০১:১২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬

উত্তর কোরিয়ার নির্বাচনে কিম জং উনের নিরঙ্কুশ জয়

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৭:৫০:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬
  • ৫০৯

উত্তর কোরিয়ার ১৫তম সুপ্রিম পিপলস অ্যাসেম্বলি নির্বাচনে আবারও অভাবনীয় বিজয় অর্জন করেছেন দেশটির সর্বোচ্চ নেতা কিম জং উন। গত ১৫ই মার্চ অনুষ্ঠিত এই নির্বাচনে শাসক দল ‘ওয়ার্কার্স পার্টি অফ কোরিয়া’ এবং তাদের সমর্থিত প্রার্থীরা প্রতিটি আসনেই নিরঙ্কুশ জয়লাভ করেছেন।
:
দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম কেসিএনএ (KCNA) জানিয়েছে, এবারের নির্বাচনে ৯৯.৯৩ শতাংশ ভোটার সরকারি প্রার্থীদের পক্ষে তাদের রায় দিয়েছেন। তবে কিছু সরকারি পরিসংখ্যানে এই সমর্থনের হার ৯৯.৯৭ শতাংশ বলেও দাবি করা হয়েছে। নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতির হার ছিল বিস্ময়কর—প্রায় শতভাগ (৯৯.৯৯ শতাংশ)। প্রবাসে অবস্থানরত বা সমুদ্রে কর্মরত হাতেগোনা কিছু মানুষ ছাড়া নিবন্ধিত প্রায় সব ভোটারই এই প্রক্রিয়ায় অংশ নেন।
:
এবারের নির্বাচনের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য ও ঐতিহাসিক দিক হলো দীর্ঘ কয়েক দশকের মধ্যে প্রথমবারের মতো ‘না’ ভোটের আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি। উত্তর কোরিয়ার নির্বাচনী ব্যবস্থায় প্রতিটি আসনে সাধারণত মাত্র একজন অনুমোদিত প্রার্থী থাকেন এবং ভোটারদের কাজ হলো সেই প্রার্থীকে গ্রহণ বা বর্জন করা।
:
রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, ০.০৭ শতাংশ ভোটার সরকারি প্রার্থীর বিপক্ষে ভোট দিয়েছেন। ১৯৫৭ সালের পর এই প্রথম দেশটি তাদের সংসদীয় নির্বাচনে বিরোধিতার এই সামান্য হার প্রকাশ্যে স্বীকার করল। যদিও কোনো বিরোধী দল বা বিকল্প প্রার্থী ব্যালটে ছিল না, তবুও উত্তর কোরিয়ার কঠোর রাজনৈতিক আবহে এই সামান্য ‘না’ ভোটকে এক বিরল ও তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনা হিসেবে দেখছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা।

সর্বাধিক পঠিত

বেনাপোলে ঈদ পরবর্তী ক্রীড়া ও স্বাধীনতা দিবস উদযাপন নিয়ে বিকেএস-এর মতবিনিময় সভা

উত্তর কোরিয়ার নির্বাচনে কিম জং উনের নিরঙ্কুশ জয়

আপডেট: ০৭:৫০:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬

উত্তর কোরিয়ার ১৫তম সুপ্রিম পিপলস অ্যাসেম্বলি নির্বাচনে আবারও অভাবনীয় বিজয় অর্জন করেছেন দেশটির সর্বোচ্চ নেতা কিম জং উন। গত ১৫ই মার্চ অনুষ্ঠিত এই নির্বাচনে শাসক দল ‘ওয়ার্কার্স পার্টি অফ কোরিয়া’ এবং তাদের সমর্থিত প্রার্থীরা প্রতিটি আসনেই নিরঙ্কুশ জয়লাভ করেছেন।
:
দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম কেসিএনএ (KCNA) জানিয়েছে, এবারের নির্বাচনে ৯৯.৯৩ শতাংশ ভোটার সরকারি প্রার্থীদের পক্ষে তাদের রায় দিয়েছেন। তবে কিছু সরকারি পরিসংখ্যানে এই সমর্থনের হার ৯৯.৯৭ শতাংশ বলেও দাবি করা হয়েছে। নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতির হার ছিল বিস্ময়কর—প্রায় শতভাগ (৯৯.৯৯ শতাংশ)। প্রবাসে অবস্থানরত বা সমুদ্রে কর্মরত হাতেগোনা কিছু মানুষ ছাড়া নিবন্ধিত প্রায় সব ভোটারই এই প্রক্রিয়ায় অংশ নেন।
:
এবারের নির্বাচনের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য ও ঐতিহাসিক দিক হলো দীর্ঘ কয়েক দশকের মধ্যে প্রথমবারের মতো ‘না’ ভোটের আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি। উত্তর কোরিয়ার নির্বাচনী ব্যবস্থায় প্রতিটি আসনে সাধারণত মাত্র একজন অনুমোদিত প্রার্থী থাকেন এবং ভোটারদের কাজ হলো সেই প্রার্থীকে গ্রহণ বা বর্জন করা।
:
রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, ০.০৭ শতাংশ ভোটার সরকারি প্রার্থীর বিপক্ষে ভোট দিয়েছেন। ১৯৫৭ সালের পর এই প্রথম দেশটি তাদের সংসদীয় নির্বাচনে বিরোধিতার এই সামান্য হার প্রকাশ্যে স্বীকার করল। যদিও কোনো বিরোধী দল বা বিকল্প প্রার্থী ব্যালটে ছিল না, তবুও উত্তর কোরিয়ার কঠোর রাজনৈতিক আবহে এই সামান্য ‘না’ ভোটকে এক বিরল ও তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনা হিসেবে দেখছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা।