০২:২৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬

শার্শায় নারী ইউপি সদস্যের ক্ষোভ

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৫:২১:৪৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬
  • ৫১৭

যশোরের শার্শা উপজেলার কায়বা ইউনিয়নে নিজের অধিকার ও উন্নয়ন কাজ থেকে বঞ্চিত হওয়ার অভিযোগ তুলেছেন সংরক্ষিত নারী ইউপি সদস্য রেহেনা খাতুন। কায়বা ইউনিয়নের ৭, ৮ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডের নির্বাচিত এই সদস্য দাবি করেছেন, জনসেবা ও অবকাঠামো উন্নয়নের জন্য বরাদ্দকৃত কাজে তাকে কোনোভাবেই সম্পৃক্ত করা হচ্ছে না।
অভিযোগের মূল বক্তব্য: রেহেনা খাতুন গণমাধ্যমকে জানান, তার নির্বাচনী এলাকায় রাস্তা নির্মাণসহ বিভিন্ন প্রকল্পের বরাদ্দ তার নামেই আসে। তবে কাজ বাস্তবায়নের সময় তাকে পাশ কাটিয়ে অন্য কেউ বা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান তা পরিচালনা করে। তিনি বলেন, “আমাকে উপজেলা অফিসে ডেকে নিয়ে শুধুমাত্র কাগজে স্বাক্ষর নেওয়া হয়। কিন্তু কাজের মান বা বাস্তবায়নের কোনো স্তরেই আমার ভূমিকা রাখার সুযোগ থাকে না।”
দায়ভার নিয়ে শঙ্কা: হতাশা ব্যক্ত করে এই নারী জনপ্রতিনিধি আরও বলেন, “আমি আসলে নামমাত্র মেম্বার। বাস্তবে সব কাজ প্রভাবশালী মহল বা ঠিকাদারের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রিত হচ্ছে। ভবিষ্যতে এসব কাজে যদি কোনো অনিয়ম বা দুর্নীতির প্রমাণ মেলে, তবে তার দায়ভার আমি নেব না। কারণ, এসব কাজের বিস্তারিত তথ্য আমাকে জানানো হয় না।”
উপজেলা প্রকল্প কর্মকর্তার সংশ্লিষ্টতা: তার অভিযোগের তির শার্শা উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) রঞ্জু সাহেবের দিকে। রেহেনা খাতুনের দাবি, পিআইও পুরো বিষয়টি অবগত এবং অর্থের বিনিময়ে ঠিকাদারের মাধ্যমে কাজ বরাদ্দ দেওয়ার যে চর্চা চলছে, তাতে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের অবমূল্যায়ন করা হচ্ছে। এই অভিযোগ নিয়ে স্থানীয় সচেতন মহলের মধ্যেও নানা প্রশ্ন উঠেছে।
স্থানীয়দের দাবি: কায়বা ইউনিয়নের সাধারণ বাসিন্দারা মনে করেন, জনগণের ভোটে নির্বাচিত প্রতিনিধির ক্ষমতা খর্ব করা হলে এলাকার উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত হয়। স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে এবং একজন নারী জনপ্রতিনিধির যথাযথ মর্যাদা ও কাজের সুযোগ ফিরিয়ে দিতে বিষয়টির দ্রুত বিভাগীয় তদন্ত প্রয়োজন।
উল্লেখ্য, এ বিষয়ে অভিযুক্ত কর্মকর্তা বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তী সংবাদে প্রকাশ করা হবে।

সর্বাধিক পঠিত

বেনাপোলে স্টাইল বাজারের জমকালো র‍্যাফেল ড্র ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত

শার্শায় নারী ইউপি সদস্যের ক্ষোভ

আপডেট: ০৫:২১:৪৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬

যশোরের শার্শা উপজেলার কায়বা ইউনিয়নে নিজের অধিকার ও উন্নয়ন কাজ থেকে বঞ্চিত হওয়ার অভিযোগ তুলেছেন সংরক্ষিত নারী ইউপি সদস্য রেহেনা খাতুন। কায়বা ইউনিয়নের ৭, ৮ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডের নির্বাচিত এই সদস্য দাবি করেছেন, জনসেবা ও অবকাঠামো উন্নয়নের জন্য বরাদ্দকৃত কাজে তাকে কোনোভাবেই সম্পৃক্ত করা হচ্ছে না।
অভিযোগের মূল বক্তব্য: রেহেনা খাতুন গণমাধ্যমকে জানান, তার নির্বাচনী এলাকায় রাস্তা নির্মাণসহ বিভিন্ন প্রকল্পের বরাদ্দ তার নামেই আসে। তবে কাজ বাস্তবায়নের সময় তাকে পাশ কাটিয়ে অন্য কেউ বা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান তা পরিচালনা করে। তিনি বলেন, “আমাকে উপজেলা অফিসে ডেকে নিয়ে শুধুমাত্র কাগজে স্বাক্ষর নেওয়া হয়। কিন্তু কাজের মান বা বাস্তবায়নের কোনো স্তরেই আমার ভূমিকা রাখার সুযোগ থাকে না।”
দায়ভার নিয়ে শঙ্কা: হতাশা ব্যক্ত করে এই নারী জনপ্রতিনিধি আরও বলেন, “আমি আসলে নামমাত্র মেম্বার। বাস্তবে সব কাজ প্রভাবশালী মহল বা ঠিকাদারের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রিত হচ্ছে। ভবিষ্যতে এসব কাজে যদি কোনো অনিয়ম বা দুর্নীতির প্রমাণ মেলে, তবে তার দায়ভার আমি নেব না। কারণ, এসব কাজের বিস্তারিত তথ্য আমাকে জানানো হয় না।”
উপজেলা প্রকল্প কর্মকর্তার সংশ্লিষ্টতা: তার অভিযোগের তির শার্শা উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) রঞ্জু সাহেবের দিকে। রেহেনা খাতুনের দাবি, পিআইও পুরো বিষয়টি অবগত এবং অর্থের বিনিময়ে ঠিকাদারের মাধ্যমে কাজ বরাদ্দ দেওয়ার যে চর্চা চলছে, তাতে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের অবমূল্যায়ন করা হচ্ছে। এই অভিযোগ নিয়ে স্থানীয় সচেতন মহলের মধ্যেও নানা প্রশ্ন উঠেছে।
স্থানীয়দের দাবি: কায়বা ইউনিয়নের সাধারণ বাসিন্দারা মনে করেন, জনগণের ভোটে নির্বাচিত প্রতিনিধির ক্ষমতা খর্ব করা হলে এলাকার উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত হয়। স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে এবং একজন নারী জনপ্রতিনিধির যথাযথ মর্যাদা ও কাজের সুযোগ ফিরিয়ে দিতে বিষয়টির দ্রুত বিভাগীয় তদন্ত প্রয়োজন।
উল্লেখ্য, এ বিষয়ে অভিযুক্ত কর্মকর্তা বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তী সংবাদে প্রকাশ করা হবে।