১১:২৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

যশোরে বিষপান করা গৃহবধূর মৃত্যু

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৭:১২:৪০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬
  • ৬২৬

যশোর সদর উপজেলার ফতেপুর গ্রামে পারিবারিক কলহের জেরে বিষপান করা অনিকা (২৪) নামে এক গৃহবধূর মৃত্যু হয়েছে। তিনি ওই গ্রামের শুভঙ্কর দাসের স্ত্রী। দীর্ঘ চিকিৎসার পর অবশেষে শনিবার (১৪ মার্চ) ভোরে যশোর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
:
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গত ১ মার্চ সকাল ১০টার দিকে পারিবারিক কলহের জেরে অনিকা বিষপান করেন। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে যশোর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকায় পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসায় কিছুটা সুস্থ বোধ করলে তাকে বাড়িতে ফিরিয়ে আনা হয়।
মৃত্যুর বিবরণ:
বাড়িতে ফেরার পর গত ১৩ মার্চ অনিকা পুনরায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। ওই দিনই তাকে আবারও যশোর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় শনিবার ভোর ৩টা ১৫ মিনিটে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।:
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, মৃত্যুর পর মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। ময়নাতদন্ত শেষে আইনানুগ প্রক্রিয়ায় মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

সর্বাধিক পঠিত

বড় আঁচড়ায় পঞ্চম দিনের গণসংযোগে ইমদাদুল হক ইমদাদ

যশোরে বিষপান করা গৃহবধূর মৃত্যু

আপডেট: ০৭:১২:৪০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬

যশোর সদর উপজেলার ফতেপুর গ্রামে পারিবারিক কলহের জেরে বিষপান করা অনিকা (২৪) নামে এক গৃহবধূর মৃত্যু হয়েছে। তিনি ওই গ্রামের শুভঙ্কর দাসের স্ত্রী। দীর্ঘ চিকিৎসার পর অবশেষে শনিবার (১৪ মার্চ) ভোরে যশোর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
:
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গত ১ মার্চ সকাল ১০টার দিকে পারিবারিক কলহের জেরে অনিকা বিষপান করেন। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে যশোর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকায় পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসায় কিছুটা সুস্থ বোধ করলে তাকে বাড়িতে ফিরিয়ে আনা হয়।
মৃত্যুর বিবরণ:
বাড়িতে ফেরার পর গত ১৩ মার্চ অনিকা পুনরায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। ওই দিনই তাকে আবারও যশোর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় শনিবার ভোর ৩টা ১৫ মিনিটে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।:
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, মৃত্যুর পর মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। ময়নাতদন্ত শেষে আইনানুগ প্রক্রিয়ায় মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।