০৮:২৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬

যশোরে ফার্মেসিতে অবৈধ প্যাথেডিন রাখার দায়ে ওষুধ ব্যবসায়ীর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৭:১৮:২৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬
  • ৫১২

যশোর শহরের ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের সামনে একটি ফার্মেসিতে অবৈধভাবে প্যাথেডিন (চেতনানাশক) রাখার দায়ে আবু সাঈদ নামে এক ওষুধ ব্যবসায়ীকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। সোমবার (৩০ মার্চ) যশোরের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ (৬ষ্ঠ) আদালতের বিচারক মোহাম্মদ শাহীদুল ইসলাম এই রায় ঘোষণা করেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তির পরিচয়
সাজাপ্রাপ্ত আবু সাঈদ শহরের পুরাতন কসবা গাজীরঘাট এলাকার ইসাহাক ওরফে ইসাকের ছেলে। তিনি যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের সামনের ‘এআরএম ফার্মেসি’র মালিক। বর্তমানে তিনি পলাতক রয়েছেন।

মামলার নথিসূত্রে জানা গেছে, ২০১৯ সালের ১৭ জুলাই গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের ‘ক’ সার্কেল হাসপাতালের সামনের এআরএম ফার্মেসিতে অভিযান পরিচালনা করে।
* উদ্ধারকৃত আলামত: তল্লাশি চালিয়ে বিক্রির উদ্দেশ্যে অবৈধভাবে মজুত করা ২৪ পিস প্যাথেডিন ইনজেকশন উদ্ধার করা হয়।
* মামলা: এই ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পরিদর্শক হেলাল উদ্দিন ভূঁইয়া বাদী হয়ে কোতোয়ালি থানায় মামলা দায়ের করেন।

মামলার তদন্ত শেষে তদন্তকারী কর্মকর্তা ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপ-পরিদর্শক বদরুল হাসান ফার্মেসি মালিক আবু সাঈদকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট জমা দেন। দীর্ঘ সাক্ষ্য গ্রহণ ও শুনানি শেষে আদালত আজ এই রায় প্রদান করেন:
* সাজা: যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড।
* আর্থিক দণ্ড: ১০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও এক মাসের কারাদণ্ড।

অতিরিক্ত পিপি আনিসুর রহমান রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর মাদক ও নিষিদ্ধ ওষুধ বিক্রির অপরাধে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত এই কঠোর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদান করেছেন। সাজাপ্রাপ্ত আসামি পলাতক থাকায় তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

সর্বাধিক পঠিত

শার্শায় পিআইও’র বিরুদ্ধে দুর্নীতি-অনিয়মের অভিযোগ,

যশোরে ফার্মেসিতে অবৈধ প্যাথেডিন রাখার দায়ে ওষুধ ব্যবসায়ীর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

আপডেট: ০৭:১৮:২৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬

যশোর শহরের ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের সামনে একটি ফার্মেসিতে অবৈধভাবে প্যাথেডিন (চেতনানাশক) রাখার দায়ে আবু সাঈদ নামে এক ওষুধ ব্যবসায়ীকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। সোমবার (৩০ মার্চ) যশোরের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ (৬ষ্ঠ) আদালতের বিচারক মোহাম্মদ শাহীদুল ইসলাম এই রায় ঘোষণা করেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তির পরিচয়
সাজাপ্রাপ্ত আবু সাঈদ শহরের পুরাতন কসবা গাজীরঘাট এলাকার ইসাহাক ওরফে ইসাকের ছেলে। তিনি যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের সামনের ‘এআরএম ফার্মেসি’র মালিক। বর্তমানে তিনি পলাতক রয়েছেন।

মামলার নথিসূত্রে জানা গেছে, ২০১৯ সালের ১৭ জুলাই গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের ‘ক’ সার্কেল হাসপাতালের সামনের এআরএম ফার্মেসিতে অভিযান পরিচালনা করে।
* উদ্ধারকৃত আলামত: তল্লাশি চালিয়ে বিক্রির উদ্দেশ্যে অবৈধভাবে মজুত করা ২৪ পিস প্যাথেডিন ইনজেকশন উদ্ধার করা হয়।
* মামলা: এই ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পরিদর্শক হেলাল উদ্দিন ভূঁইয়া বাদী হয়ে কোতোয়ালি থানায় মামলা দায়ের করেন।

মামলার তদন্ত শেষে তদন্তকারী কর্মকর্তা ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপ-পরিদর্শক বদরুল হাসান ফার্মেসি মালিক আবু সাঈদকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট জমা দেন। দীর্ঘ সাক্ষ্য গ্রহণ ও শুনানি শেষে আদালত আজ এই রায় প্রদান করেন:
* সাজা: যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড।
* আর্থিক দণ্ড: ১০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও এক মাসের কারাদণ্ড।

অতিরিক্ত পিপি আনিসুর রহমান রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর মাদক ও নিষিদ্ধ ওষুধ বিক্রির অপরাধে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত এই কঠোর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদান করেছেন। সাজাপ্রাপ্ত আসামি পলাতক থাকায় তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।