০৮:২৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

কেশবপুরে মসজিদের ফ্যান চালানো নিয়ে সংঘর্ষ, আহত ৮

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৯:১২:০২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬
  • ৬১৯

যশোরের কেশবপুর উপজেলায় মসজিদের ফ্যান চালানোকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) দুপুরে উপজেলার সাগরদাঁড়ি ইউনিয়নের ঝিকরা গ্রামে এ সংঘর্ষে অন্তত ৮ জন গুরুতর আহত হয়েছেন।
ঘটনার সূত্রপাত
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঝিকরা গ্রামের খাঁ পাড়া জামে মসজিদে ফজরের নামাজের পর ফ্যান চালিয়ে বসে থাকাকে কেন্দ্র করে বিরোধের সৃষ্টি হয়। মসজিদের ইমাম ফ্যান চালাতে নিষেধ করলে এক পক্ষের সঙ্গে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। এই তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে গ্রামজুড়ে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
হামলার বিবরণ
মঙ্গলবার জোহরের নামাজ শেষে মুসল্লিরা যখন মসজিদ থেকে বের হচ্ছিলেন, তখন পূর্ব পরিকল্পিতভাবে একদল লোক সংঘবদ্ধ হয়ে প্রতিপক্ষের ওপর দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়।
আহতরা হলেন:
* আহাদ আলী মাস্টার
* ওজিয়ার রহমান মাস্টার
* আজিবার রহমান
* আনিছুর রহমান
* শাহীন
* হাবিবুল্লাহ
* আজহারুল ইসলাম
* বায়জিদ হোসেন
বর্তমান অবস্থা
আহতদের দ্রুত উদ্ধার করে প্রথমে কেশবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। তবে কয়েকজনের শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য সন্ধ্যায় তাদের যশোর জেনারেল হাসপাতালে স্থানান্তর (রেফার) করা হয়েছে। এলাকায় বর্তমানে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।
আমি কি এই সংবাদটির জন্য একটি উপযুক্ত সোশ্যাল মিডিয়া ক্যাপশন বা শিরোনাম লিখে দেব?

সর্বাধিক পঠিত

বড় আঁচড়ায় পঞ্চম দিনের গণসংযোগে ইমদাদুল হক ইমদাদ

কেশবপুরে মসজিদের ফ্যান চালানো নিয়ে সংঘর্ষ, আহত ৮

আপডেট: ০৯:১২:০২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬

যশোরের কেশবপুর উপজেলায় মসজিদের ফ্যান চালানোকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) দুপুরে উপজেলার সাগরদাঁড়ি ইউনিয়নের ঝিকরা গ্রামে এ সংঘর্ষে অন্তত ৮ জন গুরুতর আহত হয়েছেন।
ঘটনার সূত্রপাত
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঝিকরা গ্রামের খাঁ পাড়া জামে মসজিদে ফজরের নামাজের পর ফ্যান চালিয়ে বসে থাকাকে কেন্দ্র করে বিরোধের সৃষ্টি হয়। মসজিদের ইমাম ফ্যান চালাতে নিষেধ করলে এক পক্ষের সঙ্গে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। এই তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে গ্রামজুড়ে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
হামলার বিবরণ
মঙ্গলবার জোহরের নামাজ শেষে মুসল্লিরা যখন মসজিদ থেকে বের হচ্ছিলেন, তখন পূর্ব পরিকল্পিতভাবে একদল লোক সংঘবদ্ধ হয়ে প্রতিপক্ষের ওপর দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়।
আহতরা হলেন:
* আহাদ আলী মাস্টার
* ওজিয়ার রহমান মাস্টার
* আজিবার রহমান
* আনিছুর রহমান
* শাহীন
* হাবিবুল্লাহ
* আজহারুল ইসলাম
* বায়জিদ হোসেন
বর্তমান অবস্থা
আহতদের দ্রুত উদ্ধার করে প্রথমে কেশবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। তবে কয়েকজনের শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য সন্ধ্যায় তাদের যশোর জেনারেল হাসপাতালে স্থানান্তর (রেফার) করা হয়েছে। এলাকায় বর্তমানে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।
আমি কি এই সংবাদটির জন্য একটি উপযুক্ত সোশ্যাল মিডিয়া ক্যাপশন বা শিরোনাম লিখে দেব?