০২:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬

যশোরে ডাক্তার রাফসান জানির বিরুদ্ধে সাংবাদিক রিটনের মানহানি মামলা

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৯:১৬:২২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল ২০২৬
  • ৫২১

মণিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. রাফসান জানির বিরুদ্ধে এবার মানহানির অভিযোগে আদালতে মামলা করেছেন ডিবিসি নিউজের যশোর জেলা প্রতিনিধি এসএমএম সাকিরুল কবীর রিটন। শালিকাকে ধর্ষণের অভিযোগকে কেন্দ্র করে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে সংবাদ সম্মেলনে মিথ্যা তথ্য প্রদানের অভিযোগে এই মামলাটি দায়ের করা হয়েছে।
বুধবার (১ এপ্রিল) যশোরের অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আছাদুল ইসলাম অভিযোগটি আমলে নিয়ে তদন্ত করে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার জন্য কোতোয়ালি থানার ওসিকে নির্দেশ দিয়েছেন।

ঘটনার সূত্রপাত হয় প্রায় দুই সপ্তাহ আগে, যখন ডা. রাফসান জানির শালিকা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি ভিডিও বার্তা প্রকাশ করে তার দুলাভাইয়ের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ আনেন। ভিডিওটি দ্রুত ভাইরাল হলে দেশজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। পরবর্তীতে ওই নারী মামলা দায়ের করলে আদালতের নির্দেশে বর্তমানে তিনি সেফ হোমে রয়েছেন।
এই ঘটনার প্রেক্ষিতে ডা. রাফসান জানি যশোর প্রেসক্লাবে একটি সংবাদ সম্মেলন করেন। সেখানে তিনি দাবি করেন, সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে কয়েকজন ব্যক্তি তার কাছে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেছেন। ওই সংবাদ সম্মেলনে তিনি ডিবিসির সাংবাদিক সাকিরুল কবীর রিটনের নামও জড়িয়ে বক্তব্য প্রদান করেন।

মামলার বাদী সাকিরুল কবীর রিটন জানান, ডা. রাফসান জানির বক্তব্য নেওয়ার জন্যই তাকে এশিয়ান টিভির অফিসে ডাকা হয়েছিল। সেখানে কোনো প্রকার চাঁদা দাবি বা অবৈধ আর্থিক লেনদেনের কথা হয়নি। রাফসান জানি সংবাদ সম্মেলনে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন তথ্য ছড়িয়ে তার পেশাগত এবং ব্যক্তিগত সম্মানহানি করেছেন। এই ঘটনায় তার প্রায় ৫০ লাখ টাকার মানহানি হয়েছে দাবি করে তিনি আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন।

পুরো ঘটনাটি নিয়ে বর্তমানে যশোরজুড়ে ব্যাপক কৌতূহল ও বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। একদিকে ধর্ষণের অভিযোগ ও ভুক্তভোগীর সেফ হোমে থাকা, অন্যদিকে অভিযুক্ত ডাক্তারের প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়ানো এবং সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে চাঁদা দাবির পাল্টা অভিযোগ—সব মিলিয়ে বিষয়টি এক জটিল মোড় নিয়েছে।
উভয় পক্ষই এশিয়ান টিভির অফিসে বৈঠকের বিষয়টি স্বীকার করলেও, সেই বৈঠকের প্রকৃত উদ্দেশ্য এবং সেখানে কী ঘটেছিল, তা নিয়ে রয়েছে ভিন্ন ভিন্ন মত। আদালতের নির্দেশে এখন কোতোয়ালি থানা পুলিশের তদন্তই বলে দেবে ঘটনার নেপথ্যে আসলে কী লুকিয়ে আছে।

সর্বাধিক পঠিত

টেকনাফের গহীন পাহাড়ে তিনজনের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার,

যশোরে ডাক্তার রাফসান জানির বিরুদ্ধে সাংবাদিক রিটনের মানহানি মামলা

আপডেট: ০৯:১৬:২২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল ২০২৬

মণিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. রাফসান জানির বিরুদ্ধে এবার মানহানির অভিযোগে আদালতে মামলা করেছেন ডিবিসি নিউজের যশোর জেলা প্রতিনিধি এসএমএম সাকিরুল কবীর রিটন। শালিকাকে ধর্ষণের অভিযোগকে কেন্দ্র করে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে সংবাদ সম্মেলনে মিথ্যা তথ্য প্রদানের অভিযোগে এই মামলাটি দায়ের করা হয়েছে।
বুধবার (১ এপ্রিল) যশোরের অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আছাদুল ইসলাম অভিযোগটি আমলে নিয়ে তদন্ত করে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার জন্য কোতোয়ালি থানার ওসিকে নির্দেশ দিয়েছেন।

ঘটনার সূত্রপাত হয় প্রায় দুই সপ্তাহ আগে, যখন ডা. রাফসান জানির শালিকা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি ভিডিও বার্তা প্রকাশ করে তার দুলাভাইয়ের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ আনেন। ভিডিওটি দ্রুত ভাইরাল হলে দেশজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। পরবর্তীতে ওই নারী মামলা দায়ের করলে আদালতের নির্দেশে বর্তমানে তিনি সেফ হোমে রয়েছেন।
এই ঘটনার প্রেক্ষিতে ডা. রাফসান জানি যশোর প্রেসক্লাবে একটি সংবাদ সম্মেলন করেন। সেখানে তিনি দাবি করেন, সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে কয়েকজন ব্যক্তি তার কাছে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেছেন। ওই সংবাদ সম্মেলনে তিনি ডিবিসির সাংবাদিক সাকিরুল কবীর রিটনের নামও জড়িয়ে বক্তব্য প্রদান করেন।

মামলার বাদী সাকিরুল কবীর রিটন জানান, ডা. রাফসান জানির বক্তব্য নেওয়ার জন্যই তাকে এশিয়ান টিভির অফিসে ডাকা হয়েছিল। সেখানে কোনো প্রকার চাঁদা দাবি বা অবৈধ আর্থিক লেনদেনের কথা হয়নি। রাফসান জানি সংবাদ সম্মেলনে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন তথ্য ছড়িয়ে তার পেশাগত এবং ব্যক্তিগত সম্মানহানি করেছেন। এই ঘটনায় তার প্রায় ৫০ লাখ টাকার মানহানি হয়েছে দাবি করে তিনি আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন।

পুরো ঘটনাটি নিয়ে বর্তমানে যশোরজুড়ে ব্যাপক কৌতূহল ও বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। একদিকে ধর্ষণের অভিযোগ ও ভুক্তভোগীর সেফ হোমে থাকা, অন্যদিকে অভিযুক্ত ডাক্তারের প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়ানো এবং সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে চাঁদা দাবির পাল্টা অভিযোগ—সব মিলিয়ে বিষয়টি এক জটিল মোড় নিয়েছে।
উভয় পক্ষই এশিয়ান টিভির অফিসে বৈঠকের বিষয়টি স্বীকার করলেও, সেই বৈঠকের প্রকৃত উদ্দেশ্য এবং সেখানে কী ঘটেছিল, তা নিয়ে রয়েছে ভিন্ন ভিন্ন মত। আদালতের নির্দেশে এখন কোতোয়ালি থানা পুলিশের তদন্তই বলে দেবে ঘটনার নেপথ্যে আসলে কী লুকিয়ে আছে।