১১:৫৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

যশোরে কিশোরীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৩:৪৮:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬
  • ৫৫৬

যশোর সদর উপজেলার নরেন্দ্রপুর এলাকায় তাসফিয়া ফাতেমা মাহি (১৭) নামে এক কিশোরীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। পরিবারের অভিযোগ, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে উত্যক্তের ঘটনায় মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে সে আত্মহত্যা করেছে। তবে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত চলছে।

মঙ্গলবার (২৩ জুন) ভোর ৫টার দিকে সদর উপজেলার শ্রীপদ্দি নরেন্দ্রপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত তাসফিয়া ফাতেমা মাহি ওই গ্রামের রুহুল আমিনের মেয়ে।

পরিবারের সদস্যদের দাবি, পাশের বাড়ির বাসিন্দা ওমর ফারুক (৩৫) নামের এক ব্যক্তি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মাহিকে বিভিন্নভাবে বিরক্ত ও উত্যক্ত করতেন। এ কারণে মাহি দীর্ঘদিন ধরে মানসিক চাপে ছিলেন বলে পরিবারের সদস্যরা জানান।

স্বজনরা জানান, মঙ্গলবার ভোরে মাহিকে তার নিজ কক্ষে ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেঁচানো অবস্থায় দেখতে পান। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় বিষয়টি সংশ্লিষ্টদের জানানো হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, খবর পেয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধারের প্রক্রিয়া শুরু করেন।

তবে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এবং পরিবারের উত্থাপিত অভিযোগের সত্যতা তদন্ত ছাড়া নিশ্চিত হওয়া সম্ভব নয়। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তীতে জানানো হবে।

স্থানীয়দের দাবি, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হয়রানি ও অনলাইন উত্যক্তের মতো ঘটনা প্রতিরোধে আরও সচেতনতা এবং দ্রুত আইনি পদক্ষেপ প্রয়োজন।

সর্বাধিক পঠিত

চৌগাছা কাঁচাবাজারে ১৮ অবৈধ দোকান, জায়গা না পেয়ে ফিরছেন কৃষক-ব্যাপারী

যশোরে কিশোরীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

আপডেট: ০৩:৪৮:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬

যশোর সদর উপজেলার নরেন্দ্রপুর এলাকায় তাসফিয়া ফাতেমা মাহি (১৭) নামে এক কিশোরীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। পরিবারের অভিযোগ, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে উত্যক্তের ঘটনায় মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে সে আত্মহত্যা করেছে। তবে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত চলছে।

মঙ্গলবার (২৩ জুন) ভোর ৫টার দিকে সদর উপজেলার শ্রীপদ্দি নরেন্দ্রপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত তাসফিয়া ফাতেমা মাহি ওই গ্রামের রুহুল আমিনের মেয়ে।

পরিবারের সদস্যদের দাবি, পাশের বাড়ির বাসিন্দা ওমর ফারুক (৩৫) নামের এক ব্যক্তি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মাহিকে বিভিন্নভাবে বিরক্ত ও উত্যক্ত করতেন। এ কারণে মাহি দীর্ঘদিন ধরে মানসিক চাপে ছিলেন বলে পরিবারের সদস্যরা জানান।

স্বজনরা জানান, মঙ্গলবার ভোরে মাহিকে তার নিজ কক্ষে ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেঁচানো অবস্থায় দেখতে পান। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় বিষয়টি সংশ্লিষ্টদের জানানো হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, খবর পেয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধারের প্রক্রিয়া শুরু করেন।

তবে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এবং পরিবারের উত্থাপিত অভিযোগের সত্যতা তদন্ত ছাড়া নিশ্চিত হওয়া সম্ভব নয়। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তীতে জানানো হবে।

স্থানীয়দের দাবি, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হয়রানি ও অনলাইন উত্যক্তের মতো ঘটনা প্রতিরোধে আরও সচেতনতা এবং দ্রুত আইনি পদক্ষেপ প্রয়োজন।