০৬:৫১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

কেশবপুরে বুরুলী খাল খনন উদ্বোধন: জলাবদ্ধতা নিরসনে নতুন আশার আলো

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০২:৫৭:০৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬
  • ৬২৯

যশোরের কেশবপুর উপজেলার বুরুলী এলাকায় দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা নিরসন ও কৃষি উন্নয়নের লক্ষ্যে শুরু হয়েছে খাল পুনঃখনন কার্যক্রম। শনিবার (২৮ মার্চ) সকালে এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই খনন কাজের আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এই কার্যক্রমের শুভ সূচনা করেন।

যশোর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশেক হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন যশোরের পুলিশ সুপার রফিকুল ইসলাম, কেশবপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রেকসোনা খাতুন, জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু এবং সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন খোকন। এছাড়াও কেশবপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবুল হোসেন আজাদসহ পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রকৌশলী, সেনাবাহিনীর কর্মকর্তা ও স্থানীয় রাজনৈতিক ও সামাজিক ব্যক্তিবর্গ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, “সরকারের নির্বাচনী অঙ্গীকার অনুযায়ী কৃষি ও গ্রামীণ অর্থনীতির উন্নয়নে এই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। বুরুলী খাল পুনঃখননের ফলে শত শত একর জমি জলাবদ্ধতা থেকে মুক্তি পাবে এবং শুষ্ক মৌসুমে কৃষকরা সহজ সেচ সুবিধা পাবেন।” তিনি এই উন্নয়ন কার্যক্রমের সফলতায় স্থানীয় জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ ও তদারকির ওপর গুরুত্বারোপ করেন।:
অনুষ্ঠানে বক্তারা সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আমলের নদী খনন কর্মসূচির স্মৃতিচারণ করে বলেন, সেই সময়ের ধারাবাহিকতা বর্তমান উদ্যোগের মাধ্যমে পুনরুজ্জীবিত হবে। পুলিশ সুপার রফিকুল ইসলাম তার বক্তব্যে নতুন প্রজন্মের কাছে এই খনন ঐতিহ্যের গুরুত্ব তুলে ধরার পাশাপাশি জেলায় মাদক ও কিশোর গ্যাং দমনে কঠোর হুঁশিয়ারি দেন।

এলাকাবাসী জানান, বুরুলী খালটি ভবদহ অঞ্চলের জলাবদ্ধতার সঙ্গে সরাসরি যুক্ত। এটি পুনঃখনন করা হলে পানি নিষ্কাশন স্বাভাবিক হবে এবং কৃষিজমি আবার চাষের উপযোগী হয়ে উঠবে। এতে গ্রামীণ অর্থনীতিতে নতুন গতি সঞ্চার হবে বলে তারা আশাবাদী।

উদ্বোধন শেষে প্রতিমন্ত্রী নিজ হাতে কোদাল দিয়ে মাটি কেটে খনন কাজের সূচনা করেন এবং প্রতীকী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশ নেন। পরে স্থানীয় নারী-পুরুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে খাল খনন কাজে যোগ দেন। সুষ্ঠুভাবে কাজ সম্পন্ন হলে ভবদহসহ আশপাশের এলাকার দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ লাঘব হবে বলে স্থানীয়রা প্রত্যাশা করছেন।

সর্বাধিক পঠিত

বড় আঁচড়ায় পঞ্চম দিনের গণসংযোগে ইমদাদুল হক ইমদাদ

কেশবপুরে বুরুলী খাল খনন উদ্বোধন: জলাবদ্ধতা নিরসনে নতুন আশার আলো

আপডেট: ০২:৫৭:০৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬

যশোরের কেশবপুর উপজেলার বুরুলী এলাকায় দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা নিরসন ও কৃষি উন্নয়নের লক্ষ্যে শুরু হয়েছে খাল পুনঃখনন কার্যক্রম। শনিবার (২৮ মার্চ) সকালে এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই খনন কাজের আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এই কার্যক্রমের শুভ সূচনা করেন।

যশোর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশেক হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন যশোরের পুলিশ সুপার রফিকুল ইসলাম, কেশবপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রেকসোনা খাতুন, জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু এবং সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন খোকন। এছাড়াও কেশবপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবুল হোসেন আজাদসহ পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রকৌশলী, সেনাবাহিনীর কর্মকর্তা ও স্থানীয় রাজনৈতিক ও সামাজিক ব্যক্তিবর্গ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, “সরকারের নির্বাচনী অঙ্গীকার অনুযায়ী কৃষি ও গ্রামীণ অর্থনীতির উন্নয়নে এই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। বুরুলী খাল পুনঃখননের ফলে শত শত একর জমি জলাবদ্ধতা থেকে মুক্তি পাবে এবং শুষ্ক মৌসুমে কৃষকরা সহজ সেচ সুবিধা পাবেন।” তিনি এই উন্নয়ন কার্যক্রমের সফলতায় স্থানীয় জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ ও তদারকির ওপর গুরুত্বারোপ করেন।:
অনুষ্ঠানে বক্তারা সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আমলের নদী খনন কর্মসূচির স্মৃতিচারণ করে বলেন, সেই সময়ের ধারাবাহিকতা বর্তমান উদ্যোগের মাধ্যমে পুনরুজ্জীবিত হবে। পুলিশ সুপার রফিকুল ইসলাম তার বক্তব্যে নতুন প্রজন্মের কাছে এই খনন ঐতিহ্যের গুরুত্ব তুলে ধরার পাশাপাশি জেলায় মাদক ও কিশোর গ্যাং দমনে কঠোর হুঁশিয়ারি দেন।

এলাকাবাসী জানান, বুরুলী খালটি ভবদহ অঞ্চলের জলাবদ্ধতার সঙ্গে সরাসরি যুক্ত। এটি পুনঃখনন করা হলে পানি নিষ্কাশন স্বাভাবিক হবে এবং কৃষিজমি আবার চাষের উপযোগী হয়ে উঠবে। এতে গ্রামীণ অর্থনীতিতে নতুন গতি সঞ্চার হবে বলে তারা আশাবাদী।

উদ্বোধন শেষে প্রতিমন্ত্রী নিজ হাতে কোদাল দিয়ে মাটি কেটে খনন কাজের সূচনা করেন এবং প্রতীকী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশ নেন। পরে স্থানীয় নারী-পুরুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে খাল খনন কাজে যোগ দেন। সুষ্ঠুভাবে কাজ সম্পন্ন হলে ভবদহসহ আশপাশের এলাকার দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ লাঘব হবে বলে স্থানীয়রা প্রত্যাশা করছেন।