০২:২৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৯ জুন ২০২৬

শার্শা সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ “লাখে ৬ শতাংশ না দিলে দলিল রেজিস্ট্রি হয় না” — সেবাপ্রার্থীদের অভিযোগ

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ১০:৫০:১১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৫
  • ৬৪৮

নিজস্ব প্রতিবেদক:
যশোরের শার্শা উপজেলার সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ উঠেছে। সেবাপ্রার্থীদের অভিযোগ, জমি রেজিস্ট্রির ক্ষেত্রে সরকারি ফি-এর পাশাপাশি অতিরিক্ত অর্থ দাবি করা হচ্ছে। প্রতি লাখ টাকায় প্রায় ৬ শতাংশ হারে ঘুষ না দিলে দলিল রেজিস্ট্রি করা হয় না বলে অভিযোগ করেছেন সংশ্লিষ্টরা।

এই অর্থ সংগ্রহের মূল দায়িত্বে রয়েছেন অফিসের দ্বিতীয় মোহরার মোঃ মিলন — এমন অভিযোগও উঠেছে।

বেনাপোলের বাসিন্দা পিন্টু হোসেন বলেন,
আমি একটা জমির দলিল করতে গিয়েছিলাম। কিন্তু সরকারি ফি ছাড়াও অতিরিক্ত টাকা দাবি করা হয়। আমি ঘুষ না দেওয়ায় তারা দলিল রেজিস্ট্রি না করে আমাকে ফিরিয়ে দেন।

সেবাপ্রার্থীদের দাবি, সাব-রেজিস্টার মোঃ শাহিন আলম নিজেও এই ঘুষ বাণিজ্যে প্রত্যক্ষভাবে জড়িত। কর্মজীবনের বিভিন্ন জায়গায় দায়িত্ব পালনকালে তার বিরুদ্ধে জাল দলিল, বেনামি রেজিস্ট্রি ও ভুয়া মালিকানা তৈরি করে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, তিনি অতীতে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) একাধিক অনুসন্ধানের মুখোমুখি হয়েছেন। গত এক দশকে নামে-বেনামে বিপুল সম্পদের মালিক হয়েছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।

অফিসে গিয়ে দেখা যায়, সাধারণ মানুষ দলিলের কাজে ঘন্টার পর ঘন্টা অপেক্ষা করলেও নির্ধারিত সরকারি ফি দিয়েই কাজ সম্পন্ন করা প্রায় অসম্ভব। ঘুষ দিতে অস্বীকৃতি জানালে নানা অজুহাতে দলিল আটকে রাখা হয় বা ফাইল ফেরত দেওয়া হয়।

এ বিষয়ে সাব-রেজিস্টার মোঃ শাহিন আলমের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তার মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

স্থানীয় সচেতন মহল দ্রুত তদন্ত করে এই দুর্নীতির অভিযোগের সত্যতা যাচাই ও দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে।

সর্বাধিক পঠিত

ঈদ পরবর্তী শুভেচ্ছা বিনিময়ে নুরুজ্জামান লিটনের সঙ্গে বাগআঁচড়া বিএনপি নেতৃবৃন্দের সৌজন্য সাক্ষাৎ

শার্শা সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ “লাখে ৬ শতাংশ না দিলে দলিল রেজিস্ট্রি হয় না” — সেবাপ্রার্থীদের অভিযোগ

আপডেট: ১০:৫০:১১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদক:
যশোরের শার্শা উপজেলার সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ উঠেছে। সেবাপ্রার্থীদের অভিযোগ, জমি রেজিস্ট্রির ক্ষেত্রে সরকারি ফি-এর পাশাপাশি অতিরিক্ত অর্থ দাবি করা হচ্ছে। প্রতি লাখ টাকায় প্রায় ৬ শতাংশ হারে ঘুষ না দিলে দলিল রেজিস্ট্রি করা হয় না বলে অভিযোগ করেছেন সংশ্লিষ্টরা।

এই অর্থ সংগ্রহের মূল দায়িত্বে রয়েছেন অফিসের দ্বিতীয় মোহরার মোঃ মিলন — এমন অভিযোগও উঠেছে।

বেনাপোলের বাসিন্দা পিন্টু হোসেন বলেন,
আমি একটা জমির দলিল করতে গিয়েছিলাম। কিন্তু সরকারি ফি ছাড়াও অতিরিক্ত টাকা দাবি করা হয়। আমি ঘুষ না দেওয়ায় তারা দলিল রেজিস্ট্রি না করে আমাকে ফিরিয়ে দেন।

সেবাপ্রার্থীদের দাবি, সাব-রেজিস্টার মোঃ শাহিন আলম নিজেও এই ঘুষ বাণিজ্যে প্রত্যক্ষভাবে জড়িত। কর্মজীবনের বিভিন্ন জায়গায় দায়িত্ব পালনকালে তার বিরুদ্ধে জাল দলিল, বেনামি রেজিস্ট্রি ও ভুয়া মালিকানা তৈরি করে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, তিনি অতীতে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) একাধিক অনুসন্ধানের মুখোমুখি হয়েছেন। গত এক দশকে নামে-বেনামে বিপুল সম্পদের মালিক হয়েছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।

অফিসে গিয়ে দেখা যায়, সাধারণ মানুষ দলিলের কাজে ঘন্টার পর ঘন্টা অপেক্ষা করলেও নির্ধারিত সরকারি ফি দিয়েই কাজ সম্পন্ন করা প্রায় অসম্ভব। ঘুষ দিতে অস্বীকৃতি জানালে নানা অজুহাতে দলিল আটকে রাখা হয় বা ফাইল ফেরত দেওয়া হয়।

এ বিষয়ে সাব-রেজিস্টার মোঃ শাহিন আলমের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তার মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

স্থানীয় সচেতন মহল দ্রুত তদন্ত করে এই দুর্নীতির অভিযোগের সত্যতা যাচাই ও দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে।