০৬:৪৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬

বুথফেরত সমীক্ষায় বিজেপির জয়ের আভাস, ফল মানতে নারাজ মমতা

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ১০:২৯:৪১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১ মে ২০২৬
  • ৫১৮

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শেষ হতেই দানা বাঁধতে শুরু করেছে নানা সমীকরণ। বিভিন্ন সংস্থার বুথফেরত সমীক্ষায় (এক্সিট পোল) এবার রাজ্যটিতে বিজেপির অভাবনীয় জয়ের ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। অধিকাংশ সমীক্ষাই বলছে, বিজেপি সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য প্রয়োজনীয় ১৪৮টি আসনের ‘ম্যাজিক ফিগার’ অতিক্রম করে গেছে। তবে এই ফলাফলকে পুরোপুরি প্রত্যাখ্যান করে ক্ষমতাসীন তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেছেন, বিজেপি টাকা দিয়ে সংবাদমাধ্যমকে দিয়ে এই মিথ্যা তথ্য প্রচার করাচ্ছে।
বিভিন্ন সংস্থার জরিপে ফলাফলের ভিন্নতা থাকলেও হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের আভাস স্পষ্ট:
বিজেপি ১৪৬-১৬১, তৃণমূল ১২৫-১৪০ আসন। বিজেপি ১৫০-১৬০, তৃণমূল ১৩০-১৪০ আসন।
এই দুই সংস্থাই বিজেপিকে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা দিয়েছে (সর্বোচ্চ ২০৮ আসন)।
বিপরীতে এই দুই সংস্থা তৃণমূলকে বড় ব্যবধানে এগিয়ে রেখেছে, যেখানে তৃণমূল ১৯৫ থেকে ২০৫টি আসন পেতে পারে বলে দাবি করা হয়েছে।

এক ভিডিওবার্তায় তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “টিভি চ্যানেলগুলো যা দেখাচ্ছে তা বিজেপির অফিস থেকে দেওয়া সার্কুলার। মানুষ যেভাবে রোদে পুড়ে ভোট দিয়েছেন, তাতে আমি নিশ্চিত তৃণমূল ২২৬ থেকে ২৩০টি আসন পাবে।” তিনি অভিযোগ করেন, কেন্দ্রীয় বাহিনী এবং স্থানীয় পুলিশের দমন-পীড়নের মাঝেও তৃণমূল কর্মীরা বীরত্ব দেখিয়েছেন।

এবারের নির্বাচনে পশ্চিমবঙ্গ এক অনন্য ইতিহাস সৃষ্টি করেছে। নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, ২০২১ সালের তুলনায় ভোটার সংখ্যা ৫১ লাখ কমলেও ভোট পড়েছে ৩০ লাখেরও বেশি। রাত ১২টা পর্যন্ত পাওয়া তথ্যমতে, ভোটদানের হার দাঁড়িয়েছে ৯২.৯৩ শতাংশ, যা পশ্চিমবঙ্গের তো বটেই, পুরো ভারতের বিধানসভা নির্বাচনের ইতিহাসে সর্বোচ্চ রেকর্ড।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, যারা সাধারণত ভোট দেন না বা দিতে পারতেন না, এবার তাদের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতিই ভোটের হারে এমন প্রভাব ফেলেছে। এই বিপুল সংখ্যক ‘নীরব ভোটারদের’ সমর্থন যেদিকে যাবে, তারাই পশ্চিমবঙ্গের আগামী চার বছরের ভাগ্য নির্ধারণ করবে। বুথফেরত সমীক্ষা যাই বলুক না কেন, শেষ পর্যন্ত কে মসনদে বসবে তা জানতে এখন ফল প্রকাশের অপেক্ষা।

সর্বাধিক পঠিত

মহান মে দিবসে নয়াপল্টনে শ্রমিক সমাবেশে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

বুথফেরত সমীক্ষায় বিজেপির জয়ের আভাস, ফল মানতে নারাজ মমতা

আপডেট: ১০:২৯:৪১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১ মে ২০২৬

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শেষ হতেই দানা বাঁধতে শুরু করেছে নানা সমীকরণ। বিভিন্ন সংস্থার বুথফেরত সমীক্ষায় (এক্সিট পোল) এবার রাজ্যটিতে বিজেপির অভাবনীয় জয়ের ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। অধিকাংশ সমীক্ষাই বলছে, বিজেপি সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য প্রয়োজনীয় ১৪৮টি আসনের ‘ম্যাজিক ফিগার’ অতিক্রম করে গেছে। তবে এই ফলাফলকে পুরোপুরি প্রত্যাখ্যান করে ক্ষমতাসীন তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেছেন, বিজেপি টাকা দিয়ে সংবাদমাধ্যমকে দিয়ে এই মিথ্যা তথ্য প্রচার করাচ্ছে।
বিভিন্ন সংস্থার জরিপে ফলাফলের ভিন্নতা থাকলেও হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের আভাস স্পষ্ট:
বিজেপি ১৪৬-১৬১, তৃণমূল ১২৫-১৪০ আসন। বিজেপি ১৫০-১৬০, তৃণমূল ১৩০-১৪০ আসন।
এই দুই সংস্থাই বিজেপিকে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা দিয়েছে (সর্বোচ্চ ২০৮ আসন)।
বিপরীতে এই দুই সংস্থা তৃণমূলকে বড় ব্যবধানে এগিয়ে রেখেছে, যেখানে তৃণমূল ১৯৫ থেকে ২০৫টি আসন পেতে পারে বলে দাবি করা হয়েছে।

এক ভিডিওবার্তায় তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “টিভি চ্যানেলগুলো যা দেখাচ্ছে তা বিজেপির অফিস থেকে দেওয়া সার্কুলার। মানুষ যেভাবে রোদে পুড়ে ভোট দিয়েছেন, তাতে আমি নিশ্চিত তৃণমূল ২২৬ থেকে ২৩০টি আসন পাবে।” তিনি অভিযোগ করেন, কেন্দ্রীয় বাহিনী এবং স্থানীয় পুলিশের দমন-পীড়নের মাঝেও তৃণমূল কর্মীরা বীরত্ব দেখিয়েছেন।

এবারের নির্বাচনে পশ্চিমবঙ্গ এক অনন্য ইতিহাস সৃষ্টি করেছে। নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, ২০২১ সালের তুলনায় ভোটার সংখ্যা ৫১ লাখ কমলেও ভোট পড়েছে ৩০ লাখেরও বেশি। রাত ১২টা পর্যন্ত পাওয়া তথ্যমতে, ভোটদানের হার দাঁড়িয়েছে ৯২.৯৩ শতাংশ, যা পশ্চিমবঙ্গের তো বটেই, পুরো ভারতের বিধানসভা নির্বাচনের ইতিহাসে সর্বোচ্চ রেকর্ড।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, যারা সাধারণত ভোট দেন না বা দিতে পারতেন না, এবার তাদের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতিই ভোটের হারে এমন প্রভাব ফেলেছে। এই বিপুল সংখ্যক ‘নীরব ভোটারদের’ সমর্থন যেদিকে যাবে, তারাই পশ্চিমবঙ্গের আগামী চার বছরের ভাগ্য নির্ধারণ করবে। বুথফেরত সমীক্ষা যাই বলুক না কেন, শেষ পর্যন্ত কে মসনদে বসবে তা জানতে এখন ফল প্রকাশের অপেক্ষা।