০৪:১৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৬

ইন্দোনেশিয়ায় ৭.৪ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ১১:২৯:৫৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩ এপ্রিল ২০২৬
  • ৫০৮

ইন্দোনেশিয়ার পূর্বাঞ্চলের নর্দার্ন মলুক্কা সাগরে ৭.৪ মাত্রার এক শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) স্থানীয় সময় গভীর রাতে টারনেট উপকূলের কাছে এই কম্পন অনুভূত হয়। ভূমিকম্পের পরপরই ইন্দোনেশিয়া, ফিলিপাইন ও মালয়েশিয়াসহ পার্শ্ববর্তী দ্বীপগুলোতে সুনামি সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম বিবিসির তথ্য অনুযায়ী, ভূমিকম্পে এখন পর্যন্ত অন্তত একজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। আতঙ্কিত হয়ে ভবন থেকে লাফিয়ে পড়ে আহত হয়েছেন আরও একজন। ভূমিকম্পের তীব্রতায় টারনেট ও আশপাশের এলাকায় অনেক ঘরবাড়ি ও ভবন ধসে পড়েছে। ধসে পড়া স্তূপের নিচে কেউ আটকে আছে কি না, তা দেখতে উদ্ধারকর্মীরা তৎপরতা শুরু করেছেন।

টারনেটের বাসিন্দা বুদি নুরগিয়ান্তো জানান, প্রায় এক মিনিটের বেশি সময় ধরে কম্পন স্থায়ী ছিল। মানুষ এতটাই আতঙ্কিত হয়ে পড়েছিল যে, কেউ কেউ গোসল করা অবস্থাতেই ঘর থেকে রাস্তায় বেরিয়ে আসেন। মানাদো শহরের বাসিন্দারাও তীব্র কম্পন অনুভব করেন এবং নিরাপত্তার জন্য গাছ ও বৈদ্যুতিক খুঁটি থেকে দূরে খোলা জায়গায় আশ্রয় নেন।

যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (USGS) জানিয়েছে, ভূমিকম্পটির কেন্দ্রস্থল ছিল নর্থ মালুকু প্রদেশের টারনেট শহর থেকে ১২০ কিলোমিটার দূরে এবং এর গভীরতা ছিল ৩৫ কিলোমিটার। প্রাথমিকভাবে এর মাত্রা ৭.৮ বলা হলেও পরে তা সংশোধন করে ৭.৪ নির্ধারণ করা হয়।
প্যাসিফিক সুনামি ওয়ার্নিং সেন্টার জানিয়েছে, ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল থেকে ১,০০০ কিলোমিটার এলাকার মধ্যে বিপজ্জনক সুনামি আঘাত হানতে পারে। ইন্দোনেশিয়ার উপকূলে ১ মিটার পর্যন্ত উঁচু ঢেউ আছড়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। এছাড়া জাপান, ফিলিপাইন ও তাইওয়ানেও হালকা ঢেউয়ের পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।

স্থানীয় কর্তৃপক্ষ টারনেট ও তিদোরসহ উপকূলীয় এলাকার বাসিন্দাদের দ্রুত নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকতে বলেছে। উল্লেখ্য, প্রশান্ত মহাসাগরের ‘রিং অব ফায়ার’ অঞ্চলে অবস্থানের কারণে ইন্দোনেশিয়ায় প্রায়ই বড় ধরনের ভূমিকম্প ও প্রাকৃতিক দুর্যোগ দেখা দেয়।

সর্বাধিক পঠিত

চিকিৎসাধীন ছাত্রদল নেতা নাফিস ঈকবাল ঈসাকে দেখতে হাসপাতালে প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত

ইন্দোনেশিয়ায় ৭.৪ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প

আপডেট: ১১:২৯:৫৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩ এপ্রিল ২০২৬

ইন্দোনেশিয়ার পূর্বাঞ্চলের নর্দার্ন মলুক্কা সাগরে ৭.৪ মাত্রার এক শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) স্থানীয় সময় গভীর রাতে টারনেট উপকূলের কাছে এই কম্পন অনুভূত হয়। ভূমিকম্পের পরপরই ইন্দোনেশিয়া, ফিলিপাইন ও মালয়েশিয়াসহ পার্শ্ববর্তী দ্বীপগুলোতে সুনামি সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম বিবিসির তথ্য অনুযায়ী, ভূমিকম্পে এখন পর্যন্ত অন্তত একজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। আতঙ্কিত হয়ে ভবন থেকে লাফিয়ে পড়ে আহত হয়েছেন আরও একজন। ভূমিকম্পের তীব্রতায় টারনেট ও আশপাশের এলাকায় অনেক ঘরবাড়ি ও ভবন ধসে পড়েছে। ধসে পড়া স্তূপের নিচে কেউ আটকে আছে কি না, তা দেখতে উদ্ধারকর্মীরা তৎপরতা শুরু করেছেন।

টারনেটের বাসিন্দা বুদি নুরগিয়ান্তো জানান, প্রায় এক মিনিটের বেশি সময় ধরে কম্পন স্থায়ী ছিল। মানুষ এতটাই আতঙ্কিত হয়ে পড়েছিল যে, কেউ কেউ গোসল করা অবস্থাতেই ঘর থেকে রাস্তায় বেরিয়ে আসেন। মানাদো শহরের বাসিন্দারাও তীব্র কম্পন অনুভব করেন এবং নিরাপত্তার জন্য গাছ ও বৈদ্যুতিক খুঁটি থেকে দূরে খোলা জায়গায় আশ্রয় নেন।

যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (USGS) জানিয়েছে, ভূমিকম্পটির কেন্দ্রস্থল ছিল নর্থ মালুকু প্রদেশের টারনেট শহর থেকে ১২০ কিলোমিটার দূরে এবং এর গভীরতা ছিল ৩৫ কিলোমিটার। প্রাথমিকভাবে এর মাত্রা ৭.৮ বলা হলেও পরে তা সংশোধন করে ৭.৪ নির্ধারণ করা হয়।
প্যাসিফিক সুনামি ওয়ার্নিং সেন্টার জানিয়েছে, ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল থেকে ১,০০০ কিলোমিটার এলাকার মধ্যে বিপজ্জনক সুনামি আঘাত হানতে পারে। ইন্দোনেশিয়ার উপকূলে ১ মিটার পর্যন্ত উঁচু ঢেউ আছড়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। এছাড়া জাপান, ফিলিপাইন ও তাইওয়ানেও হালকা ঢেউয়ের পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।

স্থানীয় কর্তৃপক্ষ টারনেট ও তিদোরসহ উপকূলীয় এলাকার বাসিন্দাদের দ্রুত নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকতে বলেছে। উল্লেখ্য, প্রশান্ত মহাসাগরের ‘রিং অব ফায়ার’ অঞ্চলে অবস্থানের কারণে ইন্দোনেশিয়ায় প্রায়ই বড় ধরনের ভূমিকম্প ও প্রাকৃতিক দুর্যোগ দেখা দেয়।