছে বলে অভিযোগকারীদের দাবি।

সূত্রগুলোর দাবি, প্রকল্পের আওতায় বিভিন্ন নির্মাণ ও সংস্কারকাজে দরপত্র প্রক্রিয়ায় অনিয়ম, নির্দিষ্ট ঠিকাদারদের সুবিধা প্রদান এবং কমিশন নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া কয়েকটি জেলার গুদাম নির্মাণ ও সংস্কারকাজে নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগও করা হয়েছে।

অভিযোগ অনুযায়ী, রংপুর, দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁও, সিরাজগঞ্জ, চুয়াডাঙ্গা, নেত্রকোনা, ময়মনসিংহ, মানিকগঞ্জসহ বিভিন্ন জেলায় বাস্তবায়িত বা চলমান প্রকল্পগুলোর কাজ সরেজমিনে তদন্ত করলে অনিয়মের চিত্র বেরিয়ে আসবে বলে দাবি করেছেন সংশ্লিষ্টরা।

প্রকল্পটির উদ্দেশ্য ছিল সার সংরক্ষণ সক্ষমতা বৃদ্ধি, কৃষকদের সময়মতো সার সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং সার ব্যবস্থাপনা বিভাগের অবকাঠামোগত সক্ষমতা উন্নয়ন। তবে অভিযোগকারীদের ভাষ্য, এসব লক্ষ্য পুরোপুরি অর্জিত হয়নি।

এ বিষয়ে প্রকল্প পরিচালক মো. মুজিবুর রহমান খান বা বিএডিসির ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তাদের বক্তব্য জানতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

অভিযোগগুলোর বিষয়ে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।