১২:৫৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬

যশোর-নড়াইল মহাসড়কে চলন্ত বাসে আগুন

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৭:৫১:৫৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ মার্চ ২০২৬
  • ৫২৩

দৌলতদিয়ার ভয়াবহ দুর্ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই এবার যশোর-নড়াইল মহাসড়কে চলন্ত বাসে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। যশোর থেকে ঢাকাগামী একটি যাত্রীবাহী বাস ফতেপুর নামক স্থানে পৌঁছালে হঠাৎ তাতে আগুন ধরে যায়। মুহূর্তের মধ্যেই আগুনের লেলিহান শিখা পুরো বাসে ছড়িয়ে পড়ে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও যাত্রীরা জানান, বাসটি চলন্ত অবস্থায় থাকা কালেই হঠাৎ ইঞ্জিনের দিক থেকে ঘন ধোঁয়া বের হতে শুরু করে। চোখের পলকে আগুন পুরো বাসে ছড়িয়ে পড়লে যাত্রীদের মধ্যে চরম আতঙ্ক সৃষ্টি হয়। এ সময় প্রাণ বাঁচাতে যাত্রীরা হুড়োহুড়ি করে দ্রুত বাস থেকে নেমে যান।
খবর পেয়ে যশোর ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করে। তাদের প্রচেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে এলেও ততক্ষণে বাসটির অধিকাংশ অংশ পুড়ে ছাই হয়ে যায়। তবে সৌভাগ্যবশত এই ঘটনায় কোনো প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়নি।
প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ঈদের মৌসুমে বাড়তি আয়ের লক্ষ্যে বিরতিহীনভাবে দীর্ঘ সময় গাড়িটি চালানোর ফলে ইঞ্জিন ‘ওভারহিট’ বা অতিরিক্ত গরম হয়ে গিয়েছিল। মূলত ইঞ্জিনের ওপর অতিরিক্ত চাপের কারণেই এই অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

সর্বাধিক পঠিত

অসুস্থ নেতাকে দেখতে হাসপাতালে আতিকুজ্জামান সনি,

যশোর-নড়াইল মহাসড়কে চলন্ত বাসে আগুন

আপডেট: ০৭:৫১:৫৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ মার্চ ২০২৬

দৌলতদিয়ার ভয়াবহ দুর্ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই এবার যশোর-নড়াইল মহাসড়কে চলন্ত বাসে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। যশোর থেকে ঢাকাগামী একটি যাত্রীবাহী বাস ফতেপুর নামক স্থানে পৌঁছালে হঠাৎ তাতে আগুন ধরে যায়। মুহূর্তের মধ্যেই আগুনের লেলিহান শিখা পুরো বাসে ছড়িয়ে পড়ে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও যাত্রীরা জানান, বাসটি চলন্ত অবস্থায় থাকা কালেই হঠাৎ ইঞ্জিনের দিক থেকে ঘন ধোঁয়া বের হতে শুরু করে। চোখের পলকে আগুন পুরো বাসে ছড়িয়ে পড়লে যাত্রীদের মধ্যে চরম আতঙ্ক সৃষ্টি হয়। এ সময় প্রাণ বাঁচাতে যাত্রীরা হুড়োহুড়ি করে দ্রুত বাস থেকে নেমে যান।
খবর পেয়ে যশোর ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করে। তাদের প্রচেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে এলেও ততক্ষণে বাসটির অধিকাংশ অংশ পুড়ে ছাই হয়ে যায়। তবে সৌভাগ্যবশত এই ঘটনায় কোনো প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়নি।
প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ঈদের মৌসুমে বাড়তি আয়ের লক্ষ্যে বিরতিহীনভাবে দীর্ঘ সময় গাড়িটি চালানোর ফলে ইঞ্জিন ‘ওভারহিট’ বা অতিরিক্ত গরম হয়ে গিয়েছিল। মূলত ইঞ্জিনের ওপর অতিরিক্ত চাপের কারণেই এই অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।