জ্বালানি তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা এবং কৃত্রিম সংকট প্রতিরোধে দেশব্যাপী জোরদার তদারকি শুরু করেছে সরকার। এ কার্যক্রমের অংশ হিসেবে একদিনে দেশের ৬২টি জেলায় মোট ২৯৩টি অভিযান ও ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়েছে।
এসব অভিযানে বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগে ৭৮টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। পাশাপাশি মোট ৩ লাখ ১৫ হাজার ৫৫০ টাকা অর্থদণ্ড আদায় করা হয়েছে বলে জানিয়েছে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়। শুক্রবার (২৭ মার্চ) রাতে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়।
মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, জ্বালানি তেলের সরবরাহ ব্যবস্থা স্বচ্ছ ও কার্যকর রাখতে জেলা পর্যায়ে নজরদারি আরও বাড়ানো হয়েছে। মাঠ প্রশাসনের সহায়তায় পরিচালিত এসব অভিযানে পেট্রোল পাম্প, ডিপো, পরিবহন ও খুচরা বিক্রয় পর্যায়ে অনিয়মের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি, অতিরিক্ত মজুদ বা নির্ধারিত দামের বেশি আদায়ের অভিযোগ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলেও জানানো হয়েছে।
এদিকে রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে জ্বালানি বিভাগের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের নেতৃত্বে নিয়মিত মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হচ্ছে। এই অভিযান আগামী দিনগুলোতেও অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
সরকারি তথ্য অনুযায়ী, জ্বালানি খাতে যেকোনো ধরনের অনিয়ম দ্রুত শনাক্ত ও প্রতিরোধে দেশের ৬৪টি জেলায় ভিজিলেন্স টিম গঠন করা হয়েছে। এসব টিমের যোগাযোগ নম্বরও প্রকাশ করা হয়েছে। কোথাও অনিয়ম, অবৈধ মজুদ বা সন্দেহজনক কার্যক্রম দেখা গেলে দ্রুত সংশ্লিষ্ট টিমকে জানাতে নাগরিকদের আহ্বান জানানো হয়েছে।
মন্ত্রণালয় আশা করছে, প্রশাসনের তৎপরতা ও জনসচেতনতার সমন্বয়ে বাজারে জ্বালানি তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক থাকবে এবং অসাধু চক্র কোনোভাবেই কৃত্রিম সংকট তৈরি করতে পারবে না।





















