০৯:১০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬

বাঘারপাড়ায় মসজিদ ভেঙে দেওয়ার অভিযোগে জনরোষ:

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৭:২৭:১৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৪ এপ্রিল ২০২৬
  • ৫২০

যশোরের বাঘারপাড়া উপজেলার রাধানগর-পদ্মবিলা রেলওয়ে জংশন এলাকায় একটি পাঞ্জেগানা মসজিদ ভেঙে দেওয়ার অভিযোগে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে স্থানীয় পরিবেশ। রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের এই আকস্মিক পদক্ষেপে ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী শুক্রবার (৩ এপ্রিল) বিকেলে জংশন প্রাঙ্গণে এক বিশাল মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশের আয়োজন করেন।

পদ্মবিলা রেলওয়ে জংশনটি তার নান্দনিক সৌন্দর্যের জন্য দর্শনার্থীদের কাছে অত্যন্ত আকর্ষণীয় একটি স্থান। তবে জংশন এলাকায় নামাজ আদায়ের কোনো স্থায়ী ব্যবস্থা না থাকায় স্থানীয় বাসিন্দারা সম্প্রতি রেলওয়ের একটি পতিত জমিতে একটি অস্থায়ী পাঞ্জেগানা মসজিদ নির্মাণ করেন। প্রায় এক সপ্তাহ ধরে সেখানে নিয়মিত জামাতে নামাজ আদায় হয়ে আসছিল। কিন্তু গত ৩১ মার্চ, কোনো প্রকার আগাম নোটিশ ছাড়াই রেলওয়ে প্রকল্পের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ মসজিদের অবকাঠামোটি গুঁড়িয়ে দেয়।
প্রতিবাদ সমাবেশের মূল বক্তব্য
শুক্রবার আয়োজিত প্রতিবাদ সমাবেশে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা অংশগ্রহণ করেন। সমাবেশে বক্তব্য রাখেন:
* বিশিষ্ট সমাজসেবক অধ্যাপক মো. আশরাফ আলী
* মাওলানা তবিবুর রহমান
* শহিদুল ইসলাম বুলবুলসহ আরও অনেকে।
বক্তারা তাদের ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন:
> “রেলওয়ের জমিতে অনেক অবৈধ দোকানপাট ও স্থাপনা থাকলেও সেগুলো উচ্ছেদ না করে কেবল আল্লাহর ঘর মসজিদটি ভেঙে ফেলা হয়েছে। এটি স্থানীয় মুসলিম জনতা ও পর্যটকদের ধর্মীয় অনুভূতিতে চরম আঘাত।”
সমাবেশ চলাকালীন এই সংকটের স্থায়ী সমাধানের লক্ষ্যে একটি আশাবাদী ঘোষণা আসে। স্থানীয় বাসিন্দা মোশারফ মোল্লা নতুন মসজিদ নির্মাণের জন্য তার ব্যক্তিগত জমি দান করার প্রতিশ্রুতি দেন।

বিক্ষুব্ধ জনতা সমাবেশ থেকে প্রশাসন ও রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের কাছে দুটি প্রধান দাবি তুলে ধরেন:
১. দ্রুততম সময়ের মধ্যে মসজিদটি পুনর্নির্মাণ করতে হবে।
২. স্থায়ী মসজিদ নির্মাণের কাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত জংশন এলাকায় অস্থায়ীভাবে নামাজ পড়ার সুব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।

সর্বাধিক পঠিত

যুক্তরাষ্ট্রের চাপের মুখে আলোচনা নয়: কঠোর বার্তা ইরানের স্পিকারের

বাঘারপাড়ায় মসজিদ ভেঙে দেওয়ার অভিযোগে জনরোষ:

আপডেট: ০৭:২৭:১৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৪ এপ্রিল ২০২৬

যশোরের বাঘারপাড়া উপজেলার রাধানগর-পদ্মবিলা রেলওয়ে জংশন এলাকায় একটি পাঞ্জেগানা মসজিদ ভেঙে দেওয়ার অভিযোগে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে স্থানীয় পরিবেশ। রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের এই আকস্মিক পদক্ষেপে ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী শুক্রবার (৩ এপ্রিল) বিকেলে জংশন প্রাঙ্গণে এক বিশাল মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশের আয়োজন করেন।

পদ্মবিলা রেলওয়ে জংশনটি তার নান্দনিক সৌন্দর্যের জন্য দর্শনার্থীদের কাছে অত্যন্ত আকর্ষণীয় একটি স্থান। তবে জংশন এলাকায় নামাজ আদায়ের কোনো স্থায়ী ব্যবস্থা না থাকায় স্থানীয় বাসিন্দারা সম্প্রতি রেলওয়ের একটি পতিত জমিতে একটি অস্থায়ী পাঞ্জেগানা মসজিদ নির্মাণ করেন। প্রায় এক সপ্তাহ ধরে সেখানে নিয়মিত জামাতে নামাজ আদায় হয়ে আসছিল। কিন্তু গত ৩১ মার্চ, কোনো প্রকার আগাম নোটিশ ছাড়াই রেলওয়ে প্রকল্পের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ মসজিদের অবকাঠামোটি গুঁড়িয়ে দেয়।
প্রতিবাদ সমাবেশের মূল বক্তব্য
শুক্রবার আয়োজিত প্রতিবাদ সমাবেশে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা অংশগ্রহণ করেন। সমাবেশে বক্তব্য রাখেন:
* বিশিষ্ট সমাজসেবক অধ্যাপক মো. আশরাফ আলী
* মাওলানা তবিবুর রহমান
* শহিদুল ইসলাম বুলবুলসহ আরও অনেকে।
বক্তারা তাদের ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন:
> “রেলওয়ের জমিতে অনেক অবৈধ দোকানপাট ও স্থাপনা থাকলেও সেগুলো উচ্ছেদ না করে কেবল আল্লাহর ঘর মসজিদটি ভেঙে ফেলা হয়েছে। এটি স্থানীয় মুসলিম জনতা ও পর্যটকদের ধর্মীয় অনুভূতিতে চরম আঘাত।”
সমাবেশ চলাকালীন এই সংকটের স্থায়ী সমাধানের লক্ষ্যে একটি আশাবাদী ঘোষণা আসে। স্থানীয় বাসিন্দা মোশারফ মোল্লা নতুন মসজিদ নির্মাণের জন্য তার ব্যক্তিগত জমি দান করার প্রতিশ্রুতি দেন।

বিক্ষুব্ধ জনতা সমাবেশ থেকে প্রশাসন ও রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের কাছে দুটি প্রধান দাবি তুলে ধরেন:
১. দ্রুততম সময়ের মধ্যে মসজিদটি পুনর্নির্মাণ করতে হবে।
২. স্থায়ী মসজিদ নির্মাণের কাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত জংশন এলাকায় অস্থায়ীভাবে নামাজ পড়ার সুব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।