০১:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬

লালমনিরহাট সীমান্তে তেল পাচার রোধে বিজিবি-র কঠোর নজরদারি: চেকপোস্ট ও গোয়েন্দা তৎপরতা বৃদ্ধি

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ১১:৪৩:২৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬
  • ৫১১

লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা ও পাটগ্রাম সীমান্ত দিয়ে জ্বালানি তেল পাচার এবং অবৈধ মজুত প্রতিরোধে ব্যাপক তৎপরতা শুরু করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে সরবরাহ স্থিতিশীল রাখতে তিস্তা ব্যাটালিয়ন (৬১ বিজিবি) এই বিশেষ অভিযান ও নজরদারি জোরদার করেছে।

বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, সীমান্ত সংলগ্ন এলাকাগুলোতে তেল পাচারকারী সিন্ডিকেটগুলোর তৎপরতা বন্ধ করতে বহুমুখী পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপগুলো হলো:
* অস্থায়ী চেকপোস্ট স্থাপন: সীমান্তের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে আকস্মিক তল্লাশির জন্য অস্থায়ী চেকপোস্ট বসানো হয়েছে।
* ফিলিং স্টেশন তদারকি: সীমান্ত ঘেঁষা ফিলিং স্টেশন ও অনুমোদিত ডিলাররা প্রতিদিন কী পরিমাণ তেল উত্তোলন ও বিক্রি করছেন, তা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।
* মোবাইল টহল: সন্দেহভাজন যানবাহন তল্লাশিতে নিয়মিত টহলের পাশাপাশি ঝটিকা অভিযানের সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে।

তেল পাচারের সঙ্গে জড়িত সম্ভাব্য চক্র বা সিন্ডিকেট শনাক্ত করতে বিজিবি-র নিজস্ব গোয়েন্দা শাখা কাজ করছে। এছাড়া সীমান্ত এলাকার সাধারণ মানুষকে অবৈধ কর্মকাণ্ড থেকে দূরে রাখতে সচেতনতামূলক সভার আয়োজন করা হচ্ছে। এসব সভায় অবৈধ মজুত ও পাচারের কুফল সম্পর্কে স্থানীয়দের অবগত করা হচ্ছে।
বিজিবি-র প্রতিশ্রুতি
তিস্তা ব্যাটালিয়ন (৬১ বিজিবি) কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, দেশের সম্পদ ও জ্বালানি নিরাপত্তা রক্ষা করা তাদের অন্যতম অগ্রাধিকার। সীমান্ত দিয়ে এক ফোঁটা তেলও যেন অবৈধভাবে দেশের বাইরে না যেতে পারে, সে ব্যাপারে তারা বদ্ধপরিকর।
> “জ্বালানি তেলের অবৈধ পাচার ও মজুত রোধে আমাদের এই কঠোর অবস্থান ও নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে। অপরাধী যেই হোক না কেন, তাকে আইনের আওতায় আনা হবে।”
> — বিজিবি (৬১ ব্যাটালিয়ন) কর্তৃপক্ষ।

সর্বাধিক পঠিত

চুয়াডাঙ্গায় ডিবি পুলিশের বড় সাফল্য: ১৪ লাখ টাকার ফেন্সিডিল ও প্রাইভেটকারসহ ২ পাচারকারী আটক

লালমনিরহাট সীমান্তে তেল পাচার রোধে বিজিবি-র কঠোর নজরদারি: চেকপোস্ট ও গোয়েন্দা তৎপরতা বৃদ্ধি

আপডেট: ১১:৪৩:২৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬

লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা ও পাটগ্রাম সীমান্ত দিয়ে জ্বালানি তেল পাচার এবং অবৈধ মজুত প্রতিরোধে ব্যাপক তৎপরতা শুরু করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে সরবরাহ স্থিতিশীল রাখতে তিস্তা ব্যাটালিয়ন (৬১ বিজিবি) এই বিশেষ অভিযান ও নজরদারি জোরদার করেছে।

বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, সীমান্ত সংলগ্ন এলাকাগুলোতে তেল পাচারকারী সিন্ডিকেটগুলোর তৎপরতা বন্ধ করতে বহুমুখী পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপগুলো হলো:
* অস্থায়ী চেকপোস্ট স্থাপন: সীমান্তের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে আকস্মিক তল্লাশির জন্য অস্থায়ী চেকপোস্ট বসানো হয়েছে।
* ফিলিং স্টেশন তদারকি: সীমান্ত ঘেঁষা ফিলিং স্টেশন ও অনুমোদিত ডিলাররা প্রতিদিন কী পরিমাণ তেল উত্তোলন ও বিক্রি করছেন, তা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।
* মোবাইল টহল: সন্দেহভাজন যানবাহন তল্লাশিতে নিয়মিত টহলের পাশাপাশি ঝটিকা অভিযানের সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে।

তেল পাচারের সঙ্গে জড়িত সম্ভাব্য চক্র বা সিন্ডিকেট শনাক্ত করতে বিজিবি-র নিজস্ব গোয়েন্দা শাখা কাজ করছে। এছাড়া সীমান্ত এলাকার সাধারণ মানুষকে অবৈধ কর্মকাণ্ড থেকে দূরে রাখতে সচেতনতামূলক সভার আয়োজন করা হচ্ছে। এসব সভায় অবৈধ মজুত ও পাচারের কুফল সম্পর্কে স্থানীয়দের অবগত করা হচ্ছে।
বিজিবি-র প্রতিশ্রুতি
তিস্তা ব্যাটালিয়ন (৬১ বিজিবি) কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, দেশের সম্পদ ও জ্বালানি নিরাপত্তা রক্ষা করা তাদের অন্যতম অগ্রাধিকার। সীমান্ত দিয়ে এক ফোঁটা তেলও যেন অবৈধভাবে দেশের বাইরে না যেতে পারে, সে ব্যাপারে তারা বদ্ধপরিকর।
> “জ্বালানি তেলের অবৈধ পাচার ও মজুত রোধে আমাদের এই কঠোর অবস্থান ও নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে। অপরাধী যেই হোক না কেন, তাকে আইনের আওতায় আনা হবে।”
> — বিজিবি (৬১ ব্যাটালিয়ন) কর্তৃপক্ষ।