০৫:০২ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৬ এপ্রিল ২০২৬

বেনাপোল বন্দরে যাত্রী হয়রানি রোধে ডিবি পুলিশ ও বন্দর কর্তৃপক্ষের যৌথ মহড়া

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৮:১৮:৪১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৬ এপ্রিল ২০২৬
  • ৫১১

দেশের বৃহত্তম স্থলবন্দর বেনাপোলে আন্তর্জাতিক প্যাসেঞ্জার টার্মিনাল এলাকায় পাসপোর্ট যাত্রীদের হয়রানি ও দালালের প্রতারণা বন্ধে বিশেষ যৌথ মহড়া অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার (৫ এপ্রিল) ভোরে যশোর জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ ও বন্দর কর্তৃপক্ষ সম্মিলিতভাবে এই কার্যক্রম পরিচালনা করে।

সকাল সাড়ে ৬টায় শুরু হওয়া এই বিশেষ মহড়ায় যশোর জেলা ডিবি পুলিশের একটি চৌকস দল, বন্দর কর্মকর্তা এবং আনসার সদস্যরা অংশ নেন। টার্মিনাল এলাকাকে দালালমুক্ত করা, প্রতারণা রোধ এবং ভারত-গামী ও ভারত থেকে আসা যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই ছিল এই অভিযানের মূল লক্ষ্য।

* সতর্কতামূলক মাইকিং: অভিযান চলাকালীন মাইকিংয়ের মাধ্যমে যাত্রীদের সচেতন করা হয়। কোনো অপরিচিত ব্যক্তি বা দালালের হাতে পাসপোর্ট না দেওয়া এবং যে কোনো প্রয়োজনে সরাসরি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সহায়তা নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।
* নজরদারি বৃদ্ধি: টার্মিনাল ও এর আশপাশের এলাকায় সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের গতিবিধি নিয়ন্ত্রণে বাহিনীর সদস্যরা বিশেষ তৎপরতা প্রদর্শন করেন।
* নিরাপত্তা বেষ্টনী: সাধারণ যাত্রীদের যাতায়াত নির্বিঘ্ন করতে টার্মিনাল গেট ও স্ক্যানিং মেশিন এলাকায় নজরদারি আরও জোরদার করা হয়েছে।

বেনাপোল স্থলবন্দরের সহকারী পরিচালক (ট্রাফিক) ওবায়দুর রহমান জানান, “যাত্রীসেবার মানোন্নয়ন ও বন্দর এলাকায় একটি নিরাপদ ও স্বস্তিদায়ক পরিবেশ নিশ্চিত করতেই আমরা এই উদ্যোগ নিয়েছি। দালালদের দৌরাত্ম্য ও যাত্রী হয়রানি পুরোপুরি বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত এ ধরনের তদারকি ও বিশেষ মহড়া নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে।”
যশোর জেলা ডিবি পুলিশ সূত্রে জানানো হয়েছে, পবিত্র ঈদুল ফিতর ও উৎসবের মৌসুমে যাত্রীদের চাপ বাড়ে, এই সুযোগে দালালরা যাতে সক্রিয় হতে না পারে সেজন্য গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।

সর্বাধিক পঠিত

পাটগ্রাম সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে কৃষক আহত, পাল্টা ভারতীয় নাগরিককে আটক

বেনাপোল বন্দরে যাত্রী হয়রানি রোধে ডিবি পুলিশ ও বন্দর কর্তৃপক্ষের যৌথ মহড়া

আপডেট: ০৮:১৮:৪১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৬ এপ্রিল ২০২৬

দেশের বৃহত্তম স্থলবন্দর বেনাপোলে আন্তর্জাতিক প্যাসেঞ্জার টার্মিনাল এলাকায় পাসপোর্ট যাত্রীদের হয়রানি ও দালালের প্রতারণা বন্ধে বিশেষ যৌথ মহড়া অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার (৫ এপ্রিল) ভোরে যশোর জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ ও বন্দর কর্তৃপক্ষ সম্মিলিতভাবে এই কার্যক্রম পরিচালনা করে।

সকাল সাড়ে ৬টায় শুরু হওয়া এই বিশেষ মহড়ায় যশোর জেলা ডিবি পুলিশের একটি চৌকস দল, বন্দর কর্মকর্তা এবং আনসার সদস্যরা অংশ নেন। টার্মিনাল এলাকাকে দালালমুক্ত করা, প্রতারণা রোধ এবং ভারত-গামী ও ভারত থেকে আসা যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই ছিল এই অভিযানের মূল লক্ষ্য।

* সতর্কতামূলক মাইকিং: অভিযান চলাকালীন মাইকিংয়ের মাধ্যমে যাত্রীদের সচেতন করা হয়। কোনো অপরিচিত ব্যক্তি বা দালালের হাতে পাসপোর্ট না দেওয়া এবং যে কোনো প্রয়োজনে সরাসরি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সহায়তা নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।
* নজরদারি বৃদ্ধি: টার্মিনাল ও এর আশপাশের এলাকায় সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের গতিবিধি নিয়ন্ত্রণে বাহিনীর সদস্যরা বিশেষ তৎপরতা প্রদর্শন করেন।
* নিরাপত্তা বেষ্টনী: সাধারণ যাত্রীদের যাতায়াত নির্বিঘ্ন করতে টার্মিনাল গেট ও স্ক্যানিং মেশিন এলাকায় নজরদারি আরও জোরদার করা হয়েছে।

বেনাপোল স্থলবন্দরের সহকারী পরিচালক (ট্রাফিক) ওবায়দুর রহমান জানান, “যাত্রীসেবার মানোন্নয়ন ও বন্দর এলাকায় একটি নিরাপদ ও স্বস্তিদায়ক পরিবেশ নিশ্চিত করতেই আমরা এই উদ্যোগ নিয়েছি। দালালদের দৌরাত্ম্য ও যাত্রী হয়রানি পুরোপুরি বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত এ ধরনের তদারকি ও বিশেষ মহড়া নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে।”
যশোর জেলা ডিবি পুলিশ সূত্রে জানানো হয়েছে, পবিত্র ঈদুল ফিতর ও উৎসবের মৌসুমে যাত্রীদের চাপ বাড়ে, এই সুযোগে দালালরা যাতে সক্রিয় হতে না পারে সেজন্য গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।