০৩:১৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬

যশোরে শার্শা জামাইয়ের লাঠিপেটায় শাশুড়ি গুরুতর আহত

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৪:১৭:১৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬
  • ৫১০

যশোরের শার্শা উপজেলায় পারিবারিক বিরোধের জের ধরে জামাইয়ের লাঠিপেটায় ফেরদৌসী বেগম (৪৫) নামে এক গৃহবধূ গুরুতর আহত হয়েছেন। শনিবার (১৪ মার্চ) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার রামচন্দ্রপুর গ্রামে এ নৃশংস হামলার ঘটনা ঘটে।
আহত ফেরদৌসী বেগম ওই গ্রামের মোহাম্মদ রাজুর স্ত্রী। অভিযুক্ত জামাই সোহাগের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে স্থানীয়রা সরব হয়েছেন।

স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্র জানায়, দীর্ঘদিন ধরেই ফেরদৌসী বেগমের সঙ্গে তার মেয়ে জামাই সোহাগের পারিবারিক বিষয় নিয়ে বিরোধ চলছিল। শনিবার সকালেও তাদের মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে উত্তপ্ত পরিস্থিতি চরম আকার ধারণ করলে সোহাগ উত্তেজিত হয়ে লাঠি দিয়ে তার শাশুড়ি ফেরদৌসী বেগমকে বেধড়ক মারধর শুরু করেন।
লাঠির আঘাতে ফেরদৌসী বেগমের মাথায় গুরুতর জখম হয় এবং তিনি রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। পরে চিৎকার শুনে স্থানীয়রা এগিয়ে এলে হামলাকারী সোহাগ ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন।

স্থানীয় লোকজন ও স্বজনরা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য যশোর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন। হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, মাথায় গুরুতর আঘাত থাকায় তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ওয়ার্ডে স্থানান্তর করা হয়েছে। বর্তমানে তিনি চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা জানান, তুচ্ছ একটি বিষয়কে কেন্দ্র করে এমন নৃশংস হামলা চালানো হয়েছে, যা কোনোভাবেই কাম্য নয়। এই ঘটনার পর এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী অভিযুক্ত জামাই সোহাগকে দ্রুত আইনের আওতায় এনে কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে শার্শা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)-র সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, বিষয়টি সম্পর্কে তারা অবগত হয়েছেন। অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সর্বাধিক পঠিত

খেলাধুলার মাধ্যমে যুবসমাজকে মাদকমুক্ত গড়ার প্রত্যয়: বেনাপোল ক্রীড়া সংস্থার প্রথম সভা অনুষ্ঠিত

যশোরে শার্শা জামাইয়ের লাঠিপেটায় শাশুড়ি গুরুতর আহত

আপডেট: ০৪:১৭:১৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬

যশোরের শার্শা উপজেলায় পারিবারিক বিরোধের জের ধরে জামাইয়ের লাঠিপেটায় ফেরদৌসী বেগম (৪৫) নামে এক গৃহবধূ গুরুতর আহত হয়েছেন। শনিবার (১৪ মার্চ) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার রামচন্দ্রপুর গ্রামে এ নৃশংস হামলার ঘটনা ঘটে।
আহত ফেরদৌসী বেগম ওই গ্রামের মোহাম্মদ রাজুর স্ত্রী। অভিযুক্ত জামাই সোহাগের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে স্থানীয়রা সরব হয়েছেন।

স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্র জানায়, দীর্ঘদিন ধরেই ফেরদৌসী বেগমের সঙ্গে তার মেয়ে জামাই সোহাগের পারিবারিক বিষয় নিয়ে বিরোধ চলছিল। শনিবার সকালেও তাদের মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে উত্তপ্ত পরিস্থিতি চরম আকার ধারণ করলে সোহাগ উত্তেজিত হয়ে লাঠি দিয়ে তার শাশুড়ি ফেরদৌসী বেগমকে বেধড়ক মারধর শুরু করেন।
লাঠির আঘাতে ফেরদৌসী বেগমের মাথায় গুরুতর জখম হয় এবং তিনি রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। পরে চিৎকার শুনে স্থানীয়রা এগিয়ে এলে হামলাকারী সোহাগ ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন।

স্থানীয় লোকজন ও স্বজনরা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য যশোর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন। হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, মাথায় গুরুতর আঘাত থাকায় তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ওয়ার্ডে স্থানান্তর করা হয়েছে। বর্তমানে তিনি চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা জানান, তুচ্ছ একটি বিষয়কে কেন্দ্র করে এমন নৃশংস হামলা চালানো হয়েছে, যা কোনোভাবেই কাম্য নয়। এই ঘটনার পর এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী অভিযুক্ত জামাই সোহাগকে দ্রুত আইনের আওতায় এনে কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে শার্শা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)-র সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, বিষয়টি সম্পর্কে তারা অবগত হয়েছেন। অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।