০৫:৩৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬

কেশবপুরে ডায়রিয়ার প্রকোপ বৃদ্ধি, এক সপ্তাহে হাসপাতালে ভর্তি ১১১ জন

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ১১:১৩:০৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ মে ২০২৬
  • ৫১৪

যশোরের কেশবপুর উপজেলায় ব্যাপক হারে ডায়রিয়ার প্রকোপ ছড়িয়ে পড়েছে। প্রতিদিনই আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। বুধবার (০৬ মে) নতুন করে আরও ২৬ জন ডায়রিয়া আক্রান্ত রোগী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হয়েছেন। এ নিয়ে গত এক সপ্তাহে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১১১ জনে।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, আক্রান্তদের মধ্যে শিশু ও বয়স্ক ব্যক্তির সংখ্যাই বেশি। বুধবার হাসপাতালে গিয়ে দেখা যায়, ডায়রিয়া ওয়ার্ডে রোগীদের উপচে পড়া ভিড়। শয্যা সংকটের কারণে অনেক রোগীকেই বারান্দায় চিকিৎসা নিতে হচ্ছে।

গত ২৪ ঘণ্টায় ভর্তি হওয়া রোগীদের মধ্যে রয়েছেন উপজেলার মূলগ্রামের মফিজুর রহমান (৩৫), মোবারেক গাজী (৬৫), কাঁস্তা গ্রামের নাফিজ (২৫), হাবাসপোল গ্রামের জাহিদুল ইসলাম (৩০), কলাগাছি গ্রামের ফিরোজা খাতুন (৫০), ব্রহ্মকাটি গ্রামের মোমেনা খাতুন (৬০) এবং পার্শ্ববর্তী মণিরামপুর উপজেলার খাজুরা গ্রামের সালেহা খাতুন (৫০), দূর্বাডাঙ্গা গ্রামের আয়শা খাতুন (৭) ও মনোহরপুর গ্রামের রাকিব হাসান (৫ মাস)সহ মোট ২৬ জন।

স্থানীয়রা জানান, তীব্র গরম, বিশুদ্ধ পানির সংকট এবং অস্বাস্থ্যকর খাবার গ্রহণের কারণে ডায়রিয়ার প্রকোপ বেড়ে যেতে পারে। বিশেষ করে শিশু ও বৃদ্ধরা বেশি আক্রান্ত হচ্ছেন।

৫০ শয্যাবিশিষ্ট কেশবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রোগীর চাপ বাড়ায় চিকিৎসা সেবা ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, প্রতিদিন রোগীর সংখ্যা বাড়তে থাকলে স্যালাইন ও প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সামগ্রীর সংকট তৈরি হতে পারে।

এ বিষয়ে ডা. রেহেনেওয়াজ বলেন,
“হাসপাতালে ডায়রিয়া রোগীর সংখ্যা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ২৬ জন ভর্তি হয়েছেন। এক সপ্তাহে মোট ১১১ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন। রোগীর চাপ আরও বাড়লে স্যালাইনের সংকট দেখা দিতে পারে।”

তিনি সবাইকে বিশুদ্ধ পানি পান, খাবারের আগে হাত ধোয়া এবং বাসি বা খোলা খাবার এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেন। পাশাপাশি ডায়রিয়ার উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়ার আহ্বান জানান।

বেনাপোল কাস্টমসের অভিযানে আটক ৭৩০ কেজি ভারতীয় রুই মাছ প্রকাশ্যে নিলাম

কেশবপুরে ডায়রিয়ার প্রকোপ বৃদ্ধি, এক সপ্তাহে হাসপাতালে ভর্তি ১১১ জন

আপডেট: ১১:১৩:০৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ মে ২০২৬

যশোরের কেশবপুর উপজেলায় ব্যাপক হারে ডায়রিয়ার প্রকোপ ছড়িয়ে পড়েছে। প্রতিদিনই আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। বুধবার (০৬ মে) নতুন করে আরও ২৬ জন ডায়রিয়া আক্রান্ত রোগী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হয়েছেন। এ নিয়ে গত এক সপ্তাহে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১১১ জনে।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, আক্রান্তদের মধ্যে শিশু ও বয়স্ক ব্যক্তির সংখ্যাই বেশি। বুধবার হাসপাতালে গিয়ে দেখা যায়, ডায়রিয়া ওয়ার্ডে রোগীদের উপচে পড়া ভিড়। শয্যা সংকটের কারণে অনেক রোগীকেই বারান্দায় চিকিৎসা নিতে হচ্ছে।

গত ২৪ ঘণ্টায় ভর্তি হওয়া রোগীদের মধ্যে রয়েছেন উপজেলার মূলগ্রামের মফিজুর রহমান (৩৫), মোবারেক গাজী (৬৫), কাঁস্তা গ্রামের নাফিজ (২৫), হাবাসপোল গ্রামের জাহিদুল ইসলাম (৩০), কলাগাছি গ্রামের ফিরোজা খাতুন (৫০), ব্রহ্মকাটি গ্রামের মোমেনা খাতুন (৬০) এবং পার্শ্ববর্তী মণিরামপুর উপজেলার খাজুরা গ্রামের সালেহা খাতুন (৫০), দূর্বাডাঙ্গা গ্রামের আয়শা খাতুন (৭) ও মনোহরপুর গ্রামের রাকিব হাসান (৫ মাস)সহ মোট ২৬ জন।

স্থানীয়রা জানান, তীব্র গরম, বিশুদ্ধ পানির সংকট এবং অস্বাস্থ্যকর খাবার গ্রহণের কারণে ডায়রিয়ার প্রকোপ বেড়ে যেতে পারে। বিশেষ করে শিশু ও বৃদ্ধরা বেশি আক্রান্ত হচ্ছেন।

৫০ শয্যাবিশিষ্ট কেশবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রোগীর চাপ বাড়ায় চিকিৎসা সেবা ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, প্রতিদিন রোগীর সংখ্যা বাড়তে থাকলে স্যালাইন ও প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সামগ্রীর সংকট তৈরি হতে পারে।

এ বিষয়ে ডা. রেহেনেওয়াজ বলেন,
“হাসপাতালে ডায়রিয়া রোগীর সংখ্যা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ২৬ জন ভর্তি হয়েছেন। এক সপ্তাহে মোট ১১১ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন। রোগীর চাপ আরও বাড়লে স্যালাইনের সংকট দেখা দিতে পারে।”

তিনি সবাইকে বিশুদ্ধ পানি পান, খাবারের আগে হাত ধোয়া এবং বাসি বা খোলা খাবার এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেন। পাশাপাশি ডায়রিয়ার উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়ার আহ্বান জানান।