১২:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬

আর্জেন্টিনার কাছে হারের পর বিস্ফোরক অভিযোগ মিশরের, ‘পাতানো ম্যাচ’ দাবি কোচের

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ১০:১৮:০৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৮ জুলাই ২০২৬
  • ৫০২

আর্জেন্টিনা ও মিশরের মধ্যকার রোমাঞ্চকর ম্যাচে ছয়টি গোল হলেও শেষ পর্যন্ত আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে রেফারিং বিতর্ক। নাটকীয় প্রত্যাবর্তনে আর্জেন্টিনা জয় তুলে নিলেও ম্যাচ শেষে ফিফা ও ম্যাচ পরিচালনা নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন মিশরের খেলোয়াড় ও কোচিং স্টাফ।

ম্যাচের ৫৮তম মিনিটে মোস্তফা জিকো মিশরের হয়ে দ্বিতীয় গোল করে দলকে এগিয়ে দেন। তবে ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি (ভিএআর) পর্যালোচনার পর গোলটি বাতিল করা হয়। এই সিদ্ধান্ত ঘিরেই শুরু হয় বিতর্ক।

ম্যাচ শেষে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়ায় মোস্তফা জিকো বলেন,
“আল্লাহই আমাদের জন্য যথেষ্ট, তিনিই সর্বোত্তম অভিভাবক। তিনি পুরো একটি দেশের পরিশ্রম নষ্ট করে দিয়েছেন। এই বিশ্বকাপ আর্জেন্টিনার জন্যই নির্ধারিত।”

রেফারির সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তোলেন মিশরের প্রধান কোচ হোসাম হোসেনও। তিনি দাবি করেন, ম্যাচে জয় পাওয়ার যোগ্য ছিল তার দল।

হোসাম বলেন,
“আর্জেন্টিনা ম্যাচের আগে রেফারির ওপর চাপ সৃষ্টি করেছিল, কারণ তিনি ফরাসি। ম্যাচের আগে একটি পরিবেশ তৈরি করা হয়েছিল এবং এর ফল আমাদের ভোগ করতে হয়েছে। ম্যাচের আগে ও ম্যাচ চলাকালীন দুই সময়েই ফলাফল প্রভাবিত হয়েছে।”

মিশরের কোচের অভিযোগ, তাদের একটি পরিষ্কার পেনাল্টি দেওয়া হয়নি এবং সেই ঘটনাটি ভিএআরেও পর্যালোচনা করা হয়নি। পাশাপাশি মোস্তফা জিকোর করা দ্বিতীয় গোলটি অযৌক্তিকভাবে বাতিল করা হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।

তিনি আরও বলেন,
“জীবন কখনো কখনো বড় নির্মম।”

সবচেয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য আসে ম্যাচ পাতানোর অভিযোগ তুলে। হোসাম হোসেন বলেন,
“পরিণতি যাই হোক, আমি আমার মত বলব। এটি স্পষ্টভাবেই পাতানো ম্যাচ ছিল, সবাই তা দেখেছে।”

এ সময় তিনি প্রশ্ন তোলেন,
“যদি আর্জেন্টিনাকেই জেতাতে চাওয়া হয়ে থাকে, তাহলে আমাদের এখানে খেলতে ডাকা হলো কেন?”

তবে ম্যাচ-পরবর্তী সময় পর্যন্ত মিশরের এসব অভিযোগের বিষয়ে ফিফা বা ম্যাচ পরিচালনাকারী কর্মকর্তাদের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি। অভিযোগগুলোর স্বাধীনভাবে সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

সর্বাধিক পঠিত

কক্সবাজারে ভয়াবহ বন্যা ও পাহাড়ধস: ১২ জনের মৃত্যু, প্লাবিত ৩৩ ইউনিয়ন

আর্জেন্টিনার কাছে হারের পর বিস্ফোরক অভিযোগ মিশরের, ‘পাতানো ম্যাচ’ দাবি কোচের

আপডেট: ১০:১৮:০৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৮ জুলাই ২০২৬

আর্জেন্টিনা ও মিশরের মধ্যকার রোমাঞ্চকর ম্যাচে ছয়টি গোল হলেও শেষ পর্যন্ত আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে রেফারিং বিতর্ক। নাটকীয় প্রত্যাবর্তনে আর্জেন্টিনা জয় তুলে নিলেও ম্যাচ শেষে ফিফা ও ম্যাচ পরিচালনা নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন মিশরের খেলোয়াড় ও কোচিং স্টাফ।

ম্যাচের ৫৮তম মিনিটে মোস্তফা জিকো মিশরের হয়ে দ্বিতীয় গোল করে দলকে এগিয়ে দেন। তবে ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি (ভিএআর) পর্যালোচনার পর গোলটি বাতিল করা হয়। এই সিদ্ধান্ত ঘিরেই শুরু হয় বিতর্ক।

ম্যাচ শেষে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়ায় মোস্তফা জিকো বলেন,
“আল্লাহই আমাদের জন্য যথেষ্ট, তিনিই সর্বোত্তম অভিভাবক। তিনি পুরো একটি দেশের পরিশ্রম নষ্ট করে দিয়েছেন। এই বিশ্বকাপ আর্জেন্টিনার জন্যই নির্ধারিত।”

রেফারির সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তোলেন মিশরের প্রধান কোচ হোসাম হোসেনও। তিনি দাবি করেন, ম্যাচে জয় পাওয়ার যোগ্য ছিল তার দল।

হোসাম বলেন,
“আর্জেন্টিনা ম্যাচের আগে রেফারির ওপর চাপ সৃষ্টি করেছিল, কারণ তিনি ফরাসি। ম্যাচের আগে একটি পরিবেশ তৈরি করা হয়েছিল এবং এর ফল আমাদের ভোগ করতে হয়েছে। ম্যাচের আগে ও ম্যাচ চলাকালীন দুই সময়েই ফলাফল প্রভাবিত হয়েছে।”

মিশরের কোচের অভিযোগ, তাদের একটি পরিষ্কার পেনাল্টি দেওয়া হয়নি এবং সেই ঘটনাটি ভিএআরেও পর্যালোচনা করা হয়নি। পাশাপাশি মোস্তফা জিকোর করা দ্বিতীয় গোলটি অযৌক্তিকভাবে বাতিল করা হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।

তিনি আরও বলেন,
“জীবন কখনো কখনো বড় নির্মম।”

সবচেয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য আসে ম্যাচ পাতানোর অভিযোগ তুলে। হোসাম হোসেন বলেন,
“পরিণতি যাই হোক, আমি আমার মত বলব। এটি স্পষ্টভাবেই পাতানো ম্যাচ ছিল, সবাই তা দেখেছে।”

এ সময় তিনি প্রশ্ন তোলেন,
“যদি আর্জেন্টিনাকেই জেতাতে চাওয়া হয়ে থাকে, তাহলে আমাদের এখানে খেলতে ডাকা হলো কেন?”

তবে ম্যাচ-পরবর্তী সময় পর্যন্ত মিশরের এসব অভিযোগের বিষয়ে ফিফা বা ম্যাচ পরিচালনাকারী কর্মকর্তাদের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি। অভিযোগগুলোর স্বাধীনভাবে সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি।