০৪:১৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৯ জুন ২০২৬

এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের টানা ৭ দিনের অবস্থান, শহীদ মিনারেই অনশন: দাবি আদায়ে আজ কালো পতাকা মিছিলের ঘোষণা

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ১১:২৩:৪০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৫
  • ৫৫৬

এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের টানা অবস্থান ধর্মঘট: দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত শহীদ মিনার না ছাড়ার হুঁশিয়ারি, আজ কালো পতাকা মিছিল
বাড়ি ভাড়া, চিকিৎসা ভাতা ও উৎসব ভাতা বৃদ্ধির দাবিতে টানা সাত দিন ধরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন এমপিওভুক্ত শিক্ষক ও কর্মচারীরা। সরকারের দেওয়া আশ্বাসে আস্থা রাখতে না পেরে তারা ঘোষণা করেছেন যে, ন্যায্য দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত তারা শহীদ মিনার ত্যাগ করবেন না।
আন্দোলনের অংশ হিসেবে শনিবার দুপুরে কালো পতাকা মিছিল করার ঘোষণা দিয়েছেন শিক্ষক-কর্মচারীরা। এমপিওভুক্ত শিক্ষা জাতীয়করণ প্রত্যাশী জোটের সদস্য সচিব অধ্যক্ষ দেলাওয়ার হোসেন আজিজী জানিয়েছেন, গত ১০ অক্টোবর রাত থেকে শুরু হওয়া অবস্থান কর্মসূচি বর্তমানে অনশনের রূপ নিয়েছে। তিনি আরও জানান, প্রাথমিক শিক্ষকদের চার লাখ সদস্য এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডাকসুর ভিপিসহ অসংখ্য মানুষ তাদের এই ন্যায্য আন্দোলনের প্রতি সংহতি প্রকাশ করেছেন।
অধ্যক্ষ দেলাওয়ার হোসেন আজিজী বলেন, শিক্ষা উপদেষ্টার ‘অসৌজন্যমূলক আচরণ’ এবং প্রজ্ঞাপন জারিতে বিলম্বের কারণে ক্ষোভ প্রকাশ করে তারা অনশন শুরু করেছেন। রাষ্ট্রীয় অবহেলার প্রতিবাদে আজ শনিবার দুপুর ১২টায় তারা কালো পতাকা মিছিল করবেন।
শিক্ষকদের ন্যায্য অধিকারের বিপক্ষে অবস্থান নেওয়া সকলের বর্জনের সময় এসেছে উল্লেখ করে দেলাওয়ার আজিজী হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “বিদ্যালয়ের ঘণ্টা বাজবে না, ক্লাস হবে না — শহীদ মিনারই এখন আমাদের ঠিকানা।”
এর আগে গত রবিবার (১২ অক্টোবর) প্রেস ক্লাবের সামনে শিক্ষকদের অবস্থান কর্মসূচি চলাকালে পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপের মতো ঘটনা ঘটে। এরপর থেকেই শিক্ষকরা দেশব্যাপী পাঠদান বন্ধ রেখে অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি পালন করছেন।
সরকারের পক্ষ থেকে ৫ শতাংশ বাড়ি ভাতা বৃদ্ধির ঘোষণা দেওয়া হলেও আন্দোলনরত শিক্ষকরা তা প্রত্যাখ্যান করেছেন। তাদের মূল দাবি হলো— বাড়ি ভাতা ২০ শতাংশ, চিকিৎসা ভাতা ১,৫০০ টাকা এবং কর্মচারীদের উৎসব ভাতা ৭৫ শতাংশে উন্নীত করা।
দাবি পূরণ না হলে কর্মসূচি আরও জোরদার করার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন শিক্ষক নেতারা।

সর্বাধিক পঠিত

ঈদ পরবর্তী শুভেচ্ছা বিনিময়ে নুরুজ্জামান লিটনের সঙ্গে বাগআঁচড়া বিএনপি নেতৃবৃন্দের সৌজন্য সাক্ষাৎ

এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের টানা ৭ দিনের অবস্থান, শহীদ মিনারেই অনশন: দাবি আদায়ে আজ কালো পতাকা মিছিলের ঘোষণা

আপডেট: ১১:২৩:৪০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৫

এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের টানা অবস্থান ধর্মঘট: দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত শহীদ মিনার না ছাড়ার হুঁশিয়ারি, আজ কালো পতাকা মিছিল
বাড়ি ভাড়া, চিকিৎসা ভাতা ও উৎসব ভাতা বৃদ্ধির দাবিতে টানা সাত দিন ধরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন এমপিওভুক্ত শিক্ষক ও কর্মচারীরা। সরকারের দেওয়া আশ্বাসে আস্থা রাখতে না পেরে তারা ঘোষণা করেছেন যে, ন্যায্য দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত তারা শহীদ মিনার ত্যাগ করবেন না।
আন্দোলনের অংশ হিসেবে শনিবার দুপুরে কালো পতাকা মিছিল করার ঘোষণা দিয়েছেন শিক্ষক-কর্মচারীরা। এমপিওভুক্ত শিক্ষা জাতীয়করণ প্রত্যাশী জোটের সদস্য সচিব অধ্যক্ষ দেলাওয়ার হোসেন আজিজী জানিয়েছেন, গত ১০ অক্টোবর রাত থেকে শুরু হওয়া অবস্থান কর্মসূচি বর্তমানে অনশনের রূপ নিয়েছে। তিনি আরও জানান, প্রাথমিক শিক্ষকদের চার লাখ সদস্য এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডাকসুর ভিপিসহ অসংখ্য মানুষ তাদের এই ন্যায্য আন্দোলনের প্রতি সংহতি প্রকাশ করেছেন।
অধ্যক্ষ দেলাওয়ার হোসেন আজিজী বলেন, শিক্ষা উপদেষ্টার ‘অসৌজন্যমূলক আচরণ’ এবং প্রজ্ঞাপন জারিতে বিলম্বের কারণে ক্ষোভ প্রকাশ করে তারা অনশন শুরু করেছেন। রাষ্ট্রীয় অবহেলার প্রতিবাদে আজ শনিবার দুপুর ১২টায় তারা কালো পতাকা মিছিল করবেন।
শিক্ষকদের ন্যায্য অধিকারের বিপক্ষে অবস্থান নেওয়া সকলের বর্জনের সময় এসেছে উল্লেখ করে দেলাওয়ার আজিজী হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “বিদ্যালয়ের ঘণ্টা বাজবে না, ক্লাস হবে না — শহীদ মিনারই এখন আমাদের ঠিকানা।”
এর আগে গত রবিবার (১২ অক্টোবর) প্রেস ক্লাবের সামনে শিক্ষকদের অবস্থান কর্মসূচি চলাকালে পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপের মতো ঘটনা ঘটে। এরপর থেকেই শিক্ষকরা দেশব্যাপী পাঠদান বন্ধ রেখে অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি পালন করছেন।
সরকারের পক্ষ থেকে ৫ শতাংশ বাড়ি ভাতা বৃদ্ধির ঘোষণা দেওয়া হলেও আন্দোলনরত শিক্ষকরা তা প্রত্যাখ্যান করেছেন। তাদের মূল দাবি হলো— বাড়ি ভাতা ২০ শতাংশ, চিকিৎসা ভাতা ১,৫০০ টাকা এবং কর্মচারীদের উৎসব ভাতা ৭৫ শতাংশে উন্নীত করা।
দাবি পূরণ না হলে কর্মসূচি আরও জোরদার করার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন শিক্ষক নেতারা।