যশোরের বিরামপুরে ধর্ষণের শিকার নয় বছরের এক শিশুর পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছে বিএনপির “নিপীড়িত নারী ও শিশুদের আইনি ও স্বাস্থ্য সহায়তা সেল”। দলটির শীর্ষ নেতা তারেক রহমান এবং বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত-এর নির্দেশে সেলের সদস্যরা ভুক্তভোগী পরিবারের বাড়িতে গিয়ে খোঁজখবর নেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন নগর বিএনপির আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট শামস ইমরান এবং জেলা মহিলা দলের দপ্তর সম্পাদক অ্যাডভোকেট মৌলুদা পারভিন। তারা শিশুটির বাবা-মা ও স্বজনদের সঙ্গে কথা বলেন এবং পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান।
সেলের সদস্যরা জানান, ভুক্তভোগী শিশুর চিকিৎসা, আইনি সহায়তা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে তারা সম্পূর্ণ বিনামূল্যে সহযোগিতা করবেন। একইসঙ্গে ভবিষ্যতেও পরিবারটির পাশে থাকার আশ্বাস দেন তারা।
অ্যাডভোকেট শামস ইমরান বলেন,
“শিশুটি যেন সঠিক বিচার পায়, সে জন্য আমরা সর্বোচ্চ আইনি সহায়তা দেব। অপরাধী যেই হোক, তাকে আইনের আওতায় আনতে হবে।”
এদিকে শিশুটির বাবা-মা অভিযুক্তকে দ্রুত গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। তারা অভিযোগ করেন, ঘটনার পর মামলা না করার জন্য বিভিন্নভাবে চাপ প্রয়োগের চেষ্টা করা হয়েছিল। তবে কোতোয়ালি থানা পুলিশের হস্তক্ষেপে সেই চেষ্টা ব্যর্থ হয়।
জানা গেছে, গত ২৯ এপ্রিল বুধবার দুপুরে বিরামপুরের সাইকেল হাট এলাকায় ওই শিশু তার দুই ভাইয়ের সঙ্গে খেলছিল। এ সময় ড্রাইভার ফিরোজ নামের এক ব্যক্তি তাকে একটি পরিত্যক্ত বাড়িতে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ ওঠে। পরে ঘটনাটি জানাজানি হলে অভিযুক্ত পালিয়ে যায়।
ঘটনার পর ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় মামলা দায়ের করা হয়। আদালতে শিশুটির জবানবন্দিও গ্রহণ করা হয়েছে।
এ বিষয়ে মাসুম খান জানান, অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারে পুলিশের একাধিক টিম কাজ করছে। তিনি বলেন,
“আসামিকে দ্রুত আইনের আওতায় আনতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।”
ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। স্থানীয় সচেতন মহল শিশু নির্যাতনের ঘটনায় দ্রুত বিচার নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।




















