০৪:০৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬

জ্বালানি সংকট ও মজুত রোধে দেশের ১৯ ডিপোতে বিজিবি মোতায়েন

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ১১:২৪:৪৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬
  • ৫১৬

জ্বালানি তেলের অবৈধ মজুত রোধ, বিপণনে শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে দেশের গুরুত্বপূর্ণ ১৯টি ডিপোতে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) মোতায়েন করা হয়েছে। শনিবার (২৮ মার্চ) বিজিবি সদর দপ্তরের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. শরীফুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান পরিস্থিতির কারণে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের সংকট ও মূল্যবৃদ্ধির সুযোগ নিয়ে দেশে অননুমোদিতভাবে তেল মজুতের অপচেষ্টা পরিলক্ষিত হচ্ছে। এই প্রেক্ষাপটে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে সারা দেশে বিজিবি মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

গত ২৫ মার্চ সকাল থেকে বিজিবি সদস্যরা দেশের বিভিন্ন কৌশলগত পয়েন্টে দায়িত্ব পালন শুরু করেছেন। জেলাওয়ারী ১৯টি ডিপোর তালিকা নিচে দেওয়া হলো:
* রংপুর বিভাগ: রংপুর জেলায় ৩টি এবং কুড়িগ্রাম জেলায় ২টি ডিপো।
* রাজশাহী বিভাগ: রাজশাহী জেলায় ৩টি ডিপো।
* সিলেট বিভাগ: সিলেট জেলায় ২টি, মৌলভীবাজার জেলায় ৩টি এবং সুনামগঞ্জ জেলায় ১টি ডিপো।
* চট্টগ্রাম বিভাগ: কুমিল্লা জেলায় ৩টি এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় ১টি ডিপো।
* ঢাকা বিভাগ: ঢাকা জেলায় ১টি ডিপো।

বিজিবি সদর দপ্তরের সরাসরি তত্ত্বাবধানে একটি সুপরিকল্পিত কাঠামোর আওতায় এই মোতায়েন কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। মোতায়েনকৃত সদস্যরা অস্থায়ী বেইজ ক্যাম্প স্থাপন করে একজন কর্মকর্তার নেতৃত্বে নিম্নলিখিত দায়িত্ব পালন করছেন:
১. মজুত ও নাশকতা রোধ: অবৈধ জ্বালানি মজুত ও বিক্রয় প্রতিরোধে কঠোর অবস্থান গ্রহণ এবং যে কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি মোকাবিলায় গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা।
২. সমন্বয় ও তদারকি: সংশ্লিষ্ট ডিপো কর্তৃপক্ষের সঙ্গে নিয়মিত তথ্য আদান-প্রদান এবং প্রশাসনিক ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা।
৩. জনমনে আস্থা: ডিপো এলাকায় বিজিবির দৃশ্যমান উপস্থিতির মাধ্যমে তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বস্তি ফিরিয়ে আনা।

ডিপোর নিরাপত্তার পাশাপাশি সীমান্ত দিয়ে জ্বালানি তেল পাচার বন্ধে অতিরিক্ত টহল ও তল্লাশি কার্যক্রম শুরু করেছে বিজিবি। সীমান্তবর্তী আইসিপি (ICP) ও এলসিপি (LCP)-গুলোতে নজরদারি বাড়ানোর পাশাপাশি আমদানি-রপ্তানিতে ব্যবহৃত ট্রাক ও লরিগুলোতে নিয়মিত তল্লাশি চালানো হচ্ছে। নদীপথে তেল পাচার রুখতে নৌ-টহলও জোরদার করা হয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।

সর্বাধিক পঠিত

যশোরে সাংবাদিককে হুমকির পর ঘটনাস্থলে জেলা প্রশাসক: ‘অনিয়মকারী নিজ দলের হলেও ছাড় নয়’

জ্বালানি সংকট ও মজুত রোধে দেশের ১৯ ডিপোতে বিজিবি মোতায়েন

আপডেট: ১১:২৪:৪৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬

জ্বালানি তেলের অবৈধ মজুত রোধ, বিপণনে শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে দেশের গুরুত্বপূর্ণ ১৯টি ডিপোতে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) মোতায়েন করা হয়েছে। শনিবার (২৮ মার্চ) বিজিবি সদর দপ্তরের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. শরীফুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান পরিস্থিতির কারণে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের সংকট ও মূল্যবৃদ্ধির সুযোগ নিয়ে দেশে অননুমোদিতভাবে তেল মজুতের অপচেষ্টা পরিলক্ষিত হচ্ছে। এই প্রেক্ষাপটে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে সারা দেশে বিজিবি মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

গত ২৫ মার্চ সকাল থেকে বিজিবি সদস্যরা দেশের বিভিন্ন কৌশলগত পয়েন্টে দায়িত্ব পালন শুরু করেছেন। জেলাওয়ারী ১৯টি ডিপোর তালিকা নিচে দেওয়া হলো:
* রংপুর বিভাগ: রংপুর জেলায় ৩টি এবং কুড়িগ্রাম জেলায় ২টি ডিপো।
* রাজশাহী বিভাগ: রাজশাহী জেলায় ৩টি ডিপো।
* সিলেট বিভাগ: সিলেট জেলায় ২টি, মৌলভীবাজার জেলায় ৩টি এবং সুনামগঞ্জ জেলায় ১টি ডিপো।
* চট্টগ্রাম বিভাগ: কুমিল্লা জেলায় ৩টি এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় ১টি ডিপো।
* ঢাকা বিভাগ: ঢাকা জেলায় ১টি ডিপো।

বিজিবি সদর দপ্তরের সরাসরি তত্ত্বাবধানে একটি সুপরিকল্পিত কাঠামোর আওতায় এই মোতায়েন কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। মোতায়েনকৃত সদস্যরা অস্থায়ী বেইজ ক্যাম্প স্থাপন করে একজন কর্মকর্তার নেতৃত্বে নিম্নলিখিত দায়িত্ব পালন করছেন:
১. মজুত ও নাশকতা রোধ: অবৈধ জ্বালানি মজুত ও বিক্রয় প্রতিরোধে কঠোর অবস্থান গ্রহণ এবং যে কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি মোকাবিলায় গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা।
২. সমন্বয় ও তদারকি: সংশ্লিষ্ট ডিপো কর্তৃপক্ষের সঙ্গে নিয়মিত তথ্য আদান-প্রদান এবং প্রশাসনিক ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা।
৩. জনমনে আস্থা: ডিপো এলাকায় বিজিবির দৃশ্যমান উপস্থিতির মাধ্যমে তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বস্তি ফিরিয়ে আনা।

ডিপোর নিরাপত্তার পাশাপাশি সীমান্ত দিয়ে জ্বালানি তেল পাচার বন্ধে অতিরিক্ত টহল ও তল্লাশি কার্যক্রম শুরু করেছে বিজিবি। সীমান্তবর্তী আইসিপি (ICP) ও এলসিপি (LCP)-গুলোতে নজরদারি বাড়ানোর পাশাপাশি আমদানি-রপ্তানিতে ব্যবহৃত ট্রাক ও লরিগুলোতে নিয়মিত তল্লাশি চালানো হচ্ছে। নদীপথে তেল পাচার রুখতে নৌ-টহলও জোরদার করা হয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।