০৪:১৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৯ জুন ২০২৬

যশোরে গৃহবধূ হত্যা মামলার আসামি শংকরের হারপিক পানে আত্মহত্যা

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ১২:২৩:৫১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৫
  • ৫৬২

মনিরামপুরে পরকীয়ার জেরে হত্যা মামলার আসামি শংকরের আত্মহত্যা
যশোরের মনিরামপুরে শংকর মন্ডল (৫৫) নামে এক হত্যা মামলার আসামি হারপিক পান করে আত্মহত্যা করেছেন। শংকর মন্ডল উপজেলার কৃষ্ণবাটি গ্রামের মুকুন্তু মন্ডলের ছেলে। তার বিরুদ্ধে স্থানীয় অবনিশ মন্ডলের স্ত্রী তৃপ্তি মন্ডলকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ ছিল।
তৃপ্তি হত্যা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা, মনিরামপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) নজরুল ইসলাম জানান, তৃপ্তির সঙ্গে শংকর মন্ডলের পরকীয়া সম্পর্কের কথা এলাকাবাসী জানত। একপর্যায়ে শংকর তৃপ্তিকে নিজের ঘরে তুলতে চাইলে তৃপ্তি তার কাছে ভিটাবাড়ি দাবি করেন। এই নিয়ে দুজনের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়। এর জের ধরে গত ২ সেপ্টেম্বর দুপুরে শংকর ভ্যানচালক অবনিশের স্ত্রী তৃপ্তি মন্ডলকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করেন।
গৃহবধূ তৃপ্তির স্বামী অবনিশ মন্ডল বাদী হয়ে শংকরের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন। পরের দিন, অর্থাৎ ৪ অক্টোবর শনিবার ভোররাতে শংকর মন্ডল নিজ বাড়িতে হারপিক পান করে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। খবর পেয়ে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে মনিরামপুর হাসপাতালে ভর্তি করে। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে তাকে যশোর জেনারেল হাসপাতালে রেফার করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার ভোরে শংকর মন্ডল মারা যান।

সর্বাধিক পঠিত

ঈদ পরবর্তী শুভেচ্ছা বিনিময়ে নুরুজ্জামান লিটনের সঙ্গে বাগআঁচড়া বিএনপি নেতৃবৃন্দের সৌজন্য সাক্ষাৎ

যশোরে গৃহবধূ হত্যা মামলার আসামি শংকরের হারপিক পানে আত্মহত্যা

আপডেট: ১২:২৩:৫১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৫

মনিরামপুরে পরকীয়ার জেরে হত্যা মামলার আসামি শংকরের আত্মহত্যা
যশোরের মনিরামপুরে শংকর মন্ডল (৫৫) নামে এক হত্যা মামলার আসামি হারপিক পান করে আত্মহত্যা করেছেন। শংকর মন্ডল উপজেলার কৃষ্ণবাটি গ্রামের মুকুন্তু মন্ডলের ছেলে। তার বিরুদ্ধে স্থানীয় অবনিশ মন্ডলের স্ত্রী তৃপ্তি মন্ডলকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ ছিল।
তৃপ্তি হত্যা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা, মনিরামপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) নজরুল ইসলাম জানান, তৃপ্তির সঙ্গে শংকর মন্ডলের পরকীয়া সম্পর্কের কথা এলাকাবাসী জানত। একপর্যায়ে শংকর তৃপ্তিকে নিজের ঘরে তুলতে চাইলে তৃপ্তি তার কাছে ভিটাবাড়ি দাবি করেন। এই নিয়ে দুজনের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়। এর জের ধরে গত ২ সেপ্টেম্বর দুপুরে শংকর ভ্যানচালক অবনিশের স্ত্রী তৃপ্তি মন্ডলকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করেন।
গৃহবধূ তৃপ্তির স্বামী অবনিশ মন্ডল বাদী হয়ে শংকরের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন। পরের দিন, অর্থাৎ ৪ অক্টোবর শনিবার ভোররাতে শংকর মন্ডল নিজ বাড়িতে হারপিক পান করে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। খবর পেয়ে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে মনিরামপুর হাসপাতালে ভর্তি করে। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে তাকে যশোর জেনারেল হাসপাতালে রেফার করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার ভোরে শংকর মন্ডল মারা যান।